প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইতালির ফুটবল পুনর্গঠনের শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ১৬ দিন পরে কিংবদন্তি পাওলো মালদিনি এবং ব্রাজিলের সাবেক তারকা লিওনার্দো ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এফআইজিসি) থেকে পদত্যাগ করেছেন। তাদের পছন্দের কোচ আন্দ্রেয়া পিরলোকে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া ভেস্তে যাওয়া এই পদত্যাগের মূল কারণ হিসেবে স্কাই স্পোর্ট ইতালিয়া এ তথ্য জানিয়েছে।
বিশ্বকাপে টানা তৃতীয়বারের মতো খেলতে ব্যর্থ হওয়ার পর ইতালি দলের পুনর্গঠন ছাড়া আর কিছু ভাবেনি এফআইজিসি। সেই পুনর্গঠনের পরিকল্পনার একটি অংশ হিসেবে ১১ জুলাইয়ের দিনে টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে মালদিনিকে নিয়োগ দেওয়া হয়। লিওনার্দোকে তার উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
গাত্তুসোর বিদায়ের পর ইতালির নতুন প্রধান কোচ খুঁজে বের করা ছিল মালদিনির জন্য প্রথম বড় দায়িত্ব। তার প্রথম পছন্দ ছিলেন সাবেক বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার আন্দ্রেয়া পিরলো। তবে একটি রুশ বেটিং কোম্পানির সঙ্গে পিরলোর বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হলে তার নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি ওঠে। এর ফলস্বরূপ পিরলো নিজেই কোচ হওয়ার দৌড় থেকে সরে দাঁড়ান।
এর আগে এফআইজিসির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন পেপ গার্দিওলা। পিরলোর পদত্যাগের পর মালদিনির সামনে একটি শক্তিশালী বিকল্পও ছিল না। এই চাপের মধ্যে মাত্র ১৬ দিনের মাথায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন তিনি এবং একই সিদ্ধান্ত নেন লিওনার্দোও।
মালদিনি ও লিওনার্দোর পদত্যাগ নবনিযুক্ত এফআইজিসি সভাপতি জিওভান্নি মালাগোর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতালির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এখন একবার Again অনিশ্চয়তার মুখোমুখি। ইতিমধ্যেই তিনটি টানা বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া এবং গত মৌসুমে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় ইতালিয়ান ক্লাবগুলোর হতাশাজনক পারফরম্যান্স দেশটির ফুটবলের জন্য একটি কঠিন সময় হয়ে উঠেছে। মালদিনি ও লিওনার্দোর বিদায় সেই সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিল।
এদিকে ইতালির প্রধান কোচের পদে ইতোমধ্যে কিছু বিশাল নাম আলোচনায় এসেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন রবার্তো মানচিনি, আন্তোনিও কন্তে এবং থিয়াগো মোত্তা। তবে এফআইজিসির পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করা হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন