প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সেবা কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও গতিশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম প্রটোকল ছাড়াই আঞ্চলিক কার্যালয়-৫ এ ঝটিকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় ২৫ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় তিনি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে চাকরিবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রশাসক গোপনীয়তা রক্ষা করে সার্বিক পরিস্থিতি সরাসরি দেখতে ব্যক্তিগত গাড়ি চালককে নিয়ে বের হন। সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে তিনি আঞ্চলিক কার্যালয়-৫ এ পৌঁছান এবং বাইরে দাঁড়িয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আগমন পর্যবেক্ষণ করেন। এরপর সকাল ৯টা ২ মিনিটে তিনি কার্যালয়ে প্রবেশ করে মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেন, যাতে বিলম্বকারী কেউ প্রবেশ করতে না পারে।
এ সময় প্রশাসক কার্যালয়ের প্রতিটি কক্ষ পর্যবেক্ষণ করেন। হাজিরা খাতা যাচাই করার পর তিনি দেখতে পান, প্রায় ২৫ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী অনুপস্থিত। এই অনিয়ম ও অবহেলার বিষয়ে তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং অনুপস্থিতদের বিরুদ্ধে চাকরিবিধি অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তার উননেছা শিউলীকে নির্দেশ দেন।
আঞ্চলিক কার্যালয় পরিদর্শনের পর প্রশাসক ডিএসসিসির ১১ নম্বর ওয়ার্ডের শাহজাহানপুর এলাকায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের উপস্থিতি ও হাজিরা খাতা তদারকি করেন। সেখানেও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের অনুপস্থিতি দেখে তিনি চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং প্রধান বর্জ্যব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মাহবুবুর রহমান তালুকদারকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেন।
পরবর্তীতে প্রশাসক মতিঝিল পীর জঙ্গির মাজার থেকে আইডিয়াল স্কুল, ফকিরাপুল, আরামবাগ ও দৈনিক বাংলা হয়ে বঙ্গভবন পর্যন্ত এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন। এ সময় অবৈধ দোকানপাট ও সাময়িক স্থাপনা উচ্ছেদ করে পথচারীদের চলাচলের পথ সুগম করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন