প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানে জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সরকারবিরোধী বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়া দুই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এই তথ্য সোমবার দেশটির বিচার বিভাগের সংবাদমাধ্যম মিজান জানিয়েছেন।
যেমন, প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুইজনকে জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় মসজিদে অগ্নিসংযোগ করা, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িত থাকার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এই দুটি ব্যক্তির নাম হচ্ছে মেহরদাদ মোহাম্মাদিনিয়া এবং আশকান মালেকি। মিজানের তথ্য অনুযায়ী, তারা রাজধানী তেহরানের গিশা এলাকার জাফারি মসজিদে হামলার মূল অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন। তবে, এ ঘটনায় মানবাধিকার সংগঠনগুলোর কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি তাৎক্ষণিকভাবে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনায় আস্থা ও বিশ্বাসের সংকট তীব্র পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক নীতি বিশ্লেষক নেগার মরতাজাভি। যিনি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির জ্যেষ্ঠ ফেলো। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, একের পর এক চুক্তি ভঙ্গ, চলমান আলোচনার মধ্যেই সামরিক হামলা এবং আঞ্চলিক সংঘাত ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি গভীর অবিশ্বাস তৈরি করেছে। এর ফলস্বরূপ, দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া কার্যত ভঙ্গুর অবস্থায় পৌঁছে গেছে।
মরতাজাভি আরও বলেন, আমি ইরানি সূত্রগুলোর সঙ্গে অভিযোগ করেছি, তারা বলছেন- আমরা প্রতিবার আলোচনায় যাই, কিন্তু আমাদের আঙুল ট্রিগারের ওপর থাকে। কারণ, আমাদের আশঙ্কা থাকে যে, আকাশ থেকে বোমা নেমে আসতে পারে। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের দৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক পদক্ষেপ সম্ভাব্য যুদ্ধ ঘোষণার সমতুল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর মধ্যে ২০২০ সালে ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার ঘটনা, গত বছরের পারমাণবিক আলোচনার সময়ে হামলা এবং বর্তমান সংঘাত পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্য। সূত্র: আল-জাজিরা, ডন
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন