প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নিজের লেখা গল্প, নিজের প্রযোজনা—আর সেই গল্পেই প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় অভিনয়! অভিষেকেই দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়ে যেন চমক দেখালেন অভিনেতা সৈকত খান। বলছি, মুক্তি পাওয়া নতুন বাংলা সিনেমা ‘পোড়া প্রেম’-এর কথা।
দীর্ঘদিন পর আবারও বড় পর্দায় পুরোনো দিনের বাংলা সিনেমার আবহ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা এই সিনেমায়। মুক্তির প্রথম দিনেই দর্শকদের সঙ্গে সিনেমা দেখার অনুভূতি ভাগ করে নিতে বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে হাজির হন সিনেমার নায়ক ও কলাকুশলীরা।
সৈকত খানের নিজের লেখা গল্প ও প্রযোজনায় নির্মিত এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন সৈকত খান, ববিতা ইসলাম, কাজী হায়াৎ, দুলারী, রিনা খান, জ্যাকি আলমগীর, স্বর্ণ বিশ্বাস, সরল হাসমতসহ আরও অনেক গুণী শিল্পী।
সিনেমা মুক্তির দিনে যাত্রাবাড়ীর গীত সিনেমা হল, নিউ গুলশান সিনেমা হল ও আজাদ সিনেমা হলে দর্শকদের সঙ্গে সময় কাটান সৈকত খানসহ অন্যান্য কলাকুশলীরা। এ সময় দর্শকদের সঙ্গে কথা বলেন তারা, জানার চেষ্টা করেন সিনেমাটি দেখে দর্শকদের অনুভূতি ও প্রতিক্রিয়া।
সিনেমা দেখে নিজেদের ভালো লাগার কথা জানান দর্শকরা। বিশেষ করে রিকশাচালক ও দিনমজুর শ্রেণির দর্শকদের অনেকেই ছবিটির প্রশংসা করেন। তাদের ভাষায়, ‘পোড়া প্রেম’-এ খুঁজে পেয়েছেন পুরোনো দিনের বাংলা সিনেমার পরিচিত আবহ, গল্প ও আবেগ।
তবে সিনেমাটিকে ঘিরে আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন অভিনেতা সৈকত খান। নিজের লেখা গল্পে, নিজের প্রযোজনায় প্রথমবার বড় পর্দায় অভিনয় করেই দর্শকদের নজর কেড়েছেন তিনি। নতুন অভিনেতা হিসেবে তার এই আত্মপ্রকাশ এবং গল্প বলার প্রচেষ্টাকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন দর্শকরা।
দর্শকদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও সৈকত খানের কাছ থেকে এমন গল্পনির্ভর, তথ্যসমৃদ্ধ ও দর্শকদের ভাবনার খোরাক জোগায়—এমন সিনেমা উপহার পাবেন তারা।
অন্যদিকে, দর্শকদের ভালোবাসা ও সরাসরি প্রশংসা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন সৈকত খানসহ সিনেমার অন্যান্য কলাকুশলীরা। বাংলা সিনেমাকে বাঁচিয়ে রাখতে এবং দেশীয় চলচ্চিত্রের প্রতি দর্শকদের আগ্রহ ফিরিয়ে আনতে সবাইকে প্রেক্ষাগৃহে আসার আহ্বান জানান তারা।
সব মিলিয়ে, নিজের গল্প ও প্রযোজনায় প্রথমবার বড় পর্দায় সৈকত খানের আত্মপ্রকাশ, সঙ্গে দর্শকদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া—‘পোড়া প্রেম’ ঘিরে তৈরি করেছে নতুন প্রত্যাশা।
বাংলা সিনেমার সুদিন ফেরাতে প্রয়োজন এমন নতুন গল্প, নতুন উদ্যোগ আর দর্শকদের ভালোবাসা। আর সেই পথ ধরেই এগিয়ে যাক আমাদের বাংলা চলচ্চিত্র—এমনটাই প্রত্যাশা সিনেমাপ্রেমীদের।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন