প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিলিস্তিনপন্থি সুইডিশ শিক্ষাবিদকে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ব্রিটিশ সরকারের মতে, তার উপস্থিতি ‘জনস্বার্থের অনুকূল বলে বিবেচিত নয়’ বলে জানানো হয়েছে।
আলজাজিরা একটি ই-মেইল পেয়েছে, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, বুধবার যুক্তরাজ্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুইডিশ নাগরিক আন্দ্রেয়াস মালমের ‘ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন’ (ইটিএ) বাতিল করেছে।
মালমের লন্ডনে ব্রিটিশ সমাজতান্ত্রিক সাময়িকী ট্রিবিউন আয়োজিত একটি প্যানেল আলোচনায় অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। ওই আলোচনায় প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের সহপ্রতিষ্ঠাতা হুদা আম্মোরিও উপস্থিত থাকার কথা ছিল।
সুইডেনের লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, জলবায়ু কর্মী ও লেখক আন্দ্রেয়াস মালম আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, প্যানেল আলোচনায় অংশ নেওয়ার কারণে তার ইটিএ বাতিল করা হয়েছে বলে তার ধারণা। তিনি বলেন, কয়েক দশক ধরে নিয়মিত যুক্তরাজ্যে যাতায়াত করলেও এবার পূর্বাভাস ছাড়া তার অনুমতি বাতিল করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র দপ্তরের কাছে ব্যাখ্যা চাইলেও তিনি এখনো কোনো জবাব পাননি।
বাতিলের ইমেইলে তাকে নতুন করে ভিসার আবেদন করতে বলা হয়েছে। তবে যুক্তরাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ ভিজিটর ভিসা পেতে প্রায় তিন সপ্তাহ সময় লাগে। ফলে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেওয়া তার পক্ষে সম্ভব হবে না।
যুক্তরাজ্য সরকারের এ সিদ্ধান্তকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আঘাত হিসেবে দেখছেন মালমের সমর্থকেরা। লেখিকা স্যালি রুনি তাকে একজন প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবী হিসেবে উল্লেখ করে এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, গত বছর যুক্তরাজ্য সরকার প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এরপর সংগঠনটির প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানানোর অভিযোগে তিন হাজার ৮৫০ জনের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
মালমের মতে, এটি যুক্তরাজ্যে কর্তৃত্ববাদী প্রবণতার বিস্তারের একটি অংশ। তার ভাষায়, কোনো অপরাধ না করেও কেবল একটি আলোচনায় অংশ নেওয়ার পরিকল্পনার কারণে তাকে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে, যা ‘সম্পর্কের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত করার’ শামিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন