প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পুরান ঢাকার চকবাজারের মনসুর খান প্লাজায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস প্রায় সাড়ে ৩৭ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণরূপে নির্বাপণ করতে সক্ষম হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চকবাজারের আগুন নির্বাপণ সম্পন্ন হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ২ মিনিটে চকবাজারের ছোট কাটারা এসি মসজিদসংলগ্ন মার্কেটটিতে আগুন লাগার খবর পায় সংস্থাটি। বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে ধাপে ধাপে ইউনিটের সংখ্যা বাড়ানো হয় এবং শেষ পর্যন্ত ১০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
ঐ সময় ফায়ার সার্ভিস জানায়, মার্কেটের ষষ্ঠ তলায় বিভিন্ন পণ্যের গুদাম ছিল। গুদামের দরজা ও শাটার তালাবদ্ধ থাকায় ভেতরে প্রবেশ করে আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের বেগ পেতে হয়। তালা ও শাটার ভেঙে প্রবেশের পর, কর্মীদের আগুনের উৎস এবং বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়া আগুন মোকাবিলা করতে হয়।
একই সঙ্গে ভবনের ভেতরে ধোঁয়া বের হওয়ার পর্যাপ্ত পথ না থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ঘন ধোঁয়ার মধ্যে কাজ করতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের চার সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
আগুন নেভাতে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। পানির সীমিত উৎস এবং সরু রাস্তার কারণে পানিবাহী গাড়ি নিয়ে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। দীর্ঘ সময় ধরে আগুন নেভানোর পাশাপাশি ভবনের বিভিন্ন অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন