প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তান আফগান শিক্ষার্থীদের মেডিক্যাল ও ডেন্টাল শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছে। দেশটির মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল (পিএমডিসি) এই নির্দেশ দিয়েছে।
নতুন করে আফগান শিক্ষার্থী ভর্তি এবং ইতিমধ্যে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত।
আফগানিস্তানভিত্তিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম খামা প্রেস পিএমডিসির জারি করা সরকারি চিঠির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে। পিএমডিসির সিদ্ধান্তে পাকিস্তানে পেশাগত মেডিক্যাল ও ডেন্টাল ডিগ্রি অর্জনে অধ্যয়নরত আফগান শিক্ষার্থীরা বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারেন।
পাকিস্তানের মেডিক্যাল ও ডেন্টাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করা আফগান শিক্ষার্থীদের দেশে ফিরে যেতে হবে। এক্ষেত্রে নতুন করে আফগান শিক্ষার্থী ভর্তি চলমান থাকবে না আগামী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত।
পাকিস্তান মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (পিএমডিসি) জারি করা সরকারি চিঠির বরাতে খামা প্রেস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে পড়াশোনা করা আফগান শিক্ষার্থীদের দেশে ফিরে যেতে হবে। একইসঙ্গে, আফগান শিক্ষার্থীদের স্থানান্তর বা মাইগ্রেশনও নিষিদ্ধ করা হয়েছে এক প্রতিষ্ঠানের থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে।
পিএমডিসি জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীতিগত নির্দেশনা এবং ২০২৬ সালের ৩০ জুলাই কাউন্সিলের নেওয়া সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। চিঠিতে বিষয়টিকে জাতীয় নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ইস্যু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। দেশের সব মেডিক্যাল ও ডেন্টাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এই নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে।
চিঠি বলছে, যেসব আফগান শিক্ষার্থী ইতিমধ্যে পড়াশোনা শেষ করেছেন, তাদের স্নাতক সম্পন্নের বিষয়টি এবং পাকিস্তান ছেড়ে যাওয়ার তথ্য নথিভুক্ত ও নিশ্চিত করতে হবে। পিএমডিসি আরো জানিয়েছে, এই নির্দেশনা পুরো পাকিস্তানে কার্যকর হবে।
অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নয়, দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এটি প্রযোজ্য হবে।
নথি অনুযায়ী, পাকিস্তানের মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পড়াশোনা করা আফগান শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত তথ্য তিন দিনের মধ্যে পিএমডিসির কাছে জমা দিতে হবে। পিএমডিসি সতর্ক করে বলেছে, নির্ধারিত সময়ে তথ্য না দিলে, নির্দেশনা না মানলে বা কোনো তথ্য গোপন করলে বিষয়টি কঠোরভাবে দেখা হবে। এই ধরনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন