প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কার্তিক মাসের ভরদুপুরে প্রকৃতিতে শুষ্ক বাতাস বইছে। গাছের পুরোনো পাতা ঝরে পড়ছে। হেমন্তের আগমনের সাথে সাথে ভ্যাপসা গরম কমে আসছে এবং আবহাওয়া ক্রমেই আরামদায়ক হয়ে উঠছে। ঋতু পরিবর্তনের এই সময় প্রকৃতিতে বিভিন্ন পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দিনের বেলায় রোদের তীব্রতা থাকলেও সকাল ও রাতের আবহাওয়ায় শীতের আমেজ আসতে শুরু করেছে।
রাজধানী ঢাকা এখনও শীতের অনুভূতি অনুভব করছে না, তবে গ্রামবাংলায় ঘাসের ডগায় শিশির জমতে শুরু করেছে। ভোরের আলোয় শিশিরভেজা ঘাস, গাছের পাতায় জমে থাকা জলকণা এবং হালকা শুষ্ক বাতাস ঋতু পরিবর্তনের বার্তা দিচ্ছে। প্রকৃতির এই পরিবর্তন ইঙ্গিত দিচ্ছে যে শীতের আগমন খুব বেশি দূরে নেই।
আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, আজ রংপুরের রাজারহাট উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি ছিল। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রার এই পরিবর্তন শীতের আগমনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে রাজধানীতে এখনও শীতের তীব্রতা অনুভূত হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।
আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, চলতি সপ্তাহে দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির কারণে কোথাও কোথাও আবহাওয়ায় সাময়িক পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। তবে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে ঢাকায় শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে।
আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম জানান, ‘আগামী দু-একদিন পর চট্টগ্রামে সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পরদিন চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল এবং ঢাকা পর্যন্ত বৃষ্টি বিস্তৃতি লাভ করতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বে তাপমাত্রা বেড়েছে প্রায় ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাংলাদেশে বেড়েছে ১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো। এর ফলে তাপমাত্রা এমনিতেই কিছুটা বেশি থাকে। এর ওপর আবার এল নিনোর প্রভাবও রয়েছে। এই দুটি কারণে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় শীত কম পড়তে পারে।’
আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এবার ঢাকায় জানুয়ারি মাসে শীতের তীব্রতা বেশি থাকতে পারে। অর্থাৎ, নভেম্বরের শেষদিকে শীতের অনুভূতি বাড়তে শুরু করলেও শীতের প্রকৃত তীব্রতা দেখা দিতে পারে জানুয়ারিতে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন