প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে গুলির আঘাত নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক কষ্টে ভোগ করছিলেন চট্টগ্রামের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা তানভীরুল ইসলাম। তিনি বিষপান করে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন, কারণ তীব্র ব্যথার যন্ত্রণা সহ্য করা তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি বিষপান করেছিলেন। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানার জন্য ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রয়োজন।
তানভীরুল ইসলাম এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং বায়েজিদ থানা কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব ছিলেন। তার বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার হিলপাড়া গ্রামে। তার বাবা মো. আবু ইউসুফ এবং মা তাসলিমা বেগম। তিনি চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানার টেক্সটাইল এলাকার জামাল উদ্দিনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বায়েজিদ থানার টেক্সটাইল এলাকার ভাড়া বাসায় বিষপানের পর তানভীরুল গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুধবার রাতে জানাজানি হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির সদস্যসচিব আরিফ মইনুদ্দিন বলেন, তানভীরুল জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। তার কোমরের এক পাশ দিয়ে গুলি প্রবেশ করে অন্য পাশ দিয়ে বের হয়ে যায়। তিনি তালিকাভুক্ত আহত জুলাইযোদ্ধা ছিলেন। গুলির ক্ষত নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তিনি শারীরিক কষ্টে ভুগছিলেন। ক্ষতস্থানে সংক্রমণ হওয়ায় তাকে নিয়মিত হাসপাতালে যেতে হতো।
আরিফ মইনুদ্দিন আরও বলেন, তীব্র ব্যথার কারণে তানভীরুল প্রায়ই খুঁড়িয়ে হাঁটতেন এবং কষ্টে কান্নাকাটি করতেন। দীর্ঘদিনের শারীরিক যন্ত্রণা তার জন্য অসহনীয় হয়ে উঠেছিল বলে তিনি মনে করেন।
চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নূরুল আলম আশেক জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন