ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘সেরা গোলদাতা হওয়ার লক্ষ্য ছিল না, পেনাল্টি নির্ধারণ করেছেন কোচ’: ভিনিসিউস


‘সেরা গোলদাতা হওয়ার লক্ষ্য ছিল না, পেনাল্টি নির্ধারণ করেছেন কোচ’: ভিনিসিউস

নরওয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। রাউন্ড অব সিক্সটিন থেকে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায়ের পর ব্যাপক আলোচনা চলছে ব্রুনো গিমারায়েসের পেনাল্টি মিস নিয়ে। ম্যাচের শুরুতেই মাতেউস কুনিয়া ক্যানারিনহাদের পেনাল্টি এনে দেন। তবে তারকা উইঙ্গার ভিনিসিউস জুনিয়র মাঠে থাকা সত্ত্বেও ব্রুনো স্পটকিক নেন, যা নরওয়ের গোলকিপার ওর্ইয়ান নিলান্ড আটকান। ম্যাচের শেষে আর্লিং হলান্ডের দুই গোলে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে নরওয়ে। ইনজুরি টাইমে পেনাল্টি থেকে একটি গোল শোধ করেন নেইমার জুনিয়র।

ম্যাচের পর, রিয়াল মাদ্রিদের উইঙ্গার ভিনিসিউস জানান, পেনাল্টি কিক নিতে তিনি পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলেন। তিনি বলেন, "পেনাল্টি নেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল কোচ কার্লো আনচেলত্তির, তবে তিনি চাইলে নিজেই শট নিতে প্রস্তুত ছিলেন।" ভিনি বলেন, "ম্যাচের শুরুতে কোচ ঠিক করে দেন কে পেনাল্টি নেবে। তিনি ব্রুনোকে বেছে নিয়েছিলেন। আমি কখনো অহংকারী ছিলাম না, কখনোই টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার জন্য লোভ করিনি। তাই ব্রুনোই পেনাল্টি নিয়েছে। সে আমার চেয়ে ভালো পেনাল্টি নেয়, তাই কোচ তাকে বেছে নিয়েছেন। এটাই সত্যি। আমি কখনো দায়িত্ব নিতে পিছিয়ে যাইনি।"

তিনি আরও বলেন, "অনেকে বলতে পারে যে আমি নাকি পেনাল্টি নিতে চাইনি, কিন্তু আমি কখনো দায়িত্ব এড়িয়ে যাইনি। কোচ যখন আমাকে বেছে নেন, তখন আমি রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে পেনাল্টি নিই। এখন আমাদের পরবর্তী বিশ্বকাপ ও সামনে থাকা ম্যাচগুলোর জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।"

আরও পড়ুন: ইউপি নির্বাচনে বিএনপির দুই পক্ষে সংঘর্ষ, দুজন গুলিবিদ্ধসহ আহত ৩

কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানান, পেনাল্টি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, খেলোয়াড়দের গত এক বছরের পেনাল্টি সফলতার পরিসংখ্যান বিবেচনা করে। মাঠে সেরা পেনাল্টি গ্রহণকারীরা না থাকায় ব্রুনো গিমারায়েসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। আনচেলত্তি বলেন, "আমরা প্রতিপক্ষ ও নিজেদের খেলোয়াড়দের গত এক বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করেছি। আমাদের সেরা পেনাল্টি গ্রহণকারী নেইমার, এরপর ইগর থিয়াগো, রাফিনিয়া, ব্রুনো গিমারায়েস এবং তারপর মার্টিনেল্লি।"

তিনি আরও যোগ করেন, "আমরা ব্রুনো গিমারায়েসকে বেছে নিয়েছিলাম, কারণ মাঠে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে আমরা তাকেই সেরা পেনাল্টি গ্রহণকারী মনে করেছি।" ভিনি আবারও স্পষ্ট করেন, এ সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো বিতর্ক হয়নি। তিনি বলেন, "এ নিয়ে কোনো আলোচনা বা বিতর্কই হয়নি। কোচই ঠিক করেছিলেন ব্রুনো পেনাল্টি নেবে। আমরা প্রতিদিন অনুশীলন করি, আর তিনি ব্রুনোকেই বেছে নিয়েছিলেন। আমি কখনো সর্বোচ্চ গোলদাতা বা টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার জন্য ব্যক্তিগতভাবে কিছু চাইনি। আমি দলের জন্য খেলি। ওই মুহূর্তে ব্রুনোরই পেনাল্টি নেওয়াটা সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সে মিস করেছে। এটাই ফুটবল। আমাদের মাথা উঁচু করে এগিয়ে যেতে হবে। পুরো টুর্নামেন্টে ব্রুনো দারুণ খেলেছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এই মিস করা পেনাল্টিটাই হয়তো তার পারফরম্যান্সকে আড়াল করে দেবে।"

ম্যাচে ব্রুনো গিমারায়েস মাঝারি উচ্চতায় শট নিয়েছিলেন, যা নরওয়ের গোলরক্ষক সহজেই ঠেকিয়ে দেন। গত ইউরোপীয় মৌসুমে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের হয়ে তিনি দুটি পেনাল্টি নিয়ে দুবারই সফল হয়েছিলেন। যদিও তিনি দলের নিয়মিত পেনাল্টি গ্রহণকারী ছিলেন না। অন্যদিকে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ২০২৫-২৬ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে সাতটি পেনাল্টি নেন। এর মধ্যে পাঁচটি গোল করেন এবং দুটি মিস করেন। আর ব্রাজিলের জার্সিতে তিনি ২০২৩ সালে গিনির বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোল করেছিলেন।

আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ নেই: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর ঘানার দায়িত্ব ছাড়লেন কুইরোজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১১ এম


বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর ঘানার দায়িত্ব ছাড়লেন কুইরোজ

বিশ্বকাপের শেষ ৩২ রাউন্ড থেকে বিদায়ের পর ঘানার কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন কার্লোস কুইরোজ।

নক আউট পর্বের ঐ ম্যাচে কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত শুক্রবার কলম্বিয়ার কাছে ১-০ গোলে পরাজিত হয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় ঘানা। এই ম্যাচে ঘানা মাত্র আটবার গোলের সুযোগ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে কুইরোজ ইরানের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিতে গিয়ে কুইরোজ বলেন, ‘আমরা যা অর্জন করেছি তাতে আমি গর্ব নিয়েই দায়িত্ব শেষ করার ঘোষণা দিচ্ছি। তবে যারা সবসময়ই আরও বেশি কিছু চায় তাদের জন্য বিশ্বকাপে এভাবে বিদায় নেওয়াটা হতাশার।’

ভবিষ্যতে ঘানার আরও অনেকদূর যাওয়ার প্রত্যাশা করে কুইরোজ বলেন, ‘ব্ল্যাক স্টার্সদের ভবিষ্যৎ শুধুমাত্র মাঠেই রচিত হবে না, এখানে অনেক কিছু জড়িত।’

রিয়াল মাদ্রিদের কোচ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক এই সহকারী কোচ আরও বলেন, "উচ্চতর পর্যায়ে পৌঁছানো কখনোই শেষ গন্তব্য হওয়া উচিত নয়, বরং সেটিই হওয়া উচিত আরও বড় উচ্চাকাঙ্খার সূচনা। ব্ল্যাক স্টার্সের সাফল্যের ভিত্তি গড়ে উঠতে হবে মাঠের বাইরে- ঘানার অসাধারণ ফুটবল প্রতিভাদের প্রস্তুত করা, সুরক্ষা দেওয়া এবং বিকশিত করার জন্য সর্বোত্তম পরিবেশ সৃষ্টি করার মাধ্যমে।"

অটো আদ্দোকে বরখাস্ত করার পর বিশ্বকাপকে সামনে রেখে চলতি বছরের এপ্রিলে কুইরোজকে প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খামেনির মরদেহ কেন নেওয়া হচ্ছে ইরাকে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৫ এম


খামেনির মরদেহ কেন নেওয়া হচ্ছে ইরাকে?

আগামী বুধবার (৮ জুলাই) ইরাকে কারবালায় নেওয়া হবে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহ। এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, ইরাকে কেন তার মরদেহ নেয়া হবে, এবং বাগদাদের জন্য খামেনির শোকানুষ্ঠান কতটা গুরুত্বপূর্ণ? এছাড়াও, এর পেছনে কি অন্য কোন বার্তা আছে?

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্যটি ইরানের পাশাপাশি ইরাকের জন্যও এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ঘটনা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ৮ জুলাই খামেনির মরদেহ নিয়ে ইরাকে যাওয়া হবে। সেখানে কারবালা ও নাজাফ শহরে সরকারি সমন্বয়সহ পপুলার মোবিলাইজেশন ইউনিটস-পিএইউ-এর সহযোগিতায় বড় আকারে শোকানুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। এরপর মরদেহ পুনরায় ইরানের মাশহাদে নিয়ে গিয়ে দাফন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রশ্ন উঠছে, একজন ইরানি নেতার বিদায় ইরাকে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? বিশ্লেষকরা জানান, রাজনৈতিক নেতাদের জানাজা শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির বিদায় জানানোর অনুষ্ঠান নয়। এটি রাজনৈতিক ঐক্য, বৈধতা ও নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা প্রদর্শনের মাধ্যম। তাই খামেনির জানাজার আনুষ্ঠানিকতাকে ইরান তার আঞ্চলিক মিত্রের মধ্যে ঐক্য ও সমর্থন পুনর্নিশ্চিত করার সুযোগ হিসেবে দেখছে।

ইরাকের গুরুত্বের মূল কারণ হলো, এটি শিয়া ইসলামের একটি প্রধান পবিত্র স্থান। কারবালা ও নাজাফ শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে শিয়া ধর্মীয় শিক্ষা ও নেতৃত্বের কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত। অতীতে, কাজার রাজবংশের কয়েকজন ইরানি রাজাকেও কারবালায় দাফন করা হয়েছিল। তাই ইরাকে খামেনিকে স্মরণ করার মাধ্যমে তার রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উত্তরাধিকার শিয়া ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, ইরানের আঞ্চলিক অবস্থান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। সিরিয়ায় তাদের প্রভাব কমেছে, লেবাননে চাপ বেড়েছে এবং ইরাকে পিএমইউ-কে রাষ্ট্রের অধীনে আনার প্রচেষ্টার বিষয়টি চলছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে, ইরাকে বড় আকারের শোকানুষ্ঠান প্রদর্শনের উদ্দেশ্য হলো—এটি প্রমাণ করবে যে, ইরানের আঞ্চলিক মিত্ররা এখনও একত্রে রয়েছে এবং তাদের সম্পর্ক শুধুমাত্র সামরিকই নয়, বরং সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবেও শক্তিশালী।

খামেনির জানাজার আনুষ্ঠানিকতা চার মাস পরের ঘটনা। এই সময়ের মাঝে, ইরান আবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে, উপসাগরীয় দেশগুলোও আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করছে, এবং ইরাক নিজেকে যুদ্ধের বাইরে রাখার নীতি গ্রহণ করেছে। তাই এই শেষকৃত্য শুধুমাত্র অতীতকে স্মরণ করা নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের জন্য নতুন একটি রাজনৈতিক পর্যায়ের প্রতীক হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্ক শহরের ইস্ট নদীতে জলবিমানের ‘কঠিন অবতরণ’, উদ্ধার হলেন ৮ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৯ এম


যুক্তরাষ্ট্রে  নিউইয়র্ক শহরের ইস্ট নদীতে জলবিমানের ‘কঠিন অবতরণ’, উদ্ধার হলেন ৮ জন

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ইস্ট নদীতে জরুরি অবতরণ করা একটি জলবিমান থেকে আটজনকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে দমকল বিভাগ।

দুর্ঘটনায় দুজন সামান্য আহত হলেও তারা হাসপাতালে যেতে বা চিকিৎসা নিতে রাজি হননি।

ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করবে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল বিমান চলাচল প্রশাসন (এফএএ)।

স্থানীয় সময় দুপুরে ম্যানহাটনের ইস্ট ২৩তম স্ট্রিট ও এফডিআর ড্রাইভের কাছে ইস্ট নদীতে একটি বিমান পতিত হওয়ার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিউইয়র্কের দমকল বিভাগের সদস্যরা। তখন জলবিমানটি পানিতে সোজা অবস্থায় ভাসছিল। পরে সেটিকে টেনে কাছের ঘাটে নিয়ে আসা হয়।

দমকল বিভাগ জানায়, উদ্ধার হওয়া বিমানটি ছিল একটি কোডিয়াক ১০০ জলবিমান। এতে থাকা আটজনকেই নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনের সামান্য আঘাত লাগে। তবে তারা চিকিৎসা নিতে অস্বীকৃতি জানান।

এফএএ জানায়, পাইলট বিমানটি খুবই দৃঢ়ভাবে অবতরণ করেছিলেন। এতে বিমানের ডানার একটি সহায়ক অঙ্গ ভেঙে যায়। বিমান চলাচলের ভাষায় ‘কঠিন অবতরণ’ (হার্ড ল্যান্ডিং) বলতে এমন অবতরণকে বোঝায়, যখন বিমান স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি জোরে বা বেশি গতিতে মাটি বা পানিতে নামে। এতে বিমানের নিরাপদ অবতরণের নির্ধারিত সীমা অতিক্রম হয় এবং ক্ষতির ঝুঁকি বেড়ে যায়।

এফএএ আরো জানায়, দুর্ঘটনার সময় আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওই বিমানটিকে কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ বা নির্দেশনা দিচ্ছিল না।

নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়, জলবিমানটি নিউইয়র্কের জনপ্রিয় সমুদ্রতীরবর্তী অবকাশকেন্দ্র হ্যাম্পটনস থেকে উড়ে এসেছিল। এটি একটি জলবিমান ঘাঁটিতে অবতরণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় বিমানটি নদীর বড় একটি ঢেউয়ের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এর পর সেটি আংশিকভাবে উল্টে যায় এবং জরুরি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এর আগে একই নদীতে জলবিমান দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। মাত্র তিন সপ্তাহ আগে, ১৩ জুন, ইস্ট নদী থেকে উড্ডয়নের চেষ্টা করার সময় দুই আসনের একটি ছোট জলবিমান বড় একটি ঢেউয়ের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সিবিএস নিউজ জানায়, ওই ঘটনায় বিমানটি কুইন্স এলাকার কাছে নদীতে পড়ে যায়। পরে দমকল বিভাগের সদস্যরা পাইলট ও একজন যাত্রীকে একটি নৌকায় তুলে নিরাপদে উদ্ধার করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বীরগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ নিহত ২ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২১ এম


বীরগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ নিহত ২ জন

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে দুটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী রাজিউর রহমান (রবি) এবং সকাল বর্মন নামে দুইজন নিহত হয়েছেন। গতকাল রবিবার, বীরগঞ্জ উপজেলার উত্তর সুজালপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

নিহতদের মধ্যে মো. রাজিউর রহমান রবি বীরগঞ্জ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আব্দুল বারি মিয়ার পুত্র এবং সকাল বর্মন হলো উপজেলার সাতোর ইউনিয়নের চৌপুকুরিয়া গ্রামের জামিনী বর্মনের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, রবিবার বীরগঞ্জ পৌর শহরের বাসা থেকে মোটরসাইকেলে করে দেবীপুর গ্রামের নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন রাজিউর রহমান রবি। এ সময় উত্তর সুজালপুর এলাকায় পৌঁছালে একটি অজ্ঞাত ট্রাক্টর তাকে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতরভাবে আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, কিন্তু সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তিনি দিনাজপুর জিয়া হার্ড ফাউন্ডেশন হাসপাতালে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই তার মৃত্যু ঘটে।

অন্যদিকে, একই দিনের বিকাল ৪টার দিকে ঢাকা-পঞ্চগড় মহাসড়কের দলুয়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় দ্রুতগামী একটি ট্রাক ভ্যানকে ধাক্কা দিলে সকাল বর্মন (৩৫) ঘটনাস্থলেই নিহত হয়ে যান।

এই ঘটনায় জামিনীর ছেলে তুষার (৬) এবং ভ্যানচালক দোগড়াই খাটিয়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে আপেল (৩৫) আহত হন এবং স্থানীয়রা তাদের ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

বীরগঞ্জ থানার এসআই নেহার রঞ্জন সরকার জানান, সকাল বর্মন ভ্যানযোগে ঠাকুরগাঁওয়ে জামাইয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে দ্রুতগামী একটি ট্রাকের ধাক্কায় নিহত হন।

বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দলুয়া এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। উত্তর সুজালপুর এলাকায় দুর্ঘটনার ঘটনায় ট্রাক্টর ও চালক পালিয়ে গেছে। নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%