প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনের প্রেক্ষাপটে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ১০ জনের বিরুদ্ধে শিগরিরই আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে। এই ১০ জনের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও উপদেষ্টা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
রবিবার (৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম এই তথ্য প্রকাশ করেন।
প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, আসামিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন বর্তমানে যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়া মামলাগুলোর অভিযোগপত্র যে কোনো সময় ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হতে পারে।
এই মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, গোপালগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খান, আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাংগীর আলম, সাবেক এমপি সোলাইমান সেলিম এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।
এর আগে, গত ২৭ আগস্ট আসামিদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছিল।
এদিকে, আসামিদের মধ্যে আমির হোসেন আমু, ফারুক খান, ডা. দীপু মনি ও তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এই চার আসামি গ্রেপ্তার অবস্থায় রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে করা তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনে যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে যে কোনো সময় এসব অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন