প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে চাপ এলেও দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে না, এই কথা জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ বলেছেন, ‘নিরাপত্তার স্বার্থে’ দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী অবস্থান বজায় রাখবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যে কোনো পরিস্থিতিতে সেনা প্রত্যাহার করা হবে না।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টাইমস অব ইসরায়েল’-এর বরাতে জানা গেছে, কাটজ দক্ষিণ লেবাননের পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্তব্য করে বলেন, “দুই লাখ বাসিন্দা ফিরে আসবে না।”
তিনি বাস্তুচ্যুত হওয়া মানুষদের প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন, যারা লেবাননে ইসরায়েলের অভিযান এবং হামলার কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। কাটজ আরও বলেন, অতীতে ইসরায়েল যেসব এলাকায় ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ তৈরি করেছিল, সেখানে বেসামরিক জনগণের উপস্থিতি ছিল। এর ফলে ইসরায়েলি সেনারা রাস্তার পাশে পেতে রাখা বোমা হামলা ও বিভিন্ন ধরনের আক্রমণের মুখে পড়েছিল।
তিনি বলেন, “আমরা এমন পরিস্থিতি আবার তৈরি হতে দেব না। আমরা সেনা প্রত্যাহার করছি না।”
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে, বলছেন পর্যবেক্ষকরা।
দক্ষিণ লেবানন দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সংঘাতের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক সংঘাতের পর সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সেনা অবস্থান এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের প্রত্যাবর্তন নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ অব্যাহত রয়েছে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন পক্ষ দামেস্কের পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সেনা অবস্থান বজায় রাখার ঘোষণা ঐ প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও লেবানন সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াশিংটন এবং তেল আবিবের কৌশলগত অবস্থানের মধ্যে যদি পার্থক্য তৈরি হয়, তাহলে তা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। সূত্র: আল-জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন