প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
"প্রান্তিকজনের কণ্ঠস্বর: সফলতা, সমস্যা ও প্রত্যাশা" এই মূল থিমকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার আশাশুনিতে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি বিভাগসমূহের সঙ্গে অ্যাডভোকেসি, নেটওয়ার্কিং ও সহযোগিতা সভা আয়োজন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) আশাশুনি মডেল মসজিদ মিলনায়তনে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ঊঝউঙ)-এর ওঈজউঈঠ-ওওও প্রকল্পের উদ্যোগে এবং মুসলিম এইড ইউকে বাংলাদেশ ফিল্ড অফিসের সহায়তায় আয়োজন করা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু। সভায় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সোবাহান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জিব কুমার দাস, উপজেলা বিএনপি সাবেক আহবায়ক এস এম হেদায়েতুল ইসলাম, জামায়াতের উপজেলা আমির আবু মুসা তারিকুজ্জামান তুষার, মুসলিম এইড ইউকে বাংলাদেশ ফিল্ড অফিসের প্রকল্প সমন্বয়কারী (হিউম্যানিটারিয়ান) এস এম মনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন। সভায় প্রকল্পের উপকারভোগী, সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ মোট ৭০ জন অংশগ্রহণ করেন।
সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন যে, দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আশাশুনির প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকি ও সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এ সমস্যাগুলো মোকাবিলায় স্থানীয় জনগণ, স্থানীয় সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে। বক্তারা জনগণের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও প্রয়োজনকে স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করার গুরুত্বের ওপরও আলোকপাত করেন। সভায় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (উজজ) ও জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন (ঈঈঅ) বিষয়গুলো স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে আরও কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের উন্নত প্রযুক্তি ও অভিযোজনমূলক উদ্যোগগুলো প্রান্তিক জনগণের কাছে পৌঁছানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
আলোচনায় অংশগ্রহণকারী প্রান্তিক জনগণের প্রতিনিধিরা তাদের সফলতা, বিদ্যমান সমস্যা ও ভবিষ্যৎ প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। তারা সরকারি সেবা, কৃষি ও জীবিকা সহায়তা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা আরও সহজলভ্য করার দাবি জানান। সভায় ওঈজউঈঠ-ওও প্রকল্পের অর্জিত শিক্ষা, অভিজ্ঞতা ও উত্তম চর্চা নিয়েও আলোচনা হয়। বক্তারা এসব অভিজ্ঞতা সরকারি বিভাগ ও স্থানীয় সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বৃহত্তর পরিসরে প্রয়োগ ও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আয়োজকরা জানান, এ ধরনের অ্যাডভোকেসি ও নেটওয়ার্কিং সভার মাধ্যমে প্রান্তিক জনগণের কণ্ঠস্বর স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সরকারি সেবা ব্যবস্থার সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত হবে। একই সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দুর্যোগ ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জনগণের সক্ষমতা ও সহনশীলতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন