ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শেখ মুজিবের ম্যুরাল নির্মাণে ৬.৬৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ, দুদকের মামলা হাছান-ইনুর বিরুদ্ধে


শেখ মুজিবের ম্যুরাল নির্মাণে ৬.৬৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ, দুদকের মামলা হাছান-ইনুর বিরুদ্ধে

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বাংলাদেশ বেতারে শেখ মুজিবুর রহমানের ব্রোঞ্জ ম্যুরাল নির্মাণের নামে ৬ কোটি ৬৪ লাখ ৯৪ হাজার টাকা আত্মসাৎ ও সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধনের অভিযোগে সাবেক দুই তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও মোহাম্মদ হাছান মাহমুদসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।

মামলাটি রোববার দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ দায়ের করেন। দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অন্যান্য আসামির মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ বেতারের সাবেক মহাপরিচালক এ কে এম নেছার উদ্দিন ভূঞা, নারায়ণ চন্দ্র শীল, উপস্টেশন প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবদুর রহমান, বাংলাদেশ বেতারের সাবেক সিনিয়র প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন, প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি ও তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ এবং প্রকল্প পরিচালক প্রবাল কান্তি দাস। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ইশরাকের পিস্তল উঁচানো দৃশ্য ত্রাসের রাজত্বের প্রতীক: জামায়াত

দুদকের মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৪ সালের ২৪ আগস্ট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীদের পক্ষে কাজী জাকির হাসান ও মলয় কুমার গাঙ্গুলী বাংলাদেশ বেতারের আগারগাঁও কেন্দ্রে শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপনের জন্য আবেদন করেন। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ২১ এপ্রিল বাংলাদেশ বেতারের কর্মকর্তারা জাতীয় বেতার ভবনের অভ্যন্তরে শেখ মুজিবুরের একটি কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন ও নকশা প্রস্তুতের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ওই বছরের ১৯ মে, বাংলাদেশ বেতারের তৎকালীন মহাপরিচালক এ কে এম নেছার উদ্দিন ভূঞা ‘বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স’ নির্মাণের প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠান।

পরবর্তীতে, মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সভায় বাংলাদেশ বেতারের শাহবাগ কমপ্লেক্স আগারগাঁওয়ে স্থানান্তর, নির্মাণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় শেখ মজিবুরের ম্যুরাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৮ সালের ৯ জানুয়ারি প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির সভায় শেখ মজিবুরের ম্যুরাল নির্মাণে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়। একই বছরের ২৪ জানুয়ারি তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রকল্পের আওতায় ম্যুরাল স্থাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরবর্তী সময়ে ২০১৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির চতুর্থ সভায় ম্যুরাল স্থাপনের কাজটি প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা যুক্তিযুক্ত বলে উল্লেখ করা হয় এবং ব্যয় প্রাক্কলনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ৭ মে বাংলাদেশ বেতারের তৎকালীন মহাপরিচালক নারায়ণ চন্দ্র শীলের নির্দেশে ব্রোঞ্জ ম্যুরাল নির্মাণের দাপ্তরিক ব্যয় প্রাক্কলন করা হয় ৫ কোটি ৭৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা। পরবর্তীতে ২০২০ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রকল্প পরিচালক প্রবাল কান্তি দাস দরপত্রের মাধ্যমে ৫ কোটি ৭৮ লাখ ৩৪ হাজার টাকায় নির্মাণকাজের কার্যাদেশ দেন। ২০২০ সালের ৯ ডিসেম্বর, তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় শেখ মজিবুরের ব্রোঞ্জ ম্যুরালের নকশা অনুমোদন করা হয়। কার্যাদেশ পাওয়া ঠিকাদার ২০২৪ সালের ১২ জুন পর্যন্ত নয়টি বিলের মাধ্যমে মোট ৬ কোটি ৬৪ লাখ ৯৪ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। তবে, দুদকের অনুসন্ধানকালে বাংলাদেশ বেতারের আগারগাঁও কেন্দ্র সরেজমিন পরিদর্শন করে সেখানে ম্যুরালের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: রাজনীতিকে সঠিক পথে পরিচালনায় সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: সড়ক পরিবহণমন্ত্রীর মন্তব্য

সূত্র জানায়, প্রকল্পের অপরিহার্য অংশ না হওয়া সত্ত্বেও পরস্পর যোগসাজশে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে ম্যুরাল নির্মাণের কাজটি প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক অসদাচরণের মাধ্যমে সরকারের ৬ কোটি ৬৪ লাখ ৯৪ হাজার টাকা আর্থিক ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে আমির হামজার মাহফিলের প্যান্ডেল খুলে ফেলা হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৮ পি.এম


রাজশাহীতে আমির হামজার মাহফিলের প্যান্ডেল খুলে ফেলা হলো

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার অংশগ্রহণের পরিকল্পনা থাকা তাফসিরুল কোরআন মাহফিলের জন্য প্রশাসন অনুমতি প্রদান করেনি। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পুলিশের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত প্রতিবেদন না পাওয়ার কারণে অনুমতি দেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে আয়োজকেরা মাহফিলের আয়োজন বাতিল করতে বাধ্য হন।

এই বিষয়টি রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে নিশ্চিত করেন আয়োজক সংগঠন মানব কল্যাণ পরিষদের সভাপতি ইসমাইল হক।

মাহফিলটি সোমবার (১৯ অক্টোবর) গোদাগাড়ী মহিলা কলেজ মাঠে বিকেল থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রশাসনের মৌখিক নির্দেশনার পর আয়োজকরা প্যান্ডেল গুটিয়ে ফেলেন এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের আসার জন্য নিষেধ করেন।

গোদাগাড়ী মহিলা কলেজ মাঠে ‘মানব কল্যাণ পরিষদ’ নামক সংগঠনের উদ্যোগে এই তাফসিরুল কুরআন মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছিল। এতে সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন রেলবাজার দারুস সুন্নাহ ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবু মুহাম্মদ বজলুর রহমান মাদানী। প্রধান অতিথি হিসেবে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মজিবুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল সংসদ সদস্য ও ইসলামী বক্তা মুফতি আমির হামজা এমপির, যিনি গোদাগাড়ীর এই মাহফিলে আসার সম্মতি দিয়েছিলেন। স্থানীয় জামায়াত নেতা ওবাইদুল্লাহকেও মাহফিলে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

মাহফিলের অনুমতির জন্য ১৩ অক্টোবর গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে আবেদন করা হয়েছিল। আয়োজকরা শনিবার সকালে ইউএনওর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে জটিলতা দেখা দেয়। মানব কল্যাণ পরিষদের সভাপতি ইসমাইল হক জানান, ইউএনও জানান যে, মাহফিলের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রতিবেদন পুলিশের কাছে চাওয়া হয়েছে এবং প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত তিনি অনুমতি দিতে পারবেন না। এই অবস্থায় মাহফিল হবে না ধরে নিয়ে অতিথিদের ফোন করে ক্ষমা চাওয়া হয় এবং প্যান্ডেল গুটিয়ে ফেলা হয়।

গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান এ বিষয়ে জানান, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ছাড়া এত বড় জনসমাগমের অনুমতি দেওয়ার নিয়ম নেই। পুলিশ প্রতিবেদন হাতে না পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়। অন্যদিকে, রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মামুন অর রশিদ জানান, বিষয়টি তার জানা নেই এবং উপজেলা বা জেলা প্রশাসন থেকে পুলিশের কাছে কোনো প্রতিবেদন চাওয়া হয়ে থাকলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাহফিলকে কেন্দ্র করে গোদাগাড়ীসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলায় ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়েছিল এবং বড় প্যান্ডেল তৈরির কাজও চলছিল, তবে শেষ মুহূর্তে প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় আয়োজক কমিটি তাফসির মাহফিলটি স্থগিত করতে বাধ্য হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন মানবতার অসাধারণ দৃষ্টান্ত: ডা. জুবাইদা রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৮ পি.এম


জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন মানবতার অসাধারণ দৃষ্টান্ত: ডা. জুবাইদা রহমান

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান মন্তব্য করেছেন যে, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশীর্বাদ এবং তারেক রহমানের উদ্যোগ ও অনুপ্রেরণায় এই প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের মানবতার এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত হিসেবে গড়ে উঠেছে। গত ২৭ বছর ধরে মানবসেবার ছোট চারাগাছ থেকে আজ এই প্রতিষ্ঠান মহীরূহ হওয়ার পথে রয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভলগ্নে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সকল সদস্যকে আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানানো হয়।

রবিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ)-এর ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন।

ডা. জুবাইদা রহমান আরও বলেন, "মানুষের জন্য মানুষ—একটু চেষ্টা, একটু উদ্যোগ—এই সংকল্পে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এগিয়ে যাচ্ছে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, ফাউন্ডেশন সবসময় বাংলাদেশের সর্বত্র প্রতিটি মানুষের পাশে থাকবে এবং ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে সারা বিশ্বে মানবতার উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠবে বিভিন্ন মানবসেবী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে।

অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জেডআরএফ'র নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. ফরহাদ হালিম ডোনারও বক্তব্য দেন। এতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সম্মানিত সদস্যরাও অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোমস্তাপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে সকলের সমর্থন ও দোয়া চান মোহাঃ সাদিকুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শাহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২৫ পি.এম


গোমস্তাপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে সকলের সমর্থন ও দোয়া চান মোহাঃ সাদিকুল ইসলাম

আসন্ন গোমস্তাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সমগ্র উপজেলায় বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ ও কর্মচাঞ্চল্য। উপজেলাকে একটি সমৃদ্ধ, শান্তিময় ও আধুনিক মডেল হিসেবে গড়ে তোলার সুনির্দিষ্ট ভিশন নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার জোর ঘোষণা দিয়েছেন পার্বতীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মোহাঃ সাদিকুল ইসলাম।

তিনি স্পষ্ট জানান, উপজেলার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন অর্জনে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের নেতৃত্ব ও অভিজ্ঞতার প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে একযোগে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করাই হবে তাঁর মূল লক্ষ্য। নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের অকৃত্রিম ভালোবাসা, সমর্থন ও দোয়া চেয়েছেন।

দীর্ঘদিন ধরে গোমস্তাপুরের সাধারণ ও মেহনতি মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন রাজনৈতিক অঙ্গনের এই পরিচিত মুখ। এলাকার মানুষের সার্বিক উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করার দীর্ঘদিনের দাবি থেকেই এবার তিনি সরাসরি জনপ্রতিনিধি হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

নিজের প্রার্থিতা ও ভিশন সম্পর্কে মোহাঃ সাদিকুল ইসলাম বলেন, "গোমস্তাপুর উপজেলার অবহেলিত প্রতিটি জনপদের মেহনতি মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাই আমার মূল লক্ষ্য। আমি বিশ্বাস করি, উপজেলার উন্নয়ন একক কোনো চেষ্টা নয়—সম্মিলিত প্রচেষ্টা। বিজ্ঞ ও দক্ষ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আমরা একটি শক্তিশালী, বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত গোমস্তাপুর পরিষদ গঠন করব। প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ এবং তরুণদের উদ্দীপনাকে কাজে লাগিয়ে উপজেলাবাসীর সেবায় নিজেকে পুরোপুরি উৎসর্গ করতে চাই।"

তিনি আরও যোগ করেন, "উপজেলাবাসীর ভালোবাসা ও অবিচল সমর্থনই আমার সামনের পথচলার সবচেয়ে বড় শক্তি। মুরুব্বি ও সুশীল সমাজের সুচিন্তিত নির্দেশনা এবং তরুণদের প্রাণবন্ত সমর্থন সাথে নিয়ে একটি আধুনিক গোমস্তাপুর গড়ে তুলতে আমি দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ।"

স্থানীয় সচেতন মহল ও তরুণ প্রতিনিধিদের মতে, সাদিকুল ইসলাম সর্বদা তৃণমূলের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থেকেছেন। ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি নির্বাচিত হলে উপজেলা চেয়ারম্যানের নেতৃত্বকে যেমন আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করবে, তেমনি উপজেলার চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত হবে বলে মনে করছেন সর্বস্তরের জনগণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়া থেকে নয় মাসে ৪৫ হাজারের বেশি অভিবাসী ফেরত, শীর্ষে বাংলাদেশিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩২ পি.এম


মালয়েশিয়া থেকে নয় মাসে ৪৫ হাজারের বেশি অভিবাসী ফেরত, শীর্ষে বাংলাদেশিরা

চলতি বছরের প্রথম সাড়ে ৯ মাসে মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন অভিবাসন সংক্রান্ত অপরাধের কারণে ৬০ হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। দেশটির অভিবাসন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক লোকমান এফেন্দি রামলি নিশ্চিত করেছেন যে, আটককৃতদের মধ্যে ৪৫ হাজারেরও বেশি নাগরিক ইতোমধ্যেই তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

ফেরত পাঠানো অবৈধ অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া এবং মিয়ানমারের নাগরিকদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। অভিবাসন বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে অন্তত ১ লাখ ৪৬ হাজার বিদেশির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। এই সময়কালে অভিবাসন বিভাগ প্রতিদিন গড়ে ৩৮টিরও বেশি অভিযান পরিচালনা করেছে।

মূলত বৈধ কাগজপত্র বা কাজের পারমিট না থাকা, ভিসার মেয়াদের অতিরিক্ত সময় অবস্থান করা এবং সোশ্যাল ভিজিট ভিসায় এসে অবৈধভাবে কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে এসব আটক ও বহিষ্কারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানের ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি কুবাং কেরিয়ান এলাকার একটি নির্মাণস্থল থেকে ৫৫ জন বিদেশিকে আটক করেছে দেশটির আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। একই সঙ্গে, জোহর বাহরু ও কুয়ালালামপুর থেকে আসা ১০ জন মিয়ানমারের নাগরিককে অবৈধ পথে সীমান্ত পার করার চেষ্টার সময় এক মানবপাচারকারীসহ তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%