প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সড়কটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে মাত্র তিন বছর আগে। এর পাশেই একটি দীর্ঘ জলমহাল রয়েছে।দুই দিন পূর্বে জলমহালের ওই অংশের একটি অংশ গাছসহ ধসে পড়ে। ফাটল দেখা দিয়েছে আরো ১০০ মিটার অংশে। যে কোনো সময় ফাটলের অংশও ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।গত বৃহস্পতিবার বরগুনার আমতলী সদর ইউনিয়নের বান্দ্রা বাজার হয়ে উল্টাখালী যাওয়ার পাকা সড়কের অন্তত সাত মিটার অংশ ধসে পড়ার ঘটনা ঘটে।এ কারণে সড়কটিতে যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী বিভাগ (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে বান্দ্রা বাজার থেকে উল্টাখালী সড়কের এক কিলোমিটার অংশের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। এতে ব্যয় হয়েছিল ৮২ লাখ টাকা।স্থানীয়রা জানান, সড়কটির পাশে বান্দ্রা জলমহাল রয়েছে, যেখানে স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মো. আবুল কালাম মাছ চাষ করছেন।
তাদের অভিযোগ, সড়কটি নির্মাণের সময় জলমহালের পাশ দিয়ে পাইলিং করার জন্য সেখানকার পানি সেচের মাধ্যমে শুকিয়ে দেওয়ার জন্য ইজারাদারকে অনুরোধ করেন ঠিকাদার ও এলাকাবাসী। কিন্তু ইজারাদার পানি সেচে না দেওয়ায় ঠিকাদার কোনোরকম পাইলিং করে নির্মাণ কাজ শেষ করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার ভারি বৃষ্টির ফলে সড়কের ওই স্থানে অন্তত সাত মিটার গাছসহ ধসে পড়ে পাশের মাছের ঘেরে। এছাড়া, পাশের অন্তত ১০০ মিটার অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। যে কোনো সময় ফাটলের অংশও ধসে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. সফিজ উদ্দিন হাওলাদার বলেন, ‘কালাম হাওলাদারের মাছের ঘেরের কারণে সড়কটি ধসে পড়ছে। আমরা ওই মাছের ঘেরের লিজ বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।’মো. ইউনুছ, সোহাগসহ কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এই মাছের ঘেরের কারণে সড়ক ধসে পড়েছে। কয়েক জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। যে কোনো সময় তা ধসে পড়তে পারে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাকা সড়কের সাত-আট মিটার অংশ গাছসহ পাশে থাকা মাছের ঘেরের মধ্যে ধসে পড়েছে। সড়কটি দিয়ে এখন যান চলাচল বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
এ বিষয়ে জলমহালের ইজারাদার আবুল কালাম বলেন, ‘আমি তিন বছরের জন্য এক লাখ ৬০ হাজার টাকা রাজস্ব দিয়ে সরকারের কাছ থেকে মাছ চাষের জন্য জলমহাল ইজারা নিয়েছি। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় সড়কের পাশে থাকা গাছসহ সড়কটির একাংশ আমার ঘেরের মধ্যে ধসে পড়েছে। আমি বালি ও খোয়া দিয়ে সড়কটি মেরামত করে দেবো।’
আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. ইদ্রিস আলী বলেন, সড়কের একাংশ ধসে পড়ার খবর পেয়েছি। পরিদর্শন করে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন