প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভোজ্যতেল, মসলা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, কৃত্রিম সংকট এবং অনিয়ম প্রতিরোধের লক্ষ্যে দেশের ৩৬টি জেলায় অভিযান পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ১০১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) অধিদপ্তরের ৫২টি বিশেষ দল দেশের বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজারে অভিযান চালায়।
এই অভিযানে ভোজ্যতেল, পেঁয়াজ, আদা, রসুনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি এবং সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির বিষয়গুলো তদারকি করা হয়। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্রয়-বিক্রয়ের রশিদ, হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং পণ্যের সঠিক ওজন নিশ্চিত করা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হয়।
অভিযান চলাকালে ব্যবসায়ীদের নির্দেশনা দেওয়া হয় যেন তারা দৃশ্যমান স্থানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন করে, ডিজিটাল ওজনে পণ্য বিক্রি করে এবং ক্রয়-বিক্রয়ের যথাযথ নথিপত্র সংরক্ষণ করে। একই সঙ্গে অযৌক্তিক মজুত ও পণ্যের সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়। বাজারে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
অভিযানে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এবং বণিক সমিতির প্রতিনিধিরা সহযোগিতা করেন।
অধিদপ্তর ভোক্তাদের আতঙ্কিত হয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য না কেনার আহ্বান জানিয়েছে। কেনাকাটার সময় পণ্যের মেয়াদ ও সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) যাচাই করার এবং অবশ্যই ক্যাশমেমো বা ক্রয়ভাউচার সংগ্রহের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পণ্য কেনাবেচায় প্রতারণা, মূল্য কারসাজি বা অন্য কোনো অনিয়মের শিকার হলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১-এ অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ ধরনের তদারকি অব্যাহত থাকবে বলে অধিদপ্তর জানিয়েছে, যাতে বাজারে পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন