সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৩০ পি.এম
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের বেকারত্ব হ্রাসে কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসারে অধিকতর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এসময়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক অগ্রযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শিক্ষার্থীদের একাধিক ভাষায় দক্ষতা অর্জন প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে তিনি তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রাষ্ট্রপতিকে আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আচার্য (চ্যান্সেলর) হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও ট্রেজারার উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের মুলাদী ও বাবুগঞ্জের মাঝখানে আড়িয়াল খাঁ নদের ওপর বহুল প্রতীক্ষিত মীরগঞ্জ সেতুর নির্মাণকাজ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ৯ মাস পরেও শুরু হয়নি। মাটি পরীক্ষা (সয়েল টেস্ট) সম্পন্ন হলেও নকশা অনুমোদন এবং ভূমি অধিগ্রহণের জটিলতায় প্রকল্পের মূল কাজ থমকে রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নকশা জমা দিলেও সেতুর নির্মাণস্থলে এখনো কোনো দৃশ্যমান কাজ শুরু হয়নি।
চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে সেতু, সংযোগ সড়ক এবং নদী শাসনের কাজ শেষ করে যান চলাচলের জন্য সেতুটি খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় দেড় বছর আগে পর্যন্ত মূল নির্মাণকাজ শুরু না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।
গত বছরের ৭ ডিসেম্বর মীরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের সড়ক ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। তখন জানানো হয়েছিল চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নির্মাণকাজ শুরু হবে। কিন্তু জানুয়ারি পেরিয়ে গেলেও সেতুর কোনো দৃশ্যমান নির্মাণকাজ শুরু হয়নি।
মুলাদীর বাসিন্দা আক্কাস শিকদার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘৯ বছর ধরে শুনছি আড়িয়াল খাঁ নদের ওপর সেতু হবে। ৯ মাস ধরে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পাথর দেখছি। কিন্তু দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।’
হিজলার বাসিন্দা রব মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মুলাদী, হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জের বাসিন্দারা মীরগঞ্জ সেতুর অপেক্ষায় রয়েছেন। বছরের পর বছর ধরে সেতুর প্রতিশ্রুতি শুনলেও বাস্তবে কাজের অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। এখন আমরা সেতুর বাস্তব নির্মাণকাজ দেখতে চাই।’
সড়ক ও জনপথ (সওজ) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৩১ অক্টোবর একনেক সভায় মীরগঞ্জ সেতু প্রকল্প অনুমোদন পায়। প্রায় ১ হাজার ৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য সেতুটির দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৪৮৪ মিটার। এর মধ্যে মূল সেতু ৫৪৪ মিটার এবং ভায়াডাক্ট ৯৪০ মিটার।
প্রকল্পের আওতায় দুই প্রান্তে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি নদীর তীর রক্ষা, ভূমি অধিগ্রহণ, টোলপ্লাজা, সড়কবাতি, ড্রেন, ফুটপাত এবং কালভার্ট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
পায়রা সেতুর আদলে কেবল-এক্সট্রাডোজড ধরনের এই সেতু নির্মাণে চীনের চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনকে ঠিকাদার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি সয়েল টেস্ট সম্পন্ন করে গত আগস্টে নকশা অনুমোদনের জন্য জমা দিয়েছে। বর্তমানে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নকশাটি যাচাই-বাছাই করছে। পরবর্তীতে নকশা প্রণয়ন কমিটির অনুমোদন পেলেই মাঠপর্যায়ে নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
তবে শুধু নকশা নয়, ভূমি অধিগ্রহণ নিয়েও জটিলতা রয়েছে। অ্যাপ্রোচ সড়কের জন্য মুলাদী ও বাবুগঞ্জ অংশে প্রায় ২১ হেক্টর জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠিয়েছে সওজ। জমির মালিকানা নিয়ে কিছু আপত্তি ও অভিযোগ থাকায় বিষয়টি তদন্ত করছে জেলা প্রশাসন।
বরিশাল জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার সহকারী কমিশনার মুহাম্মদ শাফিনুর রহমান আকন্দ গণমাধ্যমকে জানান, মুলাদী ও বাবুগঞ্জ অংশে প্রায় ২১ হেক্টর জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এর যাচাই-বাছাই চলছে। কিছু জমির মালিকানা নিয়ে জটিলতা রয়েছে এবং কিছু জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। এসব সমস্যা সমাধানের পর জমি অধিগ্রহণ করা হবে। তবে তা কতদিন লাগবে, এখনই বলা যাচ্ছে না।
বরিশাল সওজের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাসুদ খান গণমাধ্যমকে বলেন, নকশার কারণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। আগামী নভেম্বরে নকশা অনুমোদনের আশা করা হচ্ছে। এরপর ডিসেম্বরেই সেতুর নির্মাণকাজ দৃশ্যমান হবে।
প্রকল্প পরিচালক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফারহানা হুসনা গণমাধ্যমকে জানান, নকশা যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াগুলো শেষ হলে কাজ শুরু হবে। নকশার অনুমোদন পাওয়ার পর মূল সেতু নির্মাণে সমস্যা নেই। জমির প্রয়োজন অ্যাপ্রোচ ও সংযোগ সড়কের জন্য। আশা করা হচ্ছে, জমি অধিগ্রহণের কাজ সময়মতো শেষ হবে।
এদিকে আঞ্চলিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে মীরগঞ্জ সেতুর গুরুত্ব বাড়ছে। ভোলাকে বরিশালের সঙ্গে যুক্ত করার নতুন পরিকল্পনায় এই সেতুর মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপনের বিষয়টি রয়েছে। ফলে সেতুটিকে ঘিরে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা থাকলেও নির্মাণকাজের ধীরগতিতে স্থানীয়দের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নগরের চকবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) অনুমোদনহীন পোস্টার ও ব্যানার অপসারণ করেছে এবং সড়ক দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে।
অভিযানের সময়, সড়কের ওপর নির্মাণসামগ্রী রেখে ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে, সড়কে রাখা মালিকানাবিহীন প্রায় ১ হাজার ঘনফুট বালু ও কংকর জব্দ করা হয়েছে।
আজ চকবাজারের গুলজার মোড় ও প্যারেড কর্ণার এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুবাইদা আক্তারের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
চসিকের সূত্রে জানা যায়, ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে প্যারেড কর্ণার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে সড়কের ওপর নির্মাণসামগ্রী রেখে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনার সত্যতা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয় এবং সড়কে রাখা মালিকানাবিহীন প্রায় ১ হাজার ঘনফুট বালু ও কংকর জব্দ করা হয়।
এছাড়া, গুলজার মোড় এলাকার বিভিন্ন স্থানে সাঁটানো অনুমোদনহীন পোস্টার ও ব্যানার অপসারণ করা হয়।
চসিক জানিয়েছে, জনসাধারণের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে, সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে এবং নগরের সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে আগামী দুই দিনের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ইরানি সব এয়ারলাইনসের কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে অচল হয়ে পড়তে চলেছে বলে সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে বিশ্বের কোথাও কোনো ইরানি বিমান সংস্থা স্বাভাবিক কার্যক্রম চালাতে সক্ষম হবে না।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনবিসি-কে (CNBC) প্রদত্ত এক সাক্ষাৎকারে স্কট বেসেন্ট বলেন, "বিশ্বজুড়ে ইরানের সমস্ত এয়ারলাইনসের ফ্লাইট এবং সেবা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে।"
ইরানের ফ্লাইটগুলো যেসব দেশে এখনও গ্রহণ করা হচ্ছে, সেসব দেশের উদ্দেশ্যে তিনি কঠোর বার্তা প্রদান করেন। তিনি বলেন, "ইরানি বিমান যদি আপনাদের বিমানবন্দরে অবতরণ করে, তবে আপনারা তাদের জ্বালানি দিতে পারবেন না, ল্যান্ডিং বা গ্রাউন্ড সার্ভিসেস সেবা দিতে পারবেন না এবং তাদের কোনো টিকিটও বিক্রি করতে পারবেন না। যদি কোনো দেশ বা সংস্থা এই নির্দেশ অমান্য করে, তবে তাদেরকে মার্কিন ডলারভিত্তিক বৈশ্বিক ব্যাংকিং ও আর্থিক ব্যবস্থা থেকে সম্পূর্ণ বের করে দেয়া হবে।"
উল্লেখ্য, গত ৮ সেপ্টেম্বর ইরানের এভিয়েশন খাতের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞার একটি প্যাকেজ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। ওই নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বজুড়ে ইরানের অবশিষ্ট ২৭টি এয়ারলাইনসকে কার্যত মাটি কামড়ে বসে থাকতে বাধ্য করা (গ্রাউন্ড করা)। মার্কিন প্রশাসনের এই সর্বশেষ পদক্ষেপে তেহরানের আন্তর্জাতিক আকাশ যোগাযোগ খাত একটি চরম অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশের ৯৯ দশমিক ৮ শতাংশ পণ্য যুক্তরাজ্যের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে, এমনটি জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার জেমস গোল্ডম্যান।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ট্রানজিশনাল পিরিয়ড শেষ হওয়ার পরও প্রায় ৯২ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্য যুক্তরাজ্যের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার লাভ করবে।
আজ চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমিরুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন। সাক্ষাৎটি চেম্বার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
জেমস গোল্ডম্যান জানান, ব্রিটিশ পণ্য, সেবা ও প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে ব্রিটিশ সরকার দুই বিলিয়ন পাউন্ডের একটি তহবিল গঠন করেছে। এই তহবিলের মাধ্যমে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা যুক্তরাজ্যে নিজেদের পণ্যের বাজার আরও সম্প্রসারণের সুযোগ পাবেন।
যুক্তরাজ্যের বাজারে প্রবেশের সুযোগ, পদ্ধতি ও অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে চেম্বারের সদস্যদের অবহিত করার জন্য শিগগিরই চিটাগাং চেম্বারে একটি কর্মশালার আয়োজন করা হবে বলেও জানান তিনি।
সাক্ষাতে চেম্বার প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, চট্টগ্রামকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক বিনিয়োগ ও লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দরসহ সামগ্রিক লজিস্টিক খাতে আরও বিনিয়োগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্রিটিশ বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেন তিনি।
লালদিয়া টার্মিনালের মতো বড় অবকাঠামো নির্মাণ ও পরিচালনার পাশাপাশি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালনায়ও ব্রিটিশ বিনিয়োগের আহ্বান জানান আমিরুল হক। একই সঙ্গে চট্টগ্রামের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান কাজে লাগিয়ে এশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করতে ফার্মাসিউটিক্যাল, স্টিল, টেক্সটাইল ও গ্রিন এনার্জিসহ বড় শিল্প খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে ব্রিটিশ ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করার অনুরোধ জানান তিনি।
সাক্ষাতে চেম্বারের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ, সাবেক সভাপতি আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন চৌধুরী, সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডাইরেক্টর অব ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সাকিব এরশাদসহ চেম্বারের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ