প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের চলতি প্রথম রাউন্ডের সকল ম্যাচ শেষ হওয়ার পর আলোচনায় উঠে এসেছে অসাধারণ পারফরম্যান্স করা খেলোয়াড়দের নাম। টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে সেরা একাদশ নির্ধারণ করেছে পরিসংখ্যান প্রতিষ্ঠান অপটার ফুটবল বিশ্লেষকরা। এই সেরা একাদশে জায়গা পেয়েছেন লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং আর্লিং হালান্ডের মতো বড় তারকা খেলোয়াড়রা। তবে সবচেয়ে বড় চমক হলো কেপ ভার্ডের ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা।
স্পেনের বিপক্ষে কেপ ভার্ডের ঐতিহাসিক ০-০ ড্রতে ভোজিনহার অবদান ছিল অসামান্য। তিনি ঐ ম্যাচে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেছেন। গোল ঠেকানোর পরিসংখ্যানের দিক দিয়েও তার পারফরম্যান্স ছিল অভূতপূর্ব। বয়স ৪০ বছর হলেও, বিশ্বকাপের এই মঞ্চে তার অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব কেপ ভার্ডেকে স্মরণীয় ফল এনে দিয়েছে।
রক্ষণভাগে জায়গা পেয়েছেন কেপ ভার্ডের রবের্তো লোপেস, অস্ট্রেলিয়ার হ্যারি সাউটার, পানামার আমির মুরিলো এবং যুক্তরাষ্ট্রের অ্যান্টনি রবিনসন। স্পেনের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে কেপ ভার্ডের রক্ষণ সামলানোর ক্ষেত্রে লোপেস ১১টি ক্লিয়ারেন্স করেছেন। একইভাবে, তুরস্কের বিপক্ষে ২-০ জয়ে সাউটার রক্ষণের মূল ভরসা হিসেবে কাজ করেছেন।
মাঝমাঠে নজর কেড়েছেন মরক্কোর তরুণ ফুটবলার আইওব বোউদ্দি। ব্রাজিলের বিপক্ষে ১-১ ড্র ম্যাচে তিনি মাত্র ১৮ বছর বয়সে মাঠের নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ৬৬টি পাসের মধ্যে ৬০টি সফলভাবে প্রদান করেন। এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্টন ম্যাককেনিও তাকে সহযোগিতা করেছেন। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে তার আক্রমণ তৈরিতে অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।
আক্রমণভাগে প্রথম রাউন্ডের অন্যতম উজ্জ্বল তারকাদের মধ্যে মেসি, এমবাপ্পে এবং হালান্ড ছিলেন। আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-০ জয়ে মেসি অসাধারণ হ্যাটট্রিক করেন। তিনি ৩৮ বছর ৩৫৭ দিন বয়সে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সের খেলোয়াড় হিসাবে হ্যাটট্রিক করেন। একই সঙ্গে, তাঁর বিশ্বকাপে গোলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬, যা মিরোস্লাভ ক্লোসের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ।
নরওয়ের হয়ে বিশ্বকাপ অভিষেকেই নজর কাড়েন হালান্ড। তিনি ইরাকের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই দুটি গোল করেন। অন্যদিকে, ফ্রান্সের হয়ে সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করে এমবাপ্পে দলের ৩-১ জয় নিশ্চিত করেন। এই দুই গোলে তিনি ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার রেকর্ডও গড়েন।
সেরা একাদশের আরেকটি চমক হল আইভরি কোস্টের তরুণ উইঙ্গার ইয়ান দিওমানদে। তিনি ইকুয়েডরের বিপক্ষে ১-০ জয়ী ম্যাচে পাঁচটি গোলের সুযোগ তৈরি করেন, যা প্রথম রাউন্ডে সর্বোচ্চ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন