প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে বাজেট নিয়ে বিরোধের ফলস্বরূপ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য প্রতিহতকারী ক্ষেপণাস্ত্র কেনা বন্ধ হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
ইসরাইলের চ্যানেল ১৩ জানিয়েছে, বিরোধের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ১৫ বিলিয়ন শেকেল, যা প্রায় ৪ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলার। দেশটির সামরিক বাহিনীর দাবি, এই অর্থ তাদের বাজেটে স্থানান্তর করার জন্য নির্ধারিত ছিল।
অথচ অর্থ মন্ত্রণালয় সামরিক বাহিনীর এই দাবি অস্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য হলো, তাৎক্ষণিক সামরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এই অর্থের প্রয়োজন নেই। বরং অনুমোদন ছাড়াই জমে থাকা ঋণ পরিশোধের জন্য অর্থটি দাবি করা হচ্ছে।
ইসরাইলি পাবলিক ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে দেশটির সামরিক বাজেট প্রথমে ১৪৩ বিলিয়ন শেকেল বা ৪৭ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু ইরান ও লেবাননে ইসরাইলি হামলার পর প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বাজেট বাড়িয়ে ১৮৩ বিলিয়ন শেকেল বা ৬০ বিলিয়ন ডলার করার নির্দেশ দেন।
১৫ বিলিয়ন শেকেলের প্রথম কিস্তি আগস্টে দেওয়ার কথা থাকলেও এখনো তা স্থানান্তর করা হয়নি।
সম্প্রচারমাধ্যমটি জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতেই এই অর্থসংকটের প্রভাব ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর গাজা, অধিকৃত পশ্চিম তীর এবং লেবাননে পরিচালিত কার্যক্রমে পড়তে শুরু করেছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন যন্ত্রাংশের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
আগস্টের শেষ দিকে ইসরাইলি সেনাপ্রধান আইয়াল জামির বাজেট নিয়ে বিরোধের বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, অর্থায়ন নিয়ে সামরিক বাহিনী একটি ‘অভিযান’-এর মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন