প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ৭৯ মিনিট পরিমাণ সময় ধরে ২-০ গোলে পিছিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু মাত্র ১৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের এক ঝড়ে পুরো ম্যাচের চিত্রই বদলে দেয় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে অবিশ্বাস্য জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় স্কালোনির শিষ্যরা।
আটলান্টায় শুরু থেকেই চাপের মধ্যে ছিল আর্জেন্টিনা। ১৫ মিনিটে ইয়াসের ইব্রাহিমের গোলে এগিয়ে যায় মিসর। এরপর আর্জেন্টিনা পেনাল্টি পেলেও সেটি কাজে লাগাতে পারেননি লিওনেল মেসি। প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করার পরেও তারা সমতায় ফেরার জন্য ব্যর্থ হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে শুরু করে মিসর। ফাউলের কারণে একটি গোল বাতিল করা হয় সালাহদের। পরে ম্যাচের ৬৭ মিনিটে মোস্তাফা জিকোর গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে মিসর। তখন মনে হচ্ছিল, বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে মেসির আর্জেন্টিনার।
কিন্তু সেখান থেকেই নাটকীয় প্রত্যাবর্তন শুরু হয়। ম্যাচের ৭৯ মিনিটে মেসির অ্যাসিস্টে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ব্যবধান কমান। চার মিনিটের কিছু বেশি সময় পর সমতাসূচক গোল করেন মেসি নিজেই। এরপর যোগ করা সময়ে এনজো ফার্নান্দেজের হেডে জয়সূচক গোল আসে।
মাত্র ১৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ডে তিন গোল করে আর্জেন্টিনা ম্যাচের গল্পই পাল্টে দেয়। প্রায় নিশ্চিত হার থেকে দুর্দান্ত এই জয় তুলে নিয়ে তারা কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যায়।
রেফারি যখন ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজায়, তখন আবেগের কারণে ভেঙে পড়েন মেসি। এই কান্না জয়, আনন্দ এবং বিশ্বাসের নিদর্শন।
এই নাটকীয় ম্যাচের মধ্যে আর্জেন্টিনা আবারও প্রমাণ করেছে, চ্যাম্পিয়নদের সবচেয়ে বড় শক্তি কেবলমাত্র দক্ষতা নয়, বরং শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার মানসিকতা। ম্যাচের গল্প যেকোন সময় বদলে দিতে পারে মেসির আর্জেন্টিনা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন