প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী) আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচনকে ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। এদিকে, দুই প্রার্থী প্রতিপক্ষের লোকজনের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ নানা বিষয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠ থেকে জেলা নির্বাচন অফিস নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ শুরু করে। আসনটির ১৮৫টি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্সসহ প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে।
এই আসনে পাঁচ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। অন্যদিকে, ১১ দলীয় জোটের জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা। এছাড়া, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আব্দুল আলিম নিজামী বটগাছ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম হাতপাখা এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হোসাইন মোহাম্মদ ওমর ফারুক ডাক প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন জানিয়েছেন, নির্বাচন বর্জনের কোনো পরিকল্পনা নেই। বুধবার শহরের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তাঁরা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে থাকতে চান। প্রশাসনের প্রস্তুতির ওপর তাঁদের আস্থা রয়েছে। তবে, ১৯৯৪ সালের মাগুরা নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা, নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্বাচনী কাজে ব্যবহারের অভিযোগ করেন।
অন্যদিকে, বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন দাবি করেছেন যে, উপনির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত করতে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করা হচ্ছে। বুধবার রাতে জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে সংবাদ সম্মেলন করে ভোটারদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চলছে। তবে, তিনি আশাবাদী যে, সব শ্রেণি-পেশার ভোটার স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, আসনটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। তাদের ভোটগ্রহণের জন্য ১৮৫টি কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ৫ হাজার ৩০০ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, সেই জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন