ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ইরানে ফের মার্কিন হামলা, পাল্টা হামলা আইআরজিসির


ইরানে ফের মার্কিন হামলা, পাল্টা হামলা আইআরজিসির

ইরানে আবারও হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে কেশম দ্বীপ ও উপকূলীয় গোরুকে একাধিক রাডার স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে ইরান। খবর আল জাজিরার।

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে গত ৮ এপ্রিল সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। তবে সহিংসতার স্থায়ী অবসানের জন্য আলোচনার চেষ্টা সফল হয়নি। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এখনও বহাল রয়েছে, তবুও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

একই সঙ্গে উভয় দেশ মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যার লক্ষ্য ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধের একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো।

আরও পড়ুন: উগান্ডা সোমালিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করেছে

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৫ জুন) আবারও হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানের চারটি ড্রোন তারা ভূপাতিত করেছে। ড্রোনগুলো হরমুজের দিকে ছোড়া হয়েছিল। এরপর গোরুক ও কেশম আইল্যান্ডে উপকূলীয় নজরদারি রাডার স্থাপনায় হামলা চালানো হয়।

সেন্ট্রাল কমান্ড আরও জানায়, ইরানের ছোড়া ড্রোনগুলো আঞ্চলিক সামুদ্রিক নৌযান চলাচলে হুমকি হয়ে উঠেছিল। আর পরবর্তী হামলা ঠেকাতে রাডার স্থাপনায় হামলা করা হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গেই এই হামলার জবাব দিয়েছে ইরান।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা ‘শত্রুপক্ষের ঘাঁটি’ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। আইআরজিসি বলেছে, ইরানের সিরিক শহর এবং হরমুজ প্রণালীর কেশম দ্বীপে মার্কিন বাহিনীর আগ্রাসনের জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে।

এদিকে কুয়েত জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করেছে। একই সময়ে বাহরাইনে বিমান হামলার সতর্কতাসূচক সাইরেন বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন: হ্যালোইন উৎসবে যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলা, নিহত ২৪

এর আগে ইরানের নৌবাহিনী জানায় যে, তারা ওমান উপসাগরে মার্কিন বাহিনীর উদ্দেশে ‘সতর্কতামূলক গুলি’ ছুড়েছে। তাদের দাবি, মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো ওই এলাকায় চলাচলকারী জাহাজগুলোকে হয়রানি করছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের এই দাবি অস্বীকার করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের বিতর্কিত অভিবাসন নীতি বাতিল করেছে মার্কিন আদালত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ এম


ট্রাম্পের বিতর্কিত অভিবাসন নীতি বাতিল করেছে মার্কিন আদালত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বেশ কয়েকটি অভিবাসন নীতি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত।

এর ফলে, সেসব নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৯টি দেশের অভিবাসীর রাজনৈতিক আশ্রয়, গ্রিন কার্ড এবং অন্যান্য বৈধ অভিবাসনের সুবিধা পাওয়ার পথ আরও সুগম হলো। খবর রয়টার্সের।

শুক্রবার (৫ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থার (ইউএসসিআইএস) গৃহীত একগুচ্ছ নীতি বাতিল করেন রোড আইল্যান্ডের মার্কিন ফেডারেল বিচারক জন ম্যাককনেল।

তার মতে, এসব নীতির কারণে আফ্রিকা, এশিয়া, লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েক ডজন দেশের মানুষ চরম ‘আইনি অনিশ্চয়তার’ মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেন।

বিচারক জন ম্যাককনেল বলেন, সংশ্লিষ্ট অভিবাসীরা কংগ্রেস প্রণীত আইন এবং ইউএসসিআইএস-এর বিধিমালা অনুযায়ী সব আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছিলেন।

তবুও তারা মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে বাধ্য হয়েছেন, কারণ ইউএসসিআইএস তাদের আবেদনগুলোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

রায়ে বিচারক আরও বলেন, ‘ইউএসসিআইএস-এর বিচারিক প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার জন্য এসব ব্যক্তির কোনো ভুল দায়ী নয়, এটি কেবল তাদের জন্মস্থানের কারণে ঘটেছে।’

এই রায়কে অভিবাসী সেবামূলক সংগঠন ও শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর জন্য একটি বড় বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তাদের গত মার্চে ইউএসসিআইএস-এর এসব বিতর্কিত নীতির বিরুদ্ধে মামলা ছিল।

নভেম্বর মাসে ওয়াশিংটন ডিসিতে দায়িত্বরত দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে লক্ষ্য করে গুলির ঘটনার পর ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসনবিরোধী অভিযান জোরদার করে।

প্রসিকিউটরদের দাবি, এক আফগান অভিবাসী ওই হামলা চালিয়েছিলেন।

সেই অভিযানের অংশ হিসেবেই ইউএসসিআইএস এসব কড়াকড়ি নীতি গ্রহণ করে।

ঘটনার পর ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সিস্টেম পুরোপুরি পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত তৃতীয় বিশ্বের সব দেশ থেকে অভিবাসন স্থায়ীভাবে স্থগিত’ করা হবে।

একই সঙ্গে তার প্রশাসন পূর্ণ বা আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশের সংখ্যা বাড়িয়ে ৩৯-এ উন্নীত করে।

পূর্ণ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলোর মধ্যে ছিল আফগানিস্তান, ইরান, হাইতি, সোমালিয়া, ভেনেজুয়েলা এবং সিরিয়া।

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি ছিল, নিরাপত্তা যাচাই ও সুরক্ষাজনিত কারণে এসব ভ্রমণ-নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

ইউএসসিআইএস-এর গৃহীত নীতিগুলোর ফলে ৩৯টি দেশের নাগরিকদের অভিবাসনসংক্রান্ত আবেদন প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত হয়ে যায়।

বিচারক ম্যাককনেলের ভাষায়, এর ফলে ‘অগণিত মানুষের জীবন থমকে গিয়েছিল—শুধুমাত্র তাদের জন্মস্থানের কারণে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের ফুটবলাররা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেলেন বিশ্বকাপ খেলতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৫ এম


ইরানের ফুটবলাররা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেলেন বিশ্বকাপ খেলতে

ইরান জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য ভিসা পেয়েছেন বলে হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ সংঘাতের পরিস্থিতির মাঝে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে লস অ্যাঞ্জেলেসে যাওয়ার মাত্র ১০ দিন আগে এই অনুমোদন মিলেছে।

মেক্সিকোতে ইরানের রাষ্ট্রদূত আবোলফাজল পাসানদিদেহ বৃহস্পতিবার (৯৪ মে) গভীর রাতে জানান, দলের সদস্যরা তখনও যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাননি। তবে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তার মতে, ঘটনাক্রমে রাতের মধ্যে সেই ভিসা অনুমোদন করা হয়েছে।

শুক্রবার (৫ মে) এক্সে একটি বার্তায় তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত টম ব্যারাক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, 'যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে ইরানের জাতীয় ফুটবল দলের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আঙ্কারায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের দলের সদস্যদের নিয়ে আমি গর্বিত।'

তবে ইরানের দলের কয়েকজন কারিগরি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার ভিসা এখনও অনুমোদিত হয়নি, শুক্রবার ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটি জানায়, 'জাতীয় দলের কয়েকজন কারিগরি ও নির্বাহী কর্মকর্তার ভিসা এখনো ইস্যু করা হয়নি এবং মার্কিন দূতাবাস এখন পর্যন্ত তা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।' যদিও তারা কোনো সূত্রের নাম উল্লেখ করেননি।

এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি ইরান ফুটবল ফেডারেশন।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্বকাপকে একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অতিরিক্ত একটি ভূরাজনৈতিক মঞ্চে পরিণত করেছে। দুই পক্ষই যেন এই আসরকে একটি রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।

১৯৩০ সালে বিশ্বকাপের সূচনা হওয়ার পর এটি প্রথমবারের মতো, কোনো আয়োজক দেশ এমন একটি দেশের দলকে স্বাগত জানাচ্ছে, যার সঙ্গে তারা সরাসরি যুদ্ধে জর্জরিত।

ভিসা জটিলতা এবং যুক্তরাষ্ট্রে দলের উপস্থিতি সীমিত রাখার ইচ্ছার কারণে শেষ মুহূর্তে ইরান তাদের বেস ক্যাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা থেকে মেক্সিকোর তিহুয়ানায় স্থান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটি রোববার ভোরে তিহুয়ানায় পৌঁছানোর সফরে থাকবে।

গ্রুপ ‘জি’-তে থাকা ইরান ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে। এরপর একই শহরে বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে এবং শেষ গ্রুপ ম্যাচ খেলবে সিয়াটলে মিশরের বিরুদ্ধে।

রাষ্ট্রদূত পাসানদিদেহ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি যে তারা ইরান দলকে নিজেদের ভূখণ্ডে রাখতে চায় না।

তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গত মঙ্গলবার (২ জুন) আইনপ্রণেতাদের জানান, ইরানের বিশ্বকাপ প্রতিনিধিদলে ইসলামিক রেভুলোশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভিসা পাননি মেহদি তাজ। তিনি অতীতে আইআরজিসির একজন কমান্ডার ছিলেন।

পাসানদিদেহের মতে, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের ব্যাপারে ইরানের আগ্রহই প্রমাণ করে যে দেশটি সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়।

তিনি বলেছেন, 'যে দেশকে শত্রু হিসেবে দেখা হয়, সেই দেশের মাটিতেও বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেখায় যে ইরান শান্তি চায়।'

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা ধীরগতিতে এগোলেও উভয় পক্ষ একটি অন্তর্বর্তী সমঝোতার দিকে এগোচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে একই সঙ্গে সামরিক হামলাও অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দীর্ঘ অপেক্ষার পর ইরানের জন্য ইতিবাচক বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০০ এম


দীর্ঘ অপেক্ষার পর ইরানের জন্য ইতিবাচক বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের জাতীয় ফুটবল দল ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে অবশেষে ভিসা পেয়েছে। ম্যাচ শুরুর ১০ দিন আগে এই অনুমোদন মিলেছে, ফলে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা শেষ হয়ে গেছে। শাফাক নিউজের সূত্র থেকে বিষয়টি জানা গেছে।

ভিসা অনুমোদনে অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্ব হওয়ার কারণে ইরান তাদের প্রস্তুতি ক্যাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা থেকে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় স্থানান্তরিত করতে বাধ্য হয়েছে। দলটি সেখানে ৭ জুন পৌঁছানোর পরিকল্পনা করেছে।

বিশ্বকাপের গ্রুপ-জি’তে ইরান ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। এরপর একই শহরে তারা বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সিয়াটলে মিসরের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে ইরান।

যাই হোক, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আগেই সতর্কতা দিয়ে জানিয়ে দেন যে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি বিশ্বকাপ প্রতিনিধিদলের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পাবেন না।

এমনকি চলমান রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার মধ্যে ২০২৬ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১৯৩০ সালে বিশ্বকাপের শুরু থেকে এই প্রথমবারের মতো একটি আসর হবে, যেখানে আয়োজক দেশ এবং অংশগ্রহণকারী দেশের মধ্যে সরাসরি রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা বিদ্যমান।

এই অবস্থায় ভিসা অনুমোদন ইরান দলের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন হামলা ইরানের রাডার ঘাঁটিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০১ এম


হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন হামলা ইরানের রাডার ঘাঁটিতে

হরমুজ প্রণালীতে ইরানের ড্রোন ভূপাতিত করার পর, মার্কিন সামরিক বাহিনী দেশটির উপকূলীয় রাডার সাইটগুলোতে শনিবার, ৬ জুন পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনা সংঘটিত হয়েছে ঠিক তখনই যখন দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধ থামানোর জন্য পরোক্ষ আলোচনা চলছে।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে চারটি ইরানি ড্রোন ওই অঞ্চলের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল। সেই কারণে সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড হরমুজ প্রণালীতে অবস্থিত ইরানের ‘গোরুক’ ও ‘কেশম’ দ্বীপের নজরদারি চৌকিগুলোতে বিমান হামলা চালায়।

উল্লেখযোগ্য যে, যুদ্ধের আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এই হরমুজ প্রণালী দিয়েই পরিবহন করা হতো, কিন্তু বর্তমানে ইরান কার্যত এটি অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তেহরান যেকোনো শান্তি চুক্তির শর্ত হিসেবে দাবি করছে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার, তেল রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি এবং শত শত কোটি ডলারের আটকে থাকা তেল রাজস্বের ভাগ।

এই যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় ট্রাম্পের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে। ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন হামলায় ইরানের বেশিরভাগ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি কেন্দ্র ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে বর্তমানে তাদের কাছে মোট ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ২১% থেকে ২২% অবশিষ্ট রয়েছে। ট্রাম্প ইরানের চুক্তি করতে দেরি করার কারণ হিসেবে মন্তব্য করেন, তারা অত্যন্ত গর্বিত ও শক্তিশালী জাতি।

তিনি আরো বলেন, এমন কিছু পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যা তারা কখনো ভাবেনি, কিন্তু এখন তাদের বাধ্য হয়েই এটা করতে হচ্ছে। তাই চুক্তি হতে কিছুটা সময় লাগছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%