প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিলেটে তরুণ চিকিৎসক পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের (৩১) মৃত্যুর ১১ দিন পর তার বাবা পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) মৌলভীবাজার শহরের এম সাইফুর রহমান সড়কে অবস্থিত ‘ভটের ফার্মেসি’র দ্বিতীয় তলার বাসা থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তী ওই ফার্মেসির দ্বিতীয় তলায় বসবাস করতেন। ‘ভটের ফার্মেসি’ তাদের পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। তাঁদের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সাবিয়া গ্রামে অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে তাঁদের পরিবার ‘ভটের বাড়ি’ (ব্রাহ্মণ বাড়ি) নামে পরিচিত। প্রায় দুই বছর আগে পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর স্ত্রী মারা যান।
শুক্রবার সকালে পরিবারের সদস্যরা পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর কোনো সাড়া না পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভেতর থেকে বন্ধ থাকা দরজা ভেঙে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে।
মৌলভীবাজার মডেল থানার উপপরিদর্শক মনোজ কুমার সরকার জানান, প্রাথমিকভাবে পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। ময়নাতদন্তের পর শুক্রবার রাতেই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মৌলভীবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন আগে পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর একমাত্র ছেলে চিকিৎসক পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের মৃত্যু ঘটে। ছেলের মৃত্যুর পর তিনি বিমর্ষ ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ছেলেকে হারানোর শোক থেকে পূর্ণেন্দ্র আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।
এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর সিলেট নগরের মির্জাজাঙ্গাল এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ডা. পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক ছিলেন।
জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে প্রান্তের বিয়ে হয়েছিল। তিনি এবং তার স্ত্রী দুজনেই চিকিৎসক। নতুন বাসায় ওঠার পরদিনই তার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে তখন নানা প্রশ্ন উঠেছিল। তবে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করেছিল, তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন