প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেপাল সীমান্তে নতুন বিপদের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, ভূমিধসের ক্ষত শুকানোর আগেই। চীনের গিরং কাউন্টিতে একটি নতুন হ্রদ তৈরি হয়েছে ভূমিধসের কারণে। ধসে পড়া মাটি দিয়ে তৈরি অস্থিতিশীল বাঁধে আটকে থাকা পানি ক্রমাগত বাড়ছে। ফলে হ্রদটির বাঁধ ভেঙে নতুন বিপর্যয়ের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানায়, গিরং কাউন্টিতে এখনো ভূমিধস, কাদাধস ও আকস্মিক পাহাড়ি ঢলের ঝুঁকি বিদ্যমান। আগামী তিন দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
সিসিটিভিতে সম্প্রচারিত সর্বশেষ ড্রোনের ফুটেজে দেখা গেছে, পূর্ববর্তী একটি ভূমিধসে তৈরি ক্ষতচিহ্নের মধ্যে পানি জমে নতুন একটি হ্রদ গড়ে উঠেছে। হ্রদটি গিরং বন্দরের নিকটে অবস্থিত, তবে এটি নেপালের অংশে বলে জানানো হয়েছে।
সিসিটিভির তথ্য অনুসারে, নতুন তৈরি হওয়া হ্রদটিতে বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার পানি জমে আছে। পানি ইতোমধ্যে উপচে পড়তে শুরু করেছে। আগামী তিন দিনে আরও প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি হ্রদটিতে প্রবাহিত হতে পারে। এতে পানির চাপ বৃদ্ধি পেয়ে হ্রদটির বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এদিকে, আবহাওয়ার পরিস্থিতি পরবর্তী উদ্ধার কার্যক্রমের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করতে পারে বলে সিসিটিভি জানিয়েছে।
নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কায় চীনা সামরিক বাহিনীর স্থানীয় কমান্ডের কয়েকটি ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় সিসিটিভিকে দেওয়া বক্তব্যে স্থানীয় কমান্ডের সদস্য চেন শি জানান, ভূমিধসের ঝুঁকির কারণে কয়েকটি ইউনিট একটি কমান্ড সেন্টারে প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে।
চেন শি বলেন, আশপাশের পাহাড়ের ঢাল যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে। কারণ সড়কটি খাড়া পাহাড়ের পাশ দিয়ে গেছে। একই সঙ্গে নতুন করে কাদাধসের ঝুঁকিও রয়েছে।
চীনা কর্তৃপক্ষের নজর এখন মূলত ভূমিধসে তৈরি হওয়া নতুন হ্রদটির দিকে। সেখানে পানির পরিমাণ দ্রুত বাড়তে থাকায় সম্ভাব্য বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
সূত্র: সিএনএন
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন