প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যে, প্রতিবাদকারীদের হয়রানি না করে অপরাধ ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
শনিবার (৩ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে দলের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এই আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে অন্তত দুটি অপরাধ ও অনিয়মের ঘটনায় সরকার প্রতিবাদকারীদের ওপর কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এর ফলে অপরাধ ও অনিয়মকে প্রকারান্তরে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। একটি গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য প্রতিবাদকে স্বাগত জানানো উচিত।
ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব বলেন, রাজধানীতে কনটেন্ট নির্মাতা সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার পর তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটিকে মুখ্য করে তোলা হয়েছে। এরপর তার ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব ও লেনদেনের তথ্য চেয়ে ব্যাংকগুলোতে চিঠি পাঠিয়েছে।
অন্যদিকে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটের কারণে যাত্রীদের ভোগান্তির ঘটনায় প্রতিবাদ করতে গিয়ে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার হয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় দায়ের করা মামলায় ৩ অক্টোবর আদালত তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, দীর্ঘ ভ্রমণের পর ঘণ্টার পর ঘণ্টা হয়রানির শিকার যাত্রীরা প্রতিবাদে মার্জিত হতে পারলে ভালো। তবে কারও আচরণ অমার্জিত হলে তার আইনগত দায় থাকতে পারে। কিন্তু এর ফলে গ্রেপ্তারের ঘটনা রাষ্ট্রের নিপীড়ক চেহারাকে সামনে নিয়ে এসেছে।
তিনি বলেন, অপরাধ ও অন্যায়ের প্রতিবাদকারীকে হেনস্তা করা হলে অপরাধ ও অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া হয়। এতে অপরাধী ও অন্যায়কারীরা সাহস পায় এবং রাষ্ট্র অত্যাচারী হয়ে ওঠার পথ তৈরি হয়। এটি হতে দেওয়া যাবে না।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রতিবাদকারীদের ওপর কঠোর অবস্থান গ্রহণের প্রতিবাদ জানিয়ে সরকারকে এই মানসিকতা থেকে সরে আসার আহ্বান জানায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন