প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ক্যাম্প বুহরিংয়ে ইরানের হামলার তীব্রতা এতটাই বৃদ্ধি পায় যে, একপর্যায়ে মার্কিন সেনাদের মরুভূমিতে সরে যেতে বাধ্য হতে হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে হামলার সময়ের দৃশ্য এবং বিস্ফোরণের পর ঘাঁটির বিভিন্ন স্থাপনা ও সামরিক সরঞ্জামের ক্ষয়ক্ষতি দেখা যায়।
বুধবার (৭ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পূর্বে ঘাঁটিতে অবস্থানরত প্রায় ৭ হাজার মার্কিন সেনার অধিকাংশকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে শতাধিক সেনা ক্যাম্প বুহরিংয়ে থেকে যান। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর, ঘাঁটিটি বারবার ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। তিন মার্কিন সেনা সিবিএসকে জানান, হামলায় ইরানের এফ-৫ যুদ্ধবিমানও অংশ নেয়।
এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, "তারা এত কাছ দিয়ে উড়েছিল যে পাইলটদের হেলমেট দেখতে পাচ্ছিলাম। হামলা চালিয়েই তারা চলে যায়।"
হামলার সময় ঘাঁটিতে অবস্থানরত সেনাদের দশমিক ৫০ ক্যালিবারের গোলাবারুদের তীব্র সংকট দেখা দেয়। প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের পর্যাপ্ততা নিয়েও উদ্বেগ ছিল।
এক সেনাসদস্য বলেন, "তারা আমাদের ওপর ভয়াবহ আঘাত হেনেছিল। ঘাঁটি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছি।"
হামলায় ক্যাম্প বুহরিংয়ে কোনো মার্কিন সেনা নিহত না হলেও, কয়েকজন আহত হন। তাদের মধ্যে দুজন মরুভূমিতে বজ্রপাতে আহত হন। একজনের শরীরে দগ্ধ হওয়ার পাশাপাশি অন্যজনের কানের পর্দা ফেটে যায়।
এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের মহাপরিদর্শকের প্রতিবেদনে ইরান যুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩৭০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ক্ষয়ক্ষতির তথ্য উঠে এসেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন