প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসরাইলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। বুথফেরত জরিপের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অথবা তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান গাদি আইজেনকোট, কোন পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারছে না।
১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতির মধ্য দিয়ে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রকাশিত প্রাথমিক প্রক্ষেপণে দেখা যাচ্ছে, নেতানিয়াহুর জোট আসন সংখ্যায় এগিয়ে থাকলেও একটি স্থিতিশীল সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠনের জন্য যা প্রয়োজন, তা থেকে তারা অনেক দূরে অবস্থান করছে।
ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১২ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ডানপন্থি নেতানিয়াহু জোটের জন্য এই ফল একটি বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পূর্ববর্তী পার্লামেন্টের (নেসেট) মেয়াদে যেখানে নেতানিয়াহুর জোটের আসন সংখ্যা ছিল ৬৮, সেখানে তা কমে ৫২টিতে নেমে আসতে পারে। অন্যদিকে, গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ৪৯টি আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, প্রাথমিক জরিপে ইতিবাচক ফল পাওয়ার ইঙ্গিত পেয়ে উৎসবে মেতে উঠেছেন দেশটির আরব দলগুলোর সমর্থকেরা। তাদের মতে, এবার পার্লামেন্টে রেকর্ডসংখ্যক আরব প্রতিনিধি দেখা যেতে পারে।
যদিও জরিপের এই আভাস সত্ত্বেও নেতানিয়াহু বেশ ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ফলাফলের এই প্রবণতা প্রমাণ করে যে দেশের ইহুদি জনগণের একটি বড় অংশ এখনও তার ডানপন্থি জোটের ওপর আস্থা রাখছে।
নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক চূড়ান্ত ফল জানতে আরো অন্তত ৪৮ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতে পারে। তবে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পরও জোট বা সরকার গঠনের এই দর-কষাকষি কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন