প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শেরপুরের নকলায় ‘নকলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’-এর ২০২৫ সালে প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত ৪৬ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। ৯ অক্টোবর (শুক্রবার) বিকেলে দেশ-বিদেশে সুপরিচিত আকিজ গ্রুপের সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদীয় আসন ১৪৪ শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের এমপি প্রকৌশলী মাহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহাঙ্গীর আলম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোফাজ্জল হোসেন খান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নকলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ ফখরুল আলম। ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শিমু রানী বনিক ও মুহাম্মদ কামরুজ্জামান আলালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অনুভূতি প্রকাশ করে শিক্ষার্থীদের পক্ষে ২ কৃতি শিক্ষার্থী, অভিভাবকের পক্ষ থেকে ২ জন এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে অনেকে বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, ‘নকলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শেরপুর জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক বৃত্তিপ্রাপ্তির গৌরব অর্জন করেছে। এটি আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত আনন্দ, গর্ব ও সম্মানের বিষয়।’ শিক্ষার্থীদের এই অসাধারণ সাফল্য বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার উজ্জ্বল প্রতিফলন বলে তারা মন্তব্য করেন।
এই গৌরবময় অর্জনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন, কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানান প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ ফখরুল আলম। শিক্ষার্থীদের উজ্জল ভবিষ্যতের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন তিনি। কৃতি শিক্ষার্থীরা আগামী দিনে জ্ঞান, মেধা ও নৈতিকতায় সমৃদ্ধ হয়ে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বক্তারা।
আলোচনা সভার পরে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এ নকলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত ২০ জন এবং সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্ত ২৬ জন কৃতি শিক্ষার্র্থীর হাতে ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষার্থীরা হামদ-নাত, আবৃত্তি, সংঙ্গিত ও নৃত্য পরিবেশন করে। সবশেষে সচেতনতামূলক একটি নাটিকা মঞ্চস্থ করে শিক্ষার্থীরা। এসময় বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাক, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও বিভিন্ন পেশা-শ্রেনির জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন