প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রে একটি ভারতীয় নারীর ভাইয়ের গাড়ি থেকে চারটি চাকা চুরির ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। এক্সে (সাবেক টুইটার) প্ল্যাটফর্মে একজন ব্যবহারকারী জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিস্টাল হাউস এলাকায় গত সপ্তাহান্তে অন্তত তিনটি গাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে।
চোরেরা কয়েকটি গাড়ির চাকা খুলে নিয়ে যায়।
জানায়, তার ভাই সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখতে পান, পার্কিংয়ে রাখা তার গাড়ির চারটি চাকাই খুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। চোরেরা গাড়ির চাকা নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ঘটনাস্থলে একটি নোটও রেখে যায়।
নোটটিতে উল্লেখ করা হয়, গত সপ্তাহান্তে ক্রিস্টাল হাউসের পার্কিং এলাকায় অন্তত তিনটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অন্তত তিনটি গাড়ির চাকা চুরি হয়েছে। নোটে আরো বলা হয়, পার্কিং এলাকায় চুরির ঘটনা ঠেকাতে ক্রিস্টাল হাউস কর্তৃপক্ষকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। যদিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার ব্যাপারে আলোচনা চলছে, এনডিটিভি এর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি। স্থানীয় পুলিশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন বা বক্তব্যও প্রকাশ করা হয়নি। এছাড়া গাড়ির চাকা চুরির ঘটনা ঠিক কোন স্থানে ঘটেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ঘটনার প্রতি নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ ওই পরিবারের প্রতি সহানুভূতি জানিয়েছেন, আবার কেউ গাড়ি নিরাপদ রাখার জন্য বাস্তবসম্মত পরামর্শ দিয়েছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকায় গাড়ির চাকা চুরির ঘটনা ঘটে থাকে। তাই গাড়ির মালিকদের হুইল লক ব্যবহার এবং পার্কিং এলাকায় নিরাপত্তা ক্যামেরা রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
একজন মন্তব্য করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কিছু এলাকায় অপরাধের হার বেশি হলেও আবার এমন অনেক জায়গা রয়েছে যেখানে অপরাধ প্রায় নেই।
তাহলে গাড়ি কোথায় রাখা হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। আরেকজন ব্যঙ্গ করে বলেন, এটি শুধু চুরি নয়, বরং গাড়ির মালিককে ‘শিক্ষা দেওয়ার’ চেষ্টা বলেও মনে হতে পারে। কারণ চোরেরা চুরি করার পরও একটি নোট রেখে গিয়ে সতর্ক করে গেছে।
তৃতীয় একজন ব্যবহারকারী মজা করে মন্তব্য করেন, অন্তত চোরেরা গাড়িটিকে মাটিতে না ফেলে একটি শক্ত জিনিসের ওপর রেখে গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এসব মন্তব্যে ঘটনার জন্য উদ্বেগ ও সহানুভূতি দেখা গেছে, তবে কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে মজাও করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন