প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে নিহত সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরের অসহায় স্ত্রী আনন্দিতা সাংমার (খাদিজা আক্তার) কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। রাজধানীর ধানমন্ডিতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্স হিসেবে চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ায় তাঁর প্রতি নেত্রকোনাবাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।
নিহত সাংবাদিকের পরিবারের এমন কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করায় ডেপুটি স্পিকারের এ উদ্যোগকে মানবিক ও প্রশংসনীয় বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের উত্রাইল বাজারসংলগ্ন তেলনজিয়া এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির। তিনি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামে একটি ফেসবুক পেজ পরিচালনা করতেন।
আলিফের মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তান অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন। বিষয়টি জানতে পেরে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল প্রথমে পরিবারটির পাশে দাঁড়ান। তাঁর পক্ষ থেকে পরিবারকে এক লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা ও পোশাকসামগ্রী দেওয়া হয়। পরে নিহত সাংবাদিকের স্ত্রীর কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সর্বশেষ আনন্দিতা সাংমা রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্স হিসেবে চাকরিতে যোগ দিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার তিনি কাজে যোগ দেন। বর্তমানে দুই সন্তান ও মাকে নিয়ে ঢাকায় অবস্থান করছেন তিনি।
এ উদ্যোগের মাধ্যমে শোকাহত পরিবারটির জীবনযাপনে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। নিহত সাংবাদিকের পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়ায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের প্রতি নেত্রকোনাবাসীর পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে সাংবাদিক আলিফ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন