বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:০৫ পি.এম
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, ক্রমবর্ধমান জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় নিজেদের সম্পদ ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তবে, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, সহজপ্রাপ্য জলবায়ু অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মন্ত্রী বলেন, "ইউএনডিপির সঙ্গে দীর্ঘদিনের অংশীদারিকে আমরা আরো বাস্তবমুখী ও ফলপ্রসূ করতে চাই।"
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিকসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হওয়ায় অভিযোজন কার্যক্রমকে আরো কার্যকর, স্থানীয় বাস্তবতানির্ভর এবং ফলাফলমুখী করতে হবে। তিনি জানান, পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের সঙ্গে মানুষের জীবিকা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমন্বয় নিশ্চিত করা জরুরি।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ইউএনডিপির মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন খাতে বিদ্যমান সহযোগিতা পর্যালোচনা করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে জীববৈচিত্র্য ও প্রতিবেশ সংরক্ষণে বাংলাদেশের প্রণীত অর্থায়ন পরিকল্পনা (BIOFIN), নিম্ন-কার্বন উন্নয়নে ন্যাশনাল কুলিং প্ল্যান (NCP), জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা ও অভিযোজন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
এ সময় পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে স্থানীয় সরকার ও জনগণের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চল, চরাঞ্চল, পার্বত্য এলাকা, হাওর এবং খরাপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলের মতো জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান এবং জলবায়ু-সহনশীল জীবিকার কার্যক্রম সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।
আলোচনায় বাংলাদেশের জাতীয় জলবায়ু অঙ্গীকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল ও উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে অধিক অর্থায়ন সংগ্রহে ইউএনডিপির কারিগরি সহযোগিতা আরো জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিকস বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীল ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়নে ইউএনডিপির সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, জলবায়ু অভিযোজন, প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, দূষণ ও প্লাস্টিক বর্জ্য মোকাবেলা, জলবায়ু অর্থায়ন এবং স্থানীয় পর্যায়ে সহনশীলতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ সরকারের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইউএনডিপি কাজ করতে আগ্রহী।
তিনি আরও বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনগণ, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত ও অন্যান্য অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে সফল উদ্যোগগুলো বৃহত্তর পরিসরে সম্প্রসারণে ইউএনডিপি প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা ও অংশীদারি অব্যাহত রাখবে।
উভয় পক্ষ চলমান যৌথ প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন আরো গতিশীল করার পাশাপাশি জলবায়ু অভিযোজন, প্রতিবেশ পুনরুদ্ধার, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অর্থায়ন, উষ্ণতা হ্রাস, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও কার্বন ক্রেডিটকে কেন্দ্র করে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করার বিষয়ে একমত হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অভিনেতা নানা পাটেকারের মৃত্যুর ঘটনায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টে তিনি নানাকে স্মরণ করে লিখেছেন, "তার মতো অভিনেতা ছিলেন বিরল। অভিনয়ে অতিরিক্ত কিছু না করেও দর্শককে মুগ্ধ করে রাখতে পারতেন তিনি।"
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড পেজে একটি পোস্টে অক্ষয় কুমার নানা পাটেকরকে ‘নানা জি’ সম্বোধন করে জানান, নানার মৃত্যুর খবর শুনে তিনি ভীষণভাবে মর্মাহত। তিনি উল্লেখ করেন, "তার কণ্ঠ, অভিনয়ের তীব্রতা এবং প্রতিটি চরিত্রে থাকা আন্তরিকতা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছিল।"
অক্ষয় কুমার লেখেন, নানার সঙ্গে ‘ওয়েলকাম’ সিনেমায় কাজ করার সুযোগ তার হয়েছিল। পরে তারা আবার ‘হাউসফুল ৫’ সিনেমাতেও একসঙ্গে কাজ করেন। দুই সিনেমার শুটিংয়ের সময়কার অনেক স্মৃতি তার কাছে সবসময় বিশেষ হয়ে থাকবে বলেও জানান অক্ষয়।
নানাকে স্মরণ করে অক্ষয় আরো লেখেন, "তিনি ছিলেন সত্যিই অনন্য একজন অভিনেতা। তার চলে যাওয়াটা বিশ্বাস করা কঠিন।" জীবনের বিভিন্ন সময়ে দেওয়া স্মৃতির জন্য নানাকে ধন্যবাদ জানিয়ে অক্ষয় বলেন, "তাকে ভাষায় প্রকাশ করার চেয়েও বেশি মনে পড়বে।"
অক্ষয় কুমারের এই পোস্টের শেষেও ছিল নানার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রকাশ। পোস্টের সঙ্গে তিনি প্রার্থনার ইমোজিও দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। দূর্গা পূজা মানেই ঢাকের আওয়াজ, প্যান্ডেলের হৈহুল্লোড়, নতুন জামা-কাপড় ও বন্ধু-বান্ধবদের সাথে জমিয়ে আড্ডা এবং এরই সঙ্গে শুরু হয় একে-অপরকে শুভ কামনা ও ভালোবাসায় ভরা দূর্গা পূজার শুভেচ্ছা। সমাজের অন্যায় অবিচার অশুভ ও অসুরশক্তির দমনের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ পূজা হয়ে থাকে। আবহমানকাল ধরে হিন্দু সম্প্রদায় উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে নানা ধর্মীয় মাঙ্গলিক আচার অনুষ্ঠান পালনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা করে আসছে। দুর্গা পূজা উপলক্ষে জাতি,ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে বদলগাছী উপজেলার ০২ নং মথুরাপুর ইউনিয়নবাসীকে শারদীয় দূর্গা পূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, ২ নং মথুরা পুর ইউনিয়ন পরিষদের বার বার নির্বাচিত ইউপি সদস্য, শ্রী পরিমল চন্দ্র মথুরা পুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শ্রী পরিমল চন্দ্র
এক শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি বলেন, দূর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসব নয়, এটি এখন সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সুন্দরের আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রধান বৈশিষ্ট্য। ধনী-গরীব নির্বিশেষে সবাই যেন এ আনন্দ সমানভাগে ভাগাভাগি করে এই প্রত্যাশা আমার।
তিনি শুভেচ্ছা বার্তায় আরো বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। ধর্ম যার যার উৎসব সবার। এখানে সকল ধর্মের মানুষ তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করে। কোথাও কোনো অপৃতিকর ঘটনা যেন না ঘটে সেদিকে প্রশাসন এবং ২নং মথুরাপুর ইউনিয়ন সচেতন মহলের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি সকলের সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ৫৯৭ বোতল নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ‘এসকাফ সিরাপ’, দুটি মোবাইল ফোন ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজিসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-১৪, ভৈরব ক্যাম্প।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. রনি (৩০), মো. আরাফাত (১৮) ও জানে আলম সম্রাট (২৫)। তাদের সবার জেলা কিশোরগঞ্জ বলে জানিয়েছে এসআরবি।
এসআরবি-১৪-এর সিপিসি-২, ভৈরব ক্যাম্পের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার (৭ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভৈরব থানার চণ্ডিবের মধ্যপাড়ার পাকা সড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়। এ সময় মাদক বহনকারী সন্দেহে একটি সিএনজি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হলে তিনজনকে আটক করা হয়।
পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা তাদের হেফাজতে নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ‘এসকাফ সিরাপ’ থাকার কথা স্বীকার করেন বলে জানায় এসআরবি। তাদের দেওয়া তথ্য ও দেখানো স্থান অনুযায়ী সিএনজিতে বিশেষ কৌশলে রাখা ৫৯৭ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়।
এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজিটি জব্দ করা হয়। পাশাপাশি দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করে অভিযানকারী দল।
এসআরবি জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে কিশোরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে উদ্ধার করা মাদক ও অন্যান্য আলামতসহ তাদের কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এসআরবি-১৪ জানিয়েছে, মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে আন্ত ধর্মীয় সম্প্রীতি, বহুমাত্রিক সংস্কৃতি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এবং দুই দেশের পার্লামেন্টারি সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে বৈঠক করেছে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের একটি বিশেষ প্রতিনিধিদল, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে সংস্কৃতিমন্ত্রীর দপ্তরে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের ‘অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপ (এপিপিজি) অন বাংলাদেশ’-এর তিন সদস্যের এই প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেছে।
যুক্তরাজ্য পার্লামেন্টের সদস্য মিজ আপসানা বেগমের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে আরো উপস্থিত ছিলেন এমপি মিস্টার শকাত আদম ও লর্ড কুরবান হোসেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে পার্লামেন্ট-টু-পার্লামেন্ট সম্পর্ক উন্নয়ন, যুক্তরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের কল্যাণ, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশের হাজার বছরের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ‘বাংলাদেশে পাহাড় ও সমতলের ৫০টিরও বেশি নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী নিজস্ব ভাষা ও স্বকীয়তা বজায় রেখে মিলেমিশে বসবাস করছে। আমাদের রাষ্ট্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ ও সংখ্যালঘু বলে কোনো বিভাজন নেই; আইনের চোখে সব নাগরিক সমান সুযোগ ও অধিকার ভোগ করেন।’
গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এর মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক ধারায় এক নতুন যাত্রার সূচনা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, বিগত ফ্যাসিবাদের পতনের পর যেকোনো অস্থিতিশীলতা রোধে এবং বিশেষ করে দুর্গাপূজাসহ সব ধর্মীয় উৎসবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে সরকারি পদক্ষেপের পাশাপাশি বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সরাসরি মাঠে থেকে সহায়তা করেছে।
বাংলাদেশে অসাম্প্রদায়িক চেতনার নিদর্শন হিসেবে দুর্গাপূজার ব্যাপ্তি তুলে ধরে নিতাই রায় চৌধুরী জানান, গত বছর সারা দেশে প্রায় ৩৩ হাজার মণ্ডপে পূজা উদযাপিত হলেও চলতি বছর মণ্ডপের সংখ্যা আরো প্রায় ৫ হাজার বাড়তে পারে।
বৈঠকে উপস্থিত সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন যে, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের নির্ধারিত ৪ কোটি টাকা চাহিদার বিপরীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫ কোটি টাকা বরাদ্দের বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন। পাশাপাশি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সুবিধার্থে দুর্গাপূজায় সরকারি ছুটি একদিন বাড়ানো হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উচ্চপর্যায়ের এ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম এবং যুগ্ম সচিব ইলিয়াস সুমনা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ