মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫৫ পি.এম
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) অনুষ্ঠিত ‘বিইউপি ফিল্ম ফেস্ট ২০২৬’-এ শর্টফিল্ম বা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (ডুজা) প্রযোজিত ও আবির অয়নের পরিচালিত ‘অফ দ্য রেকর্ড’। গত ২৮ সেপ্টেম্বর দুই দিনব্যাপী এই উৎসবের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
এই চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন বিইউপি ফিল্ম ক্লাবের উদ্যোগে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা (এমসিজে) বিভাগের ‘এমসিজে কার্নিভ্যাল ২০২৬’-এর অংশ হিসেবে করা হয়। এবারের উৎসবের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের উদীয়মান নির্মাতা, লেখক ও সিনেমাপ্রেমীরা এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন।
ডুজার ‘অফ দ্য রেকর্ড’ শর্টফিল্ম বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি ‘কলি’ প্রথম রানার্সআপ এবং ‘মর্টাল’ ক্রিটিকস অ্যাওয়ার্ড লাভ করে। প্রামাণ্যচিত্র (ডকুমেন্টারি) বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘সাইলেন্ট ভারডিক্ট’ এবং বিজ্ঞাপন নির্মাণ (অ্যাড মেকিং) বিভাগে সেরা হয়েছে ‘মুহূর্ত রেখা’। স্ক্রিপ্ট রাইটিংয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ‘ওয়ে ব্যাক হোম’-এর রচয়িতা মেরশাদ করিম।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের উৎসবে ৪০টির বেশি শর্টফিল্ম, ২০টি প্রামাণ্যচিত্র, ৫০টি বিজ্ঞাপন নির্মাণ প্রজেক্ট এবং ২৫টি স্ক্রিপ্ট জমা পড়ে। সমাপনী দিনে পুরস্কার বিতরণের আগে শর্টফিল্ম ও অ্যাড মেকিং বিভাগের বিজয়ী কাজগুলো প্রদর্শন করা হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বিইউপি ফিল্ম ক্লাবের সভাপতি শামা সুলতানা মন্তব্য করেন, ‘বিইউপি ফিল্ম ফেস্ট দেশের অন্যতম প্রধান চলচ্চিত্র উৎসব। এবারের আয়োজনে আমরা বাংলাদেশি সিনেমা ও এর নির্মাতাদের উদযাপন করতে চেয়েছি।’
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সৌমিত্র গোলদার জানান, সৃজনশীল ক্ষেত্রে তরুণদের সুযোগ সৃষ্টির বৃহত্তর লক্ষ্যের অংশ হিসেবেই এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এই আয়োজনটি প্রতিভাবান ব্যক্তিদের সৃজনশীলতা, জ্ঞান ও চলচ্চিত্রের প্রতি আবেগকে তুলে ধরার একটি প্ল্যাটফর্ম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর নগরের ডিঙ্গাডোবা এলাকায় সংঘর্ষের ফলে মুদিদোকানি বারিউল ইসলাম নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পান দোকানি হানিফ আলীকে আসামি করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে তাঁর পরিবার। পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, জমি নিয়ে পূর্ববিরোধের কারণে তাঁকে হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে।
তাঁকে দ্রুত মুক্তি দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর ভাটাপাড়া পাঠার মোড় এলাকায় হানিফ আলীর পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি উত্থাপন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনটি হানিফ আলীর পানের দোকানে অনুষ্ঠিত হয়। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, হানিফ ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন।
ঘটনার পরদিন সকালে তাঁর স্ত্রীর মাধ্যমে তিনি ঘটনাটি জানতে পারেন। ঘটনার পরেও তিনি নিয়মিতভাবে দোকান চালিয়েছেন।
এ ঘটনায় তাঁর ছোট ভাই রবিউলকেও আসামি করা হয়েছে। পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে নগরের ডিঙ্গাডোবা এলাকায় টাকা ভাঙতি ও মাদক কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে চন্ডিপুর এলাকার লোকজনের সঙ্গে ডিঙ্গাডোবা বাকীর মোড় এলাকার লোকজনের সংঘর্ষ ঘটে।
এতে মুদিদোকানি বারিউল ইসলাম নিহত হন। তাঁরা ভাটাপাড়ার বাসিন্দা।
এ ঘটনায় পরদিন নিহত বারিউল ইসলামের স্ত্রী বাদী হয়ে ২০ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
নাম উল্লেখ করা আসামিদের তালিকায় ১১ নম্বরে রয়েছেন পান দোকানি মো. হানিফ আলী এবং ১২ নম্বরে তাঁর ছোট ভাই মো.
রবিউল ইসলাম। পরিবার জানায়, গতকাল সোমবার সন্ধ্যার দিকে ভাটাপাড়া পাঠার মোড় এলাকা থেকে হানিফকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা (এসআরবি) আটক করে নিয়ে যান।
পরে পরিবারের সদস্যরা থানায় গিয়ে তাঁর বিষয়ে খোঁজ নেন। সংবাদ সম্মেলনে হানিফের বাবা মো.
জামালউদ্দিন বলেন, ‘আমার ছেলে নির্দোষ। সে পান দোকান করে সংসার চালায়।
সে দোকানে যা আয় করে, তা দিয়েই আমাদের সংসার চলে। তাকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে।
আমরা ছেলের মুক্তি চাই।’ জামালউদ্দিন আরও বলেন, তাঁদের পরিবারের সঙ্গে জমি নিয়ে একটি পক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এ নিয়ে ২০০০ সাল থেকে মামলা চলছে।
ওই বিরোধের জেরেই হানিফ ও তাঁর ভাই রবিউলকে হত্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে তাঁদের ধারণা। হানিফের স্ত্রী দুলালী জানান, তাঁর স্বামী অত্যন্ত সাধারণ মানুষ।
তিনি পান দোকান করে সংসার চালান। কারও সঙ্গে তাঁর কোনো বিরোধ নেই।
ঘটনার দিনও তিনি দোকানে ছিলেন। সন্ধ্যার দিকে তাঁকে দোকান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।
দুলালী বলেন, ‘আমরা র্যাবের (এসআরবি) সদস্যদের বলেছি, আমার স্বামী কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন। তিনি পালানোরও চেষ্টা করেননি।
আশপাশের দোকানদারদের জিজ্ঞাসা করলেই তাঁর সম্পর্কে জানা যাবে।’ স্থানীয় দোকানি মো. সোহেল রানা বলেন, হানিফ শান্ত স্বভাবের মানুষ।
আশপাশে কোথাও মারামারি বা ঝামেলার কথা শুনলে তিনি দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যান। ঘটনার দিনও তিনি দোকানে ছিলেন।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকলে তিনি এভাবে নিয়মিত দোকান করতেন না বলে তাঁর দাবি। আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মো.
মেরাজ বলেন, হানিফের দোকান ঘটনার পরও খোলা ছিল। তিনি নিয়মিত দোকান করেছেন।
তাঁকে হত্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে-এমন অভিযোগে স্থানীয় লোকজনও বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। এদিকে এ ঘটনায় এসআরবি হানিফ আলীর পাশাপাশি মামলার ৭ নম্বর আসামি মো.
ইসরাইলকে গ্রেপ্তার করেছে। এর আগে চন্দ্র নামে আরেকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এসআরবি আজ মঙ্গলবার সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আরএমপির রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, এখন পর্যন্ত এই মামলায় এসআরবি দুইজনকে এবং তারা একজনকে গ্রেপ্তার করেছেন।
তারা এজাহারভুক্ত আসামি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত বিএনপি নেতাদের নাম ও ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে, তবে অ্যাকাউন্ট পরিচালনাকারীর পরিচয় গোপন রাখা হচ্ছে। সীতাকুণ্ডে এমন ফেক আইডি থেকে রাজনৈতিক এবং ব্যক্তিগত বক্তব্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক যুগ্ম মহাসচিব লায়ন আসলাম চৌধুরী এফসিএ প্রকাশ্যে নেতাদের বিরুদ্ধে প্রচারিত বক্তব্যের বিষয়ে জবাব দিয়েছেন। তিনি বলেন, "কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে পরিচয় গোপন রেখে নয়, তথ্য-প্রমাণসহ প্রকাশ্যে তা তুলে ধরতে হবে।"
২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আসলাম চৌধুরী উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক প্রতিকূলতার সময়ে যারা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, তাদের নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা বক্তব্য ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তার প্রমাণ উপস্থাপনের আহ্বান জানান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মো. মোরসালিনকে কেন্দ্র করে প্রচারিত বক্তব্যের প্রসঙ্গও উঠে আসে। আসলাম চৌধুরী তাকে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় নেতা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিকূলতার সময়ে মোরসালিনসহ দলের অনেক নেতাকর্মী মামলা ও গ্রেপ্তারের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেননি।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ তুলে আসলাম চৌধুরী জানান, তিনিও দীর্ঘ সময় কারাবন্দি ছিলেন। ওই সময়ে দলের বহু নেতাকর্মী মামলা ও গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হয়েছেন। তিনি রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও তা যেন তথ্যহীন ব্যক্তিগত আক্রমণে রূপ না নেয়, এমন আহ্বান জানান।
মোরসালিন বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে যদি কোনো প্রকৃত অভিযোগ থাকে, তবে তা তথ্য-প্রমাণসহ প্রকাশ্যে তুলে ধরা হোক। ফেক আইডির আড়ালে বক্তব্য ছড়িয়ে কাউকে হেয় করার পরিবর্তে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রমাণ সামনে আনার ওপর গুরুত্ব দেন। স্থানীয় বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, কয়েকটি ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে দলীয় নেতাদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিষয়ে বিভিন্ন পোস্ট দেওয়া হচ্ছে। এসব পোস্টে নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাগড়াছড়ি জেলার লক্ষ্ণীছড়ি উপজেলায় ধাত্রী প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে সনদ বিতরণ ও চিকিৎসা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে, যা প্রসবকালীন স্বাস্থ্যবিধি, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা বিষয়ক।
২৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার উপজেলা অডিটোরিয়াম ভবনে লক্ষীছড়ি জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল খান সজিবুল ইসলাম, পিপিএম, পিএসসি, জি, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সনদ এবং চিকিৎসা উপকরণ বিতরণ করেন। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অ.দা) তাহমিনা আপলোজ ভূইয়া, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: ফোরকান হাওলাদারসহ অন্যান্য অফিসার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এটি জানা যায় যে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার জনগণের জন্য স্বাভাবিক প্রসবকালীন স্বাস্থ্যবিধি, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা বিষয়ক ধাত্রী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় নারীদের স্বাভাবিক প্রসবকালীন স্বাস্থ্যবিধি, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রসবকালীন প্রয়োজনীয় সতর্কতা সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান ও দক্ষতা প্রদান করা হয়। এর ফলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ধাত্রীরা দুর্গম এলাকার গর্ভবতী নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা ও সহযোগিতা প্রদানে আরও সক্ষম হবেন।
অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, প্রশিক্ষকবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র, ব্যাগ, পুনঃব্যবহারযোগ্য গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ডবুক, অ্যাপ্রোন ও ফার্স্ট এইড বক্স বিতরণ করা হয়।
দুর্গম পাহাড়ি এলাকার জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যঝুঁকি হ্রাস এবং স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষ স্বাস্থ্য সহায়তাকারী তৈরির লক্ষ্যে লক্ষীছড়ি জোনের এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ছয়টি ছাপাখানায় (প্রিন্টিং প্রেস) আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য পাঠ্যবই ছাপার কাজের গুণগত মান যাচাই এবং কাজের অগ্রগতি জানার উদ্দেশ্যে সোমবার দিনগত রাত ১২টার পর পূর্বঘোষণা ছাড়াই তিনি ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত এসব ছাপাখানাগুলোতে পরিদর্শনে যান।
মৌসুমী অফসেট প্রেস, ফাইজা প্রিন্টিং প্রেস, শৈলী প্রিন্টার্স, বর্ণশিখা অফসেট প্রিন্টার্স, সোনালী ওয়েব প্রিন্টার্স এবং ন্যাশনাল প্রিন্টার্স এই প্রেসগুলোতে তিনি পরিদর্শন করেন। শিক্ষামন্ত্রী প্রেসে চলমান পাঠ্যবই মুদ্রণ কাজের বাস্তব পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি কাগজ ও কালির গুণগত মান, বাঁধাইয়ের সূক্ষ্মতা এবং ছাপাখানার কাজের অগ্রগতির প্রতিটি ধাপ খুঁটিয়ে দেখেন।
এ সময় তিনি পাঠ্যবই ছাপার দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের হাতে সময়মতো মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দিতে ছাপার কাজে নির্ধারিত মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বই ছাপার ক্ষেত্রে গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ