প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সুন্দর ও তাজা ত্বক বজায় রাখতে প্রসাধনীর তুলনায় প্রাণখোলা হাসি অনেক বেশি কার্যকর। কারণ প্রাণখোলা হাসির মাধ্যমে মুখের পেশিগুলো প্রাকৃতিকভাবে টান টান হয়ে থাকে এবং এটি ত্বকে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দেয়, যা বয়সের প্রভাব ও বলিরেখা পড়তে না দিতে সহায়তা করে।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বার্ধক্য আসবান। তবে বার্ধক্যের প্রতিকারের জন্য রয়েছে বিভিন্ন পন্থা। এখানে রূপচর্চার নানা পদ্ধতি এবং অ্যান্টি-এজিং ক্রিম রয়েছে। তবে বিজ্ঞান বলে, শুধুমাত্র রূপচর্চা নয়, রূপ ধরে রাখার আসল চাবিকাঠি হতে পারে একগাল হাসি।
যদি বলা হয়— এমন একটি পদ্ধতি আছে, যেখানে বয়স বাড়লেও বার্ধক্য আসবে না, মুখে থাকবে প্রাণবন্ততা এবং দীপ্তি! তবে কি আপনি এ কথা বিশ্বাস করবেন? বয়স বাড়লে বার্ধক্য আসবেই, কিন্তু বিজ্ঞান বলে— মাত্র রূপচর্চার পাশাপাশি রূপ ধরে রাখার প্রকৃত চাবিকাঠি হচ্ছে প্রাণখোলা হাসি।
কারণ হাসি মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। হাসি মনের অবস্থাকে ভাল রাখতে পারে। এমনকি হাসি সুখী করায় হরমোনের নিঃসরণের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এবং সেই হাসির ভাবেই তারুণ্য বজায় রাখার উপায় হতে পারে প্রাণখোলা হাসি।
আবার হাসির সঙ্গে মুখের গঠন সম্পর্কও রয়েছে। বয়সকালে যখন চোয়ালের হাড় ক্ষয় হয় এবং দাঁত ভেঙে যায়; তখন মুখের গঠন কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে যায়। যখন হাড় ক্ষয়ে যায়, তখন মুখের ত্বকও আলগা হয়ে শুরু করে। হাসি সুন্দর করার জন্য দাতের প্রতি খেয়াল রাখা অপরিহার্য। নিয়মিত দাঁত মাজা এবং খাওয়ার পর মুখ ধোয়া জরুরি। কারণ ভিটামিন এ, সি ও ক্যালশিয়াম যুক্ত খাবার দাঁত ভালো রাখতে সহায়তা করে।
নির্মল হাসি মুখে সৌন্দর্য যোগ করে, ঠিক তেমনি হাসির সঙ্গে স্নায়ুর যোগও রয়েছে। চলুন তাহলে দেখি—
প্রথমত, যখন কেউ অনাবিল হাসি দেয়, তখন মুখের পেশি টান টান হয়ে যায়। এতে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। কোনো অস্ত্রোপচার বা দামি ক্রিম ছাড়াই মুখের পেশি সতেজ হয়ে উঠে। ফলে মুখের চেহারা অনেক বেশি সুন্দর হয়ে দেখা যায়।
দ্বিতীয়ত, মানসিক চাপের কারণে কপাল কুঁচকে যায় এবং বলিরেখা পড়তে শুরু করে। চিন্তা-ভাবনার ফলে ঘুমের ব্যাঘাত হতে পারে এবং হরমোনের ভারসাম্যও নষ্ট হয়ে যায়। আবার যদি কেউ খুলে হাসে, তখন মস্তিষ্কে এন্ডরফিন, সেরোটোনিনের মতো ‘হ্যাপি হরমোন’ নিঃসরণের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। স্ট্রেস হরমোন হিসেবে পরিচিত কর্টিসলের নিঃসরণ কমে যায়। ফলে হাসলে মানসিক চাপ মুক্ত থাকা সম্ভব হয়। এর প্রতিফলন চোখ ও মুখেও প্রতিভাত হয়ে উঠে।
আর ত্বকের অন্যতম মৌলিক উপাদান হলো কলাজেন নামক প্রোটিন। আপনি হাসলে, ত্বকে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়, পেশির ব্যায়াম হয়। এর ফলে কলাজেনের নিঃসরণ স্বাভাবিক থাকে এবং ত্বক সতেজ ও সুন্দর দেখায়। আরও কিছু বলা দরকার, হাসলে মন ভালো থাকে। ফলে রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে। মন ফুরফুরে থাকার কারণে শরীরও ভালো থাকে এবং তার প্রভাব মুখেও দেখা যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন