প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পায়ে হেঁটে চিঠি বিলি করার কাজ থেকে সাইকেলে চেপে মানি অর্ডার পৌঁছে দেওয়ার পেশায় পরিবর্তন এসেছে—জাহাঙ্গীর এখন একজন ডেলিভারি ম্যান। পোস্ট অফিসের সেবার ধরনও পরিবর্তিত হয়েছে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে টিকে থাকার জন্য পোস্ট অফিস এখন অনেকটা কুরিয়ার সার্ভিসের মতো সেবা প্রদান করছে।
জাহাঙ্গীর এবং রণজিৎসহ নতুন ও পুরোনো ডাকপিয়নদের সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হচ্ছে। একসময় ডাকপিয়নরা মানুষের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন। তারা প্রিয়জনের চিঠি, চাকরির নিয়োগপত্র এবং মানি অর্ডার পৌঁছে দিতেন। তবে সময়ের সঙ্গে ব্যক্তিগত চিঠির ব্যবহার কমে গেছে। এর পরিবর্তে বেড়েছে পার্সেল এবং বিভিন্ন পণ্য পাঠানোর চাহিদা।
পোস্টমাস্টার মশিউর রহমান জানান, এখানে ১৫ জন ডাকপিয়ন কর্মরত আছেন। তাদের মধ্যে অনেকের চাকরির মেয়াদও শেষের দিকে। তবে সময়ের সঙ্গে তাদের কাজের ধরন পরিবর্তিত হয়েছে। সাইকেলের পাশাপাশি এখন স্কুটিতে করেও পার্সেল পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
বর্তমানে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে পার্সেল পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি ট্র্যাকিং সুবিধাও যুক্ত হয়েছে। ফলে ডাক বিভাগ এখন অনেকটাই আধুনিক কুরিয়ার সেবার মতো কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
চিঠির যুগ পরিবর্তিত হয়েছে। ডাকপিয়নের বাহন এবং কাজের ধরনেও পরিবর্তন এসেছে। একসময় যারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে চিঠি ও মানি অর্ডার পৌঁছে দিতেন, এখন তাদের দায়িত্বের বড় অংশজুড়ে রয়েছে পার্সেল সরবরাহ।
তবুও মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় কিছু পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব বদলায়নি। পায়ে হেঁটে চিঠি বিলি থেকে আধুনিক পার্সেল ডেলিভারি—সময় বদলেছে, ডাকপিয়নও বদলেছেন। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নতুন সেবার মাধ্যমে ডাক বিভাগ এখনো নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন