ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের নিয়ে বাকৃবিতে পিআইবির প্রশিক্ষণ শুরু


দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের নিয়ে বাকৃবিতে পিআইবির প্রশিক্ষণ শুরু

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত তিনদিনব্যাপী মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ফ্যাক্ট-চেকিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে।

এই প্রশিক্ষণে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (বাকৃবিসাস) পাশাপাশি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) মোট ৪০ জন ক্যাম্পাস সাংবাদিক অংশগ্রহণ করছেন।

এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন শনিবার (২৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষা

পিআইবির প্রশিক্ষক সাহানোয়ার সাইদ শাহীনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক, যিনি প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন। প্রথম দিনের প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন জি. এম. মোস্তাফিজুল আলম।

প্রশিক্ষণে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টিং, এআইভিত্তিক সাংবাদিকতা, তথ্য যাচাই (ফ্যাক্ট-চেকিং) এবং ডিজিটাল সাংবাদিকতার বিভিন্ন দিক নিয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তিনদিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা আগামী সোমবার শেষ হবে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে, অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক উল্লেখ করেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পাশাপাশি সাংবাদিকতা করছে। তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এ ধরনের প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা বিশেষভাবে উল­লেখ করেন তিনি। প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু সময়োপযোগী এবং এর মাধ্যমে বর্তমান সাংবাদিকতার বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতা, ফ্যাক্ট-চেকিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে গুজবের ঊর্ধ্বে উঠে সংবাদের পেছনের সত্য উদঘাটন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সাংবাদিকতায় নৈতিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, নৈতিকতার বিচ্যুতি সমাজের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। সুতরাং, এ বিষয়ে সবার সচেতন থাকা অবশ্যক।

আরও পড়ুন: ধর্মীয় উৎসব শিশুদের নৈতিকতা ও আদর্শের শিক্ষা দেয়: ডেপুটি স্পিকার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগে বিক্ষোভকারীদের উচ্ছ্বাস, হাওড়ায় মিষ্টি বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৬ পি.এম


ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগে বিক্ষোভকারীদের উচ্ছ্বাস, হাওড়ায় মিষ্টি বিতরণ

বিক্ষোভকারীদের দাবির কাছে অবশেষে মাথা নোয়ালো নরেন্দ্র মোদি সরকার।

শনিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।

তাঁর পদত্যাগের খবরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন জেন জি (Gen Z) প্রজন্মের আন্দোলনকারীরা।

একদিকে দিল্লির যন্তর মন্তরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে, অন্যদিকে বেঙ্গালুরু, চেন্নাই ও কলকাতাতেও আনন্দ-উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা।

শনিবার দুপুরে কলকাতা সংলগ্ন হাওড়া ময়দানে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা সাধারণ পথচারীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেন।

পদত্যাগের খবর পৌঁছাতেই গত কয়েক দিনের মতো সেখানে বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী জমায়েত হন।

তারা প্রথমে সমবেত হয়ে জাতীয় সংগীত গান, এরপর নিজেদের মধ্যে ও পথচলতি মানুষের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেন।

গত কয়েকদিন ধরে হাওড়া ময়দানে অনশনরত শিক্ষার্থী রোহিণী মালিক আন্দোলনের সফলতা নিয়ে বলেন, “এটা আমাদের আন্দোলনের জয়, জেন জি’র জয়।

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে রাজনীতিমুক্ত এই আন্দোলনে আমাদের একটাই পতাকা ছিল—দেশের তেরঙ্গা পতাকা।

নানা কটু মন্তব্য সত্ত্বেও আমরা লক্ষ্যে অবিচল ছিলাম।

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী হয়তো বুঝতে পেরেছেন তিনি সঠিকভাবে কাজ করতে পারছিলেন না, তাই পদত্যাগ করেছেন।

আমাদের প্রত্যাশা, এবার শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা বন্ধ হবে।”

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ছাত্র আন্দোলনের মূল দাবি ছিল ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা, যা তিনি মেনে নিয়েছেন।

সরকার এ বিষয়ে নানাবিধ পদক্ষেপ নিয়েছে, যা নিয়ে সংসদে আলোচনা হবে।”

অন্যদিকে, শিলিগুড়ির সাবেক মেয়র ও তৃণমূল কংগ্রেস নেতা গৌতম দেব কটাক্ষ করে বলেন, “যন্তর মন্তরের এই আন্দোলনকে প্রথমে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা উপেক্ষা করেছিলেন।

কিন্তু যখন আন্দোলন সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো আছড়ে পড়ল, তখন সরকার আলোচনায় বসতে বাধ্য হলো।

পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন শিক্ষামন্ত্রী।

এটি ছাত্র সমাজের বড় জয়।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সংসদ সদস্য জগন্নাথ সরকার বলেন, “বিজেপি একটি নীতিনিষ্ঠ দল, যা দেশের স্বার্থকে সর্বাগ্রে গুরুত্ব দেয়।

দেশের স্বার্থেই ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি কোনোভাবেই কোনো কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত নন।

বিজেপি সবসময় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার নীতিতে বিশ্বাস করে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোদির জেদের পরাজয়, উচ্ছ্বাসে ভারতের বিরোধীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩০ পি.এম


মোদির জেদের পরাজয়, উচ্ছ্বাসে ভারতের বিরোধীরা

শিক্ষাব্যবস্থায় অনিয়ম ও নিট কেলেঙ্কারির অভিযোগে দেশজুড়ে চলতে থাকা আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ভারত সরকারের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক বিজয় হিসেবে উল্লিখিত করেছে দেশটির বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। আম আদমি পার্টি (আপ) এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসসহ প্রধান বিরোধী দলগুলোর বক্তব্য হচ্ছে, এই পদত্যাগের পেছনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও তরুণদের দীর্ঘ সময়ের সংগ্রামের প্রতিফলন রয়েছে।

আম আদমি পার্টির আহ্বায়ক এবং দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় আন্দোলনকারী তরুণদের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ‘আমাদের তরুণ সমাজ ও জেন জিকে আন্তরিক অভিনন্দন। আপনাদের নিরলস লড়াইয়ের ফলেই ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। এত বড় আন্দোলনের পর অবশেষে জনগণের কণ্ঠস্বরের সামনে সরকারের অহংকার চূর্ণ হলো। এটি ভারতীয় গণতন্ত্রের এক বিরাট জয়।’

কংগ্রেস সভাপতি এবং রাজ্যসভার বিরোধীদলীয় নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে এই পদত্যাগকে ভারতের লাখো তরুণের রাজপথের লড়াইয়ের জয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ভারতের শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত চিৎকার অবশেষে অহংকারী ক্ষমতার চৌকাঠে গিয়ে পৌঁছেছে। এটি রাজপথে নেমে লড়াই করা কোটি কোটি যুবকের জয়, সত্যের জয় এবং নরেন্দ্র মোদীর একগুঁয়েমির পরাজয়। দুর্নীতির কারণে যেসব পরিবার তাদের সন্তানদের হারিয়েছে, এটি তাদেরও জয়। একই সাথে সংসদ থেকে রাজপথ পর্যন্ত প্রতিবাদ গড়ে তোলা ঐক্যবদ্ধ বিরোধী শিবিরেরও জয়।’

খাড়গে আরও দাবী করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উচিত দেশের তরুণদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া। তিনি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ ও পেলেট গান ব্যবহারের জন্য দায়ী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান। কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা ভূপিন্দর সিং হুদা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত আরও আগেই নেওয়া উচিত ছিল। দেরিতে হলেও ভালো যে বুদ্ধি ফিরেছে। তবে পদত্যাগটি আগে হলে শিক্ষা ব্যবস্থার এত বড় ক্ষতি এড়ানো যেত। দেশের তরুণ প্রজন্ম পরীক্ষাব্যবস্থার ওপর থেকে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে। তাই এখন পুরো ব্যবস্থা বদলে নতুন ও নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।’

অন্যদিকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস তাদের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানায়, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে রাজপথ থেকে সংসদ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ন্যায়বিচারের যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, শিক্ষাব্যবস্থা পুরোপুরি দুর্নীতিমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত তা চলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিব্বতের গোপন ল্যাবে জন্ম নিচ্ছে ‘সুপার ইয়াক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ পি.এম


তিব্বতের গোপন ল্যাবে জন্ম নিচ্ছে ‘সুপার ইয়াক

চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের একটি গবেষণাগারে উন্নত বৈশিষ্ট্যের ‘সুপার ইয়াক’ তৈরির কাজ চলছে, যা ক্লোনিং প্রযুক্তির মাধ্যমে হচ্ছে। গবেষকদের লক্ষ্য হল দ্রুত বর্ধনশীল, রোগ প্রতিরোধক্ষম, অধিক প্রজননক্ষম এবং আকারে বড় ‘অভিজাত’ ইয়াকের পাল গড়ে তোলা। একই সঙ্গে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকা বিরল বন্য ইয়াক সংরক্ষণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সহায়তায় পরিচালিত এই প্রকল্পের আওতায় ২০২৮ সালের মধ্যে শতাধিক উন্নত বৈশিষ্ট্যের ক্লোন ইয়াক উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। গবেষকগণ দাবি করেছেন, এ উদ্যোগ তিব্বতের ইয়াক শিল্পকে আরও লাভজনক ও টেকসই করবে, এবং এটি বিরল ‘গোল্ডেন ওয়াইল্ড ইয়াক’ সংরক্ষণেও সাহায্য করবে।

২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রথম সফল ক্লোন ইয়াকের জন্ম হয়েছিল। এরপর চলতি বছরের বসন্তে আরও ১০টি ক্লোন বাছুরের জন্ম হয়েছে। প্রকল্পপ্রধান ফাং শেংগুও বলেছেন, ইয়াক ক্লোনিং এখন আর পরীক্ষামূলক পর্যায়ে নেই; এটি বৃহৎ পরিসরে প্রয়োগের সক্ষমতা অর্জন করেছে।

তবে, প্রকল্পটি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। গবেষণা পদ্ধতি, ব্যর্থ ভ্রূণ প্রতিস্থাপন, গর্ভপাত, মৃত বা বিকলাঙ্গ বাছুরের সংখ্যা এবং সারোগেট মা ইয়াকের মৃত্যুর তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ফলে প্রাণীর কল্যাণ এবং গবেষণার স্বচ্ছতা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্লোনিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত উন্নত বৈশিষ্ট্যের ইয়াক উৎপাদন সম্ভব হলেও, একই জিনের বিপুলসংখ্যক প্রাণী তৈরি হলে জিনগত বৈচিত্র্য কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ক্লোনিং প্রক্রিয়ার সময় প্রাণীদের অপ্রয়োজনীয় দুর্ভোগের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

তিব্বতের অর্থনীতি এবং সংস্কৃতিতে ইয়াকের গুরুত্ব অপরিসীম। জলবায়ু পরিবর্তন, আবাসস্থল ধ্বংস, অন্তঃপ্রজনন এবং সংকরায়ণের কারণে বন্য ও গৃহপালিত উভয় ধরনের ইয়াকই বিভিন্ন সংকটে রয়েছে। এই কারণে চীনা কর্তৃপক্ষ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইয়াকের সংখ্যা ও গুণগত মান উন্নয়নে বিপুল বিনিয়োগ করেছে।

হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের জীব-নৈতিকতাবিদ লিসা মোজেস বলেছেন, প্রকল্পটির প্রকৃত সাফল্য মূল্যায়নের জন্য প্রাণীদের ওপর এর প্রভাব, নৈতিক তদারকি এবং গবেষণার স্বচ্ছতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা অত্যাবশ্যক।

ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের জুলিয়ান সাভুলেস্কুর মতে, ক্লোনিং প্রযুক্তি যদি অধিক সুস্থ ও উৎপাদনশীল প্রাণী তৈরি করতে সক্ষম হয়, তবে তা সংরক্ষণ এবং কৃষি খাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে তিনি সতর্ক করে দেন, প্রযুক্তিটি এখনও পুরোপুরি নির্ভুল নয় এবং এতে জিনগত ত্রুটি বা স্বাস্থ্যগত জটিলতার ঝুঁকি রয়ে গেছে।

সব মিলিয়ে, তিব্বতের ‘সুপার ইয়াক’ প্রকল্পকে একদিকে বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে দেখা হলেও, অন্যদিকে প্রাণিকল্যাণ, জিনগত বৈচিত্র্য এবং গবেষণার স্বচ্ছতা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। প্রকল্পটি শেষ পর্যন্ত পরিবেশ ও অর্থনীতির জন্য কতটা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে, তা সময়ই বলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিরিয়ায় দুই বাসের সংঘর্ষে প্রাণহানি ৩৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৪ পি.এম


সিরিয়ায় দুই বাসের সংঘর্ষে প্রাণহানি ৩৫

সিরিয়ায় রাজধানী দামেস্কে দুই বাসের সংঘর্ষে অন্তত ৩৫ জন নিহত এবং ৩০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দেইর আল-জোর এবং দামেস্কের মধ্যবর্তী সড়কে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ৪০০ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ মহাসড়কটি পূর্ব সিরিয়াকে রাজধানী দামস্কের সঙ্গে সংযুক্ত করে রেখেছে।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘সিরিয়ান আরব নিউজ এজেন্সি’(সানা)-র তথ্যমতে, আল-সুখনা ও পালমিরার মধ্যবর্তী এলাকায় এই দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়। দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য হোমস সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার উদ্দেশ্যে দুর্ঘটনাস্থলে বেশ কয়েকটি হেলিকপ্টার পাঠানো হয়।

অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানাচ্ছে, দুর্ঘটনার কবলে পড়া একটি বাসে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ছিলেন এবং অন্য বাসটিতে সাধারণ যাত্রীরা অবস্থান করছিলেন। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্সও পাঠানো হয়েছে।

দেইর আল-জোর ও দামেস্কের মধ্যবর্তী এই মহাসড়কটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই দুর্বল বলে পরিচিত। প্রায় ১৪ বছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধের কারণে সিরিয়ার বেসামরিক অবকাঠামোর অবস্থান অত্যন্ত খারাপ হয়েছে, যা এই ঘটনার একটি প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গত অক্টোবরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও জরুরি সাড়াদান বিষয়ক মন্ত্রী রায়েদ আল-সালেহ জানিয়েছিলেন, জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সিরিয়ার ভেতর ২ হাজারেরও বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছিল। আল-সালেহ উল্লেখ করেছেন, এই ধরনের সড়ক দুর্ঘটনা সিরিয়ায় মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%