প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ে, প্রথমার্ধ শেষে গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে গেছে ফ্রান্স এবং মরক্কো। ম্যাচের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত ছিল কিলিয়ান এমবাপ্পের পেনাল্টি মিস, যেখানে মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু অসাধারণ দক্ষতায় সেভ করে ফেলেন এবং দলকে নিশ্চিত বিপদ থেকে রক্ষা করেন।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল এবং আক্রমণে ফ্রান্স আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছিল। এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে ও মাইকেল অলিসের সমন্বিত আক্রমণে একাধিকবার মরক্কোর রক্ষণভাগ চাপে পড়লেও, বুনু এবং তার সতীর্থ ডিফেন্ডাররা প্রতিবার দৃঢ়তা দেখিয়েছেন।
২৫তম মিনিটে বড় সুযোগ পায় ফ্রান্স। ডান প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢোকার সময় নুসাইর মাজরাউইয়ের চ্যালেঞ্জে এমবাপ্পে ফাউলের শিকার হন। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) পর্যালোচনা শেষে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেয় ম্যাচ কর্মকর্তা। দীর্ঘ অপেক্ষার পর স্পটকিকে দাঁড়িয়ে এমবাপ্পে শট নেন। কিন্তু মরক্কোর গোলরক্ষক বুনু সঠিক দিক অনুমান করে অসাধারণ দক্ষতায় সেই শট ঠেকিয়ে দেন। এর ফলে মরক্কো স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে সক্ষম হয়।
পেনাল্টি মিসের পরও ফ্রান্স আক্রমণের গতি কমায়নি। দেম্বেলে, रাবিও এবং উপামেকানের প্রচেষ্টায় মরক্কোর রক্ষণ ঘিরে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও, পরিশেষে গোলের দেখা মেলেনি। অপর দিকে, আশরাফ হাকিমির নেতৃত্বে মরক্কো পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা চালায়, কিন্তু পরিষ্কার গোলের সুযোগ তাদের কাছে খুব বেশি তৈরি হয়নি।
তীব্র গরম আবহাওয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে, দুই দলই সতর্ক কৌশল অবলম্বন করে। ফ্রান্স বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিল, কিন্তু মরক্কোর শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ ভাঙতে তারা পারেনি। বুনুর দুর্দান্ত গোলকিপিং প্রথমার্ধে ফরাসিদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়।
এ কারণে প্রথমার্ধ শেষে ০-০ সমতায় বিরতি নেয় দুই দল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন