প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত বলেছেন, গত ২০ বছরে নগরায়ণের নামে নরকায়ন হয়ে গেছে। ঢাকা শহর শেষ হয়ে গেছে।
পৃথিবীর যে তিনটি নিকৃষ্টতম শহর রয়েছে, তার মধ্যে ঢাকা একটি। এখান থেকে বের করে আনার বিশাল দায়িত্ব আমাদের প্রশাসক মহোদয়ের কাঁধের ওপর রয়েছে। এটা একদিনে হবে না। তবে আমাদের প্রধানমন্ত্রী গুলশান লেক পরিষ্কার করার জন্য তাঁর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেছেন এবং আপনারা জানলে অবাক হবেন, ঢাকা শহরের মতো শহরে কোনো সুয়ারেজ প্ল্যানিং নেই।
তিনি আরো বলেন, অধিকাংশ এলাকার পয়ঃনিষ্কাশন লাইন সরাসরি লেকে গিয়ে পড়ছে। গুলশানকে একটি মডেল এলাকা হিসেবে গড়তে সবার সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইকোনমিস্ট গ্রুপের গবেষণা বিভাগ ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) তৈরি ২০২৬ সালের বৈশ্বিক বাসযোগ্যতা সূচকে দেখা গেছে, বিশ্বের ১৭৩ শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান তৃতীয়। এই সূচকে, বিশ্বের বাসযোগ্যতার দিক দিয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে আছে যুদ্ধবিধ্বস্ত দামেস্ক ও ত্রিপোলি শহর।
সূচক অনুযায়ী, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা ও অবকাঠামো বিবেচনা করা হয়। এই সূচকে ঢাকা ১০০-এর মধ্যে ৪২ স্কোর নিয়ে ১৭১তম অবস্থানে রয়েছে। স্কোর ৮০-এর ওপরে হলে গ্রহণযোগ্য আর ৪০-এর নিচে গেলে শহরটিকে অসহনীয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ৪২ স্কোর নিয়ে ঢাকা অসহনীয় শহরের চেয়ে সামান্য ভালো অবস্থায় রয়েছে। গত বছরের মতো এবছরে একই অবস্থান তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের।
স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে, ঢাকার স্কোর ১০০-এর মধ্যে ৪৫। স্বাস্থ্যসেবায় ৪২। সংস্কৃতি ও পরিবেশের ক্ষেত্রে ৪১। শিক্ষার ক্ষেত্রে ৬৭ স্কোর, যা সর্বোচ্চ। অবকাঠামোর ক্ষেত্রে ঢাকার স্কোর মাত্র ২৭, যা সর্বনিম্ন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন