প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পরিবারের অমতে বিয়ে করায় ২৪ বছর বয়সী একজন তরুণীকে পিটিয়ে এবং গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বাবার বিরুদ্ধে।
ভারতের উত্তর প্রদেশের আগ্রায় এই ভয়াবহ মৃত্যু সংঘটিত হয়েছে। অভিযুক্ত পিতা, বিমল শর্মাকে, পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, পুলিশ জানিয়েছে যে, তিনি এ হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিহত তরুণীর নাম অঙ্কিতা। পুলিশের তথ্য মতে, প্রায় চার মাস আগে, তিনি পরিবারের আপত্তি উপেক্ষা করে ভারত-তিব্বত সীমান্ত পুলিশের (আইটিবিপি) সদস্য অমিত পাচৌরির সঙ্গে আদালতে বিয়ে করেন।
বিয়ের পর, অমিত কর্মস্থলে ফিরলেও, অঙ্কিতা তার বাবা-মায়ের বাড়িতে থাকতে থাকেন। এসময়, বিয়ে নিয়ে পরিবারের সঙ্গে বিরোধ চলছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
অভিযোগের ভিত্তিতে, সোমবার রাতে, বিমল শর্মা তার মেয়েকে মারধর করেন। পরে, একটি ওড়না দিয়ে তার গলায় পেঁচিয়ে, তিনি শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
ঘটনার সময়, অভিযুক্তের স্ত্রী ও ছেলে বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন। হত্যার পর, তিনি তাদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন এবং নিজে মরদেহের পাশে বসে ছিলেন বলে পুলিশের দাবি।
প্রতিবেশীরা জানান, রাতের দিকে বাড়ি থেকে চিৎকারের শব্দ শুনে তারা দরজায় কড়া নাড়েন। কিন্তু, কোনো সাড়া না পেয়ে এবং ঘরের আলো নিভে যেতে দেখে পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে এবং অঙ্কিতাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, তার গলায় শক্ত করে ওড়না পেঁচানো ছিল এবং মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জিজ্ঞাসাবাদে, বিমল শর্মা পুলিশকে জানান যে, মেয়ের আদালতে গিয়ে বিয়ে করায় তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন। বারবার বোঝানোর পরও, অঙ্কিতা সম্পর্ক থেকে সরে আসতে রাজি না হওয়ায়, ক্ষোভের বশে তিনি এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেন।
এই ঘটনার পর, পুলিশ হত্যা মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন