প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দিনাজপুরের হাকিমপুরে এক যুবককে অফিসের কাজের কথা বলে ডেকে নিয়ে অপহরণ, ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি এবং জোরপূর্বক ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় নাগরিক টিভির সাংবাদিক তাহকিক হাসান কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মামলার ৩ নম্বর আসামি মো. মেহেদী হাসান ওরফে মাহাদী হাসান অফিসের কাজের কথা বলে বাদীর ছেলে জীবনান্দ সরকারকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে যান। পরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে অপহরণ করে হাকিমপুর পৌরসভার মধ্য বাসুদেবপুর (মাঠপাড়া) এলাকায় ৬ নম্বর আসামি মো. মন্তাজ ওরফে মুন্তাজ হোসেনের বাড়িতে আটকে রাখা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, অপহরণের পর ভিকটিমের পরিবারের কাছে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি তার কাছে থাকা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের তিনটি ফাঁকা চেক এবং ১০০ টাকা মূল্যমানের ছয়টি নন-জুডিশিয়াল ফাঁকা স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর ও টিপসই নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে অপহৃত জীবনান্দ সরকারকে হাকিমপুর পৌরসভার ধরন্দা গ্রামে হিলি চারমাথায় অবস্থিত ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার একটি অফিস কক্ষে আটকে রাখা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে তার পরিবার হাকিমপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে
হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অসি মোঃ জাকির হোসেন এর নির্দেশে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে।
পলাতক থাকা আসামি নাগরিক টিভির সাংবাদিক তাহকিক হাসান কে কাল রাতে গ্রেফতার করে এবং মো. মোজাম্মেল হোসেন মুকুল (৪৫), পিতা মৃত আব্দুস সাত্তার, সাং-ইসলামপাড়া, থানা-বিরামপুর, জেলা-দিনাজপুর।এ ঘটনায় অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি, অবৈধভাবে আটক, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোরপূর্বক স্বাক্ষর গ্রহণের অভিযোগে হাকিমপুর থানায় মামলা নং-০১/১৩৭, তারিখ ১ জুলাই ২০২৬, দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩৬৫, ৩৮৬, ৩৮৭, ৩৪২ ও ৩৪ ধারায় রুজু হয়েছে।
মামলার তদন্ত করছেন হাকিমপুর থানার এসআই (নিঃ) মো. শামীম মিয়া। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন