বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৩৯ পি.এম
রংপুরের তারাগঞ্জে একটি যাত্রীবাহী বাস ডিভাইডারে ধাক্কা লেগে উল্টে যাওয়ার ফলে একজন নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার সময় রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কের ইকরচালী বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম ও পরিচয় এখনও প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি।
পুলিশ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যে নীলফামারীর ডোমার থেকে রংপুরগামী বাসটি ইকরচালী বাজারে পৌঁছালে সড়কের ডিভাইডারে ধাক্কা লাগে। এর ফলে বাসটি উল্টে যায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন প্রথমে উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। পরে ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। আহতদের উদ্ধার করে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
বাসের যাত্রী সুমন মিয়া জানান, তিনি ডোমার থেকে রংপুর নগরের ধাপ এলাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসটিতে উঠেছিলেন। তারাগঞ্জ পার হওয়ার পর বাসটির গতি বেড়ে যায়। ইকরচালী বাজারে প্রবেশের সময় ডিভাইডারে ধাক্কা লেগে বাসটি উল্টে যায়, যার ফলে অনেক যাত্রী আহত হন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোনাব্বর হোসেন এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। ইউএনও বলেন, "খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে আসি। দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।"
তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান জানান, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে একজন নিহত হয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী জানিয়েছেন, সোরিয়াসিস একটি ছোঁয়াচে রোগ নয়। আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে রেখে আক্রান্ত ব্যক্তিরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।
আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ব সোরিয়াসিস দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত সচেতনতামূলক শোভাযাত্রার উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
উপাচার্য আরও বলেন, সোরিয়াসিস ত্বকে দৃশ্যমান হওয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা পরিবার, সমাজ এবং কর্মক্ষেত্রে অনেক সময় বৈষম্য ও অবহেলার শিকার হন। এটি কোনোভাবেই ছোঁয়াচে রোগ নয়। আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি এমন আচরণ করা উচিত নয়, যাতে তারা নিজেদের বিচ্ছিন্ন বা অবহেলিত মনে করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, সোরিয়াসিসে আক্রান্তদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশের আর্থ্রাইটিস হতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে এই সমস্যা শনাক্ত করে যথাযথ চিকিৎসা প্রদান করা গেলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তবে চিকিৎসা না হলে আর্থ্রাইটিস জটিল ও ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও মেরুদণ্ড আক্রান্ত করে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।
অধ্যাপক ডা. এফএম সিদ্দিকী বলেন, চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে সোরিয়াসিসের চিকিৎসায় অনেক আধুনিক পদ্ধতি এসেছে। এসব চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে আক্রান্ত ব্যক্তিরা স্বাভাবিক ও সুন্দর জীবনযাপন করতে পারবেন। এ রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে চিকিৎসক ও গণমাধ্যমকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
‘ত্বকের গণ্ডি পেরিয়ে মানুষটিকে দেখুন’ বা ‘লুক বিয়ন্ড মাই স্কিন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্ব সোরিয়াসিস দিবস উপলক্ষে বিএমইউতে বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক শোভাযাত্রা ও বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করে সোরিয়াসিস অ্যাওয়ারনেস ক্লাব ও বাংলাদেশ ডার্মাটোলজিস্ট সোসাইটি।
সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি টিএসসি প্রদক্ষিণ করে ডি-ব্লক, সি-ব্লক ও কেবিন ব্লক হয়ে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে গিয়ে শেষ হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক, রেসিডেন্ট, কর্মকর্তা, নার্স ও কর্মচারীরা অংশ নেন।
পরে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের ৫০৭ নম্বর লেকচার হলে বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এ সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমি, রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. হালিমুর রশীদ এবং বিএমইউর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অফিসের পরিচালক অধ্যাপক ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী।
শোভাযাত্রায় বিএমইউর উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগের চেয়ারম্যান ও মেডিক্যাল টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. এম আবু হেনা চৌধুরী, বাংলাদেশ ডার্মাটোলজিস্ট সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ মুনীর রশিদ এবং সোরিয়াসিস সচেতনতা ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সামিউল হকসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক ও চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তিন শতাধিক চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ অংশ নেন। তাদের মধ্যে অনেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে সোরিয়াসিসের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : পাকিস্তান বাংলাদেশের সঙ্গে চিকিৎসা পর্যটনে সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই দেশের মধ্যে পর্যটন অংশীদারিত্ব এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ জোরদারের জন্য চিকিৎসাসেবা গ্রহণকে কেন্দ্র করে ভ্রমণ একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হতে পারে বলে মনে করছে পাকিস্তান।
আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার এ আগ্রহের কথা জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘প্রচলিত পর্যটনের বাইরে চিকিৎসা পর্যটনের মতো ক্ষেত্রও রয়েছে, যেখানে আমরা ব্যাপক সম্ভাবনা দেখছি।’
চিকিৎসাসেবাকেন্দ্রিক পর্যটনের সম্ভাবনা তুলে ধরে পাকিস্তানের হাইকমিশনার জানান, দেশটির চিকিৎসা খাতের প্রতিনিধিত্বকারী দুটি কোম্পানি এবারের প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে। এর মাধ্যমে পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান আগ্রহের প্রতিফলন ঘটেছে, যা এ বিশেষায়িত পর্যটন খাতে নতুন সুযোগ অনুসন্ধানের লক্ষ্যে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই অংশগ্রহণের মাধ্যমে ব্যবসায়িক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা, সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে মতবিনিময় এবং ভবিষ্যতে চিকিৎসা পর্যটনে সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
হায়দার আরও বলেন, প্রচলিত অবকাশযাপনকেন্দ্রিক ভ্রমণের বাইরেও বিশেষায়িত পর্যটনসেবার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে পর্যটন বিনিময় সম্প্রসারণের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার জন্য জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি ও পারস্পরিক বোঝাপড়া তৈরিতে পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘দুই দেশের নেতৃত্বই জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এ ক্ষেত্রে পর্যটন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।’
পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং একে অপরের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কে জানার সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে পর্যটন বাংলাদেশের ও পাকিস্তানের জনগণকে আরও কাছাকাছি আনতে পারে।
তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশেই রয়েছে সমৃদ্ধ পর্যটনসম্পদ, যার মধ্যে ঐতিহাসিক নিদর্শন, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, ঐতিহ্যবাহী খাবার এবং মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য অন্তর্ভুক্ত।
হায়দার বলেন, তুলনামূলক সাশ্রয়ী ব্যয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিভিন্ন পর্যটন আকর্ষণ উপভোগ করা সম্ভব। ফলে দুই দেশের মধ্যে পর্যটন বিনিময়ের সম্ভাবনা বিশেষভাবে আশাব্যঞ্জক।
তিনি জনগণের মধ্যে যোগাযোগভিত্তিক কূটনীতির মাধ্যমে পর্যটনকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার এবং এ খাতে সহযোগিতা জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, কূটনীতির এ দিকটিতে আমাদের মনোযোগ দেওয়া এবং এ ক্ষেত্রে সম্পর্ক আরও জোরদারের চেষ্টা করা প্রয়োজন।’
আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলায় পাকিস্তানের
প্রতিনিধিদলকে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) প্রতি, বিশেষ করে সংগঠনটির সভাপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান হাইকমিশনার।
তিনি পাকিস্তানি অংশগ্রহণকারীদেরও প্রশংসা করেন, যারা নিজেদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করা এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগভিত্তিক কূটনীতি জোরদারের প্রচেষ্টায় অবদান রাখছেন।
হায়দার আশা প্রকাশ করেন, এ প্রদর্শনী পর্যটনের সুযোগ সম্প্রসারণ, ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক জোরদার এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পরিধি বাড়াতে সহায়তা করবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি, আগামী দিনগুলোতে এ সহযোগিতা আরও বাড়বে এবং পর্যটনের সুযোগ সম্প্রসারণ ও এ খাতে সহযোগিতার পরিধি বাড়াতে এই প্ল্যাটফর্ম কাজে লাগানো হবে।’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন নাহার চৌধুরী।
টোয়াব আয়োজিত ‘এআই-পাওয়ার্ড ট্যুরিজম, সাসটেইনেবল ডেস্টিনেশন’ প্রতিপাদ্যের তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।
বাংলাদেশসহ ১৬টি দেশের অংশগ্রহণে আয়োজিত মেলায় ট্যুর অপারেটর, বিমান সংস্থা, হোটেল, ট্রাভেল এজেন্সি এবং পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের অন্যান্য অংশীজন অংশ নিচ্ছেন।
আয়োজকদের তথ্যমতে, মেলায় ২০০টির বেশি বুথ ও স্টল, ২২০ জনের বেশি প্রদর্শক এবং প্রায় ২ হাজার ৫০০ বাণিজ্যিক দর্শনার্থী অংশ নিচ্ছেন।
আন্তর্জাতিক পর্যটন সহযোগিতা বাড়ানো, ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও টেকসই পর্যটন উন্নয়নে উৎসাহ দেওয়াই এ আয়োজনের লক্ষ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : তিন ফরাসি নাগরিককে ইসলামিক স্টেট (আইএস) যোগ দেওয়ার অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে ইরাকের একটি আদালত।
গত বছর সিরিয়া থেকে ইরাকে স্থানান্তরিত হওয়া ফরাসি নাগরিকদের মধ্যে এই তিনজনের সাজা সর্বশেষ।
আজ বৃহস্পতিবার বাগদাদের কারখ এলাকার ফৌজদারি আদালত চার্লি সান, কামাল বেন এমবারেক ও আমির আমিন দালি আমারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
ইরাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ ২০ বছর।
বাগদাদ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানায়।
এএফপি’র একজন সংবাদদাতা জানান, ‘সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেটে যোগদান এবং সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে মিলিত হয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়ার অপরাধে তাদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।’
চার্লি সানের বোন ক্যারোল সানকে উত্তর-পূর্ব সিরিয়া থেকে ফ্রান্সে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। গত বছরের ডিসেম্বরে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। ২০১৪ সালে কিশোর বয়সে ভাইয়ের সঙ্গে তিনিও জিহাদি গোষ্ঠীটিতে যোগ দিয়েছিলেন।
একই ধরনের অভিযোগে গত মঙ্গলবার আরও ছয় ফরাসি নাগরিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আরেকজনকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এখন পর্যন্ত সাজাপ্রাপ্ত ১০ জনই গত বছর সিরিয়া থেকে ইরাকে স্থানান্তরিত হওয়া ৪৭ জন ফরাসি নাগরিকের একটি দলের সদস্য।
ওই দলে আদ্রিয়েন গিহালও রয়েছেন, যিনি ২০১৬ সালে ফ্রান্সের নিস শহরে আইএসের হামলার দায় স্বীকার করেছিলেন।
ইসলামিক স্টেটের সদস্য ও সন্দেহভাজন জিহাদিদের ভিড়ে ইরাকের কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দি রয়েছে। সম্প্রতি প্রতিবেশী সিরিয়া থেকে স্থানান্তরিত হওয়া আরও কয়েক হাজার বন্দিকে এসব কারাগারে রাখা হয়েছে।
আসামিদের কয়েকজনের ফরাসি আইনজীবী সতর্ক করে বলেছেন, তাঁদের মক্কেলদের ন্যায়বিচারের যথাযথ প্রক্রিয়া থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে এবং অন্যায্য বিচারে দোষী সাব্যস্ত করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আজ খাগড়াছড়ি রিজিয়নে গমন করেন। এ সময় তিনি বাঘাইহাট জোনের সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময় সেনাবাহিনী প্রধান মোতায়েনকৃত সেনা সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি প্রতিকূল পরিবেশ ও সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সেনাসদস্যদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রশংসা করেন।
এছাড়া, তিনি সকলকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে অর্পিত কর্তব্য পালন অব্যাহত রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ; জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, চট্টগ্রাম এরিয়া; সেনাসদর এবং সংশ্লিষ্ট এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সেনা সদস্যগণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ