প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নাসিরনগর উপজেলার খান্দুরা গ্রামে আয়োজিত একটি চায়নিজ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ তিন মাস পিছিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার ফলে অংশগ্রহণকারী দলের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
টুর্নামেন্টের আয়োজক মোঃ সবুজ মিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একাধিক পোস্টে এই তথ্য জানান। তিনি জানান, মাঠে কাদা থাকার কারণে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার কথা ভেবে ফাইনাল ম্যাচ আগামী ২০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে, টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী দলগুলো হলো খান্দুরা পশ্চিমপাড়া, খান্দুরা হিন্দুপাড়া, খান্দুরা দক্ষিণবাড়ি, খান্দুরা খা বাড়ি, সাহেববাড়ি, সাহেববাড়ি-২, দিঘিরপাড় জুমন একাদশ, দিঘিরপাড়, সাহেববাড়ি মাদ্রাসা, গাড়াউক, তারাউল্লাহ ও রামেশ্বর একাদশসহ একাধিক দল।
প্রথম রাউন্ড, কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনালের খেলা শেষ হওয়ার পর ফাইনাল আয়োজনের অপেক্ষায় ছিলেন খেলোয়াড় এবং দর্শকরা। কিন্তু হঠাৎ করে ফাইনাল ম্যাচ প্রায় তিন মাস পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দলের খেলোয়াড়দের এবং সমর্থকদের।
ফেসবুক পোস্টে আয়োজক সবুজ মিয়া উল্লেখ করেছেন, মাঠে কাদা থাকলে ফাইনাল আয়োজন করলে খেলোয়াড়দের হাত-পা ভেঙে যেতে পারে এবং তাদের ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। খেলোয়াড়দের স্বার্থে ফাইনাল পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তবে তিনি একই পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, "তিন মাসের আগে কেউ যদি খেলার কথা বলেন তাহলে এক বছর পর খেলা হবে", এমনকি মন্তব্য করেন, "বেশি কথা বললে ২০২৭ সালের জুলাই মাসে ফাইনাল হবে"। এই ধরনের বক্তব্য নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে কয়েকটি দলের খেলোয়াড়রা দাবি করেছেন, পুরো টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর ফাইনাল এত দীর্ঘ সময় স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত তাদের হতাশ করেছে। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে ফাইনাল আয়োজনের দাবি জানান।
তবে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো লিখিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন