প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ধর্ষণের সময় এক নারীকে হত্যা করা হয়েছে, যার নাম রাবেয়া খাতুন। শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করার অভিযোগে সারোয়ার জাহান সাগর নামের এক আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।
রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতারকৃত আসামি সারোয়ার জাহান সাগর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল থানার ইসলামপুর এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে।
অন্যদিকে, হত্যাকাণ্ডের শিকার রাবেয়া খাতুন ভোলা সদর উপজেলার চররমেশ এলাকার শামসুদ্দিনের স্ত্রী ছিলেন।
ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন জানান, আসামি সাগরের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে জানা যায়, রাবেয়া খাতুন উপজেলার নাওড়া এলাকার চা দোকানি রানার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তিনি পার্শ্ববর্তী জলসিঁড়ি প্রজেক্টের শ্রমিকদের রান্নার কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ৪ অক্টোবর রাতে রান্নার কাজ শেষ করে নাওড়ায় ভাড়া বাসায় ফিরছিলেন। ১২ নম্বর সেক্টরের ১০৭ নম্বর সড়কের পাশে পৌঁছালে সাগর তার বুকে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। এরপর ধর্ষণের চেষ্টা চালানোর সময় রাবেয়া চিৎকার করলে সাগর তার নাক ও মুখ চেপে ধরে। এতে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরবর্তীতে তাকে ধর্ষণ করা হয় এবং একপর্যায়ে শ্বাসরোধে রাবেয়া খাতুনের মৃত্যু ঘটে।
পরের দিন, ৫ অক্টোবর দুপুরে স্থানীয়রা রাবেয়া খাতুনের লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। এই ঘটনায় রাবেয়া খাতুনের ছেলে মোহাম্মদ শাহিন বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ওসি আরও জানান, মামলার পর রূপগঞ্জ থানা পুলিশ জলসিঁড়ি প্রজেক্ট এলাকা থেকে সারোয়ার জাহান সাগরকে গ্রেফতার করে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠায়। আদালতে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আসামি সাগর নিজের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন