প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বলিউড অভিনেত্রী সোনম খান সম্প্রতি একাধিক গুঞ্জন নিয়ে কথা বললেন। বিশেষত, ৩৭ বছর আগে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ত্রিদেব’ সিনেমাকে কেন্দ্র করে বহু বছর ধরে চালু থাকা একটি গুঞ্জন বেরিয়ে এসেছে। এই গুঞ্জনের সমাজে বেশ কিছু সময় ধরে প্রচলিত ছিল যে, সোনম খান অভিনেতা এবং সিনেমার পরিচালকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের জন্যেই ছবিতে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিলেন।
বিগত গত ৩৭ বছর পরে এসে সোনম খান সকলকে জানিয়েছেন যে, পরিচালকের সঙ্গে তার কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘ওয়ে ওয়ে’ গানের একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি লেখেন, ‘না, বড় করে বলছি—না। ত্রিদেব-এর শুটিং চলাকালে আমার পরিচালকের সঙ্গে কোনো প্রেম ছিল না।’
এই প্রসঙ্গে সোনম খান উল্লেখ করেছেন যে, ছবির মুক্তির পর অনেকেই বিশ্বাস করতে শুরু করেন যে, পরিচালক রাজীব রাইয়ের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। এর ফলস্বরূপ, অনেকে ভাবতে শুরু করেছিলেন যে, সোনম খান পরিচালকের সঙ্গে প্রেম করছিলেন তাই তিনি অন্যান্য দুই নায়িকার তুলনায় বেশি সুযোগ পেয়েছেন।
তিনি আরও জানান, শুটিং চলাকালে পরিচালক রাজীব রায়ের জীবনেও অন্য একজন নারী ছিলেন এবং সোনমও নিজেকে একটি সম্পর্কে আবদ্ধ করেছিলেন। সোনম বলেন, রাজীব সেটে তার প্রেমিকাকে নিয়ে আসতেন। তার প্রেমিকও শুটিংয়ের জায়গায় উপস্থিত থাকতেন। এইভাবে দেখা যাচ্ছে, শুটিং চলাকালে তাদের মধ্যে কিছুই ছিল না।
সোনমের মতে, রাজীব রায় শুরুতে তাকে ‘ত্রিদেব’-এ নেওয়ার ব্যাপারে রোমান্টিক ছিলেন না; বরং অন্য এক অভিনেত্রীকে প্রায় চূড়ান্তও করেছিল। কিন্তু প্রযোজক যশ চোপড়া তার অভিনয়ে খুব বেশি আকৃষ্ট না হলে তাকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
সোনম বলেন, সেই সময় রাজীব রায় তার কাজের প্রতি আগ্রহী ছিলেন না। তাই তাকে নেওয়ার সিদ্ধান্তটি প্রায় অন্য একজনের হয়ে গিয়েছিল। চূড়ান্তভাবে বিকল্পের অভাবে তাকে নেওয়া হয়।
এই স্থানীয় প্রসঙ্গে সোনম আবারও স্পষ্ট করেছেন যে, ‘ত্রিদেব’ নির্মাণের সময় তাদের মধ্যে কোনও প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। তবে ছবির মুক্তির পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, কারণ তখন দুজনেই অবিবাহিত ছিলেন।
সোনমের ভাষায়, মুক্তির পর তারা সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যান। তার আগে কিছুই ঘটে নি, যেমন গোপন প্রেম বা ফোনকল। movieটির সাফল্যের ফলে সোনম ও রাজীব রায়ের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর হয় এবং ১৯৯১ সালে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর সোনম অভিনয়জগৎ থেকে নিজেকে অনেকটা সরিয়ে নেন এবং সংসার ও সন্তানকে সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাদের এক পুত্র সন্তান রয়েছে, যিনি অটিজমে আক্রান্ত। সোনম এবং রাজীব যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে একসঙ্গে বসবাস করেন।
যাইহোক, দীর্ঘবিরতির পর ২০০১ সালে রাজীব ও সোনম আলাদা হয়ে যান এবং ১৫ বছর একসঙ্গে থাকার পর ২০১৬ সালে তাদের আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন