ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে কোনো বাধা নেই


খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে কোনো বাধা নেই

সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চলাকালে যাত্রাবাড়ীতে খোবাইব নামে একজনকে হত্যা মামলায় তাকে জামিন দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিচারপতি কেএম জাহিদ সরওয়ার কাজল এবং শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গ্রিড বিপর্যয়ের তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন

আদালতে জামিনের আবেদন পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু এবং সাঈদ আহমেদ রাজা। পরে আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, এই মামলায় জামিন হওয়ায় খায়রুল হককে মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই।

এর আগে ২১ জুন বিচারিক আদালত এ মামলায় জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এরপর তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন।

মামলার বিবরণ অনুসারে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে যাত্রাবাড়ী এলাকায় আন্দোলন চলাকালে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গুলিতে খোবাইব (২০) নিহত হন।

এ ঘটনায় তার ভাই জোবায়ের আহম্মেদ ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর যাত্রাবাড়ী থানায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৮০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

আরও পড়ুন: বিএনপি ও আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান

প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গত বছরের ২৪ জুলাই তার বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এরপর থেকে তিনি নানা মামলায় কারাগারে রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ব্রিজ নির্মাণ! ভেঙে দিল প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


বরিশালে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ব্রিজ নির্মাণ! ভেঙে দিল প্রশাসন

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কাঠামোগত ত্রুটির কারণে নির্মাণাধীন একটি ব্রিজ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ২৯ জুন, সোমবার বিকালে ব্রিজটি ভাঙার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিখন বণিক এবং উপজেলা প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এটি জানা গেছে, রত্নপুর ইউনিয়নের দুশমী-করিমবাজার খালের ওপর বারপাইকা গ্রামের রুহুল হোসেনের বাড়ির সামনের স্থানে ৪৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও সাড়ে ৫ ফুট প্রস্থের একটি আয়রন ব্রিজ বানানো হয়। তবে, অভিযোগ উঠেছে যে, সরকারি নকশার বিপরীতে ব্রিজের ঢালাই ৫ ইঞ্চির পরিবর্তে মাত্র সাড়ে ৩ ইঞ্চি করা হয়। এর সঙ্গে, প্রতি ৮ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য ও ৬ ইঞ্চি প্রস্থে রডের ব্যবহার নিশ্চিত করার নিয়ম থাকার পরেও ঠিকাদার মাত্র ১ ফুট পর পর রড বসান।

স্থানীয়রা যখন ঢালাইয়ের সময় এই অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান, তখন ঠিকাদার ৫টি রড আরও এনে যোগ করেন। তবে, স্থানীয়দের উদ্যোগে কমপক্ষে ৫ বস্তা সিমেন্ট কেনা হয়েছিল কারণ ঢালাইয়ে সিমেন্টের পরিমাণ কম ছিল। অভিযোগ করা হয় যে, ১৩ এপ্রিল ব্রিজের উত্তর পাশে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহার করে ঢালাই সম্পন্ন করা হয়।

বাঁশ দিয়ে ব্রিজ নির্মাণের ঘটনাটি ১৬ এপ্রিল দৈনিক যুগান্তর সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে উপজেলা প্রশাসনের নজরে পড়ে। তারপর থেকেই প্রশাসন জানিয়েছিল যে, ব্রিজটি ভেঙে ফেলার প্রক্রিয়া চলবে।

অবশেষে, সোমবার বিকালে ইউএনও লিখন বণিক ও উপজেলা প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তীর উপস্থিতিতে ব্রিজটি আংশিকভাবে ভাঙা হয়। ভাঙার সময় প্রমাণ হিসেবে ব্রিজের উত্তর পাশে রডের বদলে বাঁশের কঞ্চি দেখা যায়। তবে, সম্পূর্ণ ব্রিজটি অপসারণ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

এই ঘটনায় ইউপি সদস্য সোহেল মোল্লাও উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী বলেন, "ব্রিজটি ভাঙার পর উত্তর পাশে রডের সঙ্গে বাঁশ ব্যবহার করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। যারা এভাবে ব্রিজের ঢালাই করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধৌত সম্পন্ন হলো পবিত্র কাবা শরিফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৩ পি.এম


ধৌত সম্পন্ন হলো পবিত্র কাবা শরিফ

ইসলামের সর্বোচ্চ পবিত্র স্থাপনা কাবা শরিফের বার্ষিক ঐতিহ্যবাহী ধৌতকরণ অনুষ্ঠান, যা গুসলুল কাবা নামে পরিচিত, ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ফজরের নামাজের পর মসজিদুল হারামে এই আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হয়। ইসলামিক ইনফরমেশনের এক প্রতিবেদন থেকে এ বিষয়ে জানা যায়।

দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ-এর পক্ষে কাবা শরিফ ধৌত করার এই অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব দেন প্রিন্স সৌদ বিন মিশআল বিন আবদুল আজিজ। প্রতিবছরের মতো এবারও নির্ধারিত আনুষ্ঠানিকতা ও সুগন্ধি সামগ্রী ব্যবহার করে কাবা শরিফের অভ্যন্তর পরিষ্কার ও সুগন্ধিমণ্ডিত করা হয়।

প্রথম ধাপ: প্রস্তুতি

এই ধাপে ধৌতকরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। কাবার কিসওয়া রক্ষায় দরজার পর্দার নিচের অংশ সাময়িকভাবে উত্তোলন করা হয়। এ ধাপে প্রায় ২০ লিটার জমজম পানি এবং ৮০ মিলিলিটার বিশেষ উদ তেল ব্যবহার করা হয়।

দ্বিতীয় ধাপ: ধৌতকরণ

কাবার দেওয়াল, স্তম্ভ ও মেঝে জমজম পানি ও তায়েফের গোলাপজলে ভেজানো বিশেষ কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করা হয়। এতে ব্যবহৃত হয়- ১. ৫৪০ মিলিলিটার গোলাপজল ২. ১১ লিটার বিশেষ সুগন্ধি ৩. ৩ মিলিলিটার মৃগনাভি (মাস্ক)।

তৃতীয় ধাপ: সুগন্ধিকরণ

শেষ ধাপে কাবার অভ্যন্তরভাগ আতর ও বখুর ধূপ দিয়ে সুরভিত করা হয়। এতে ব্যবহার করা হয়- ১. ৫০০ মিলিলিটার আতর ২. ৫০০ গ্রাম প্রিমিয়াম বখুর।

ইসলামের ইতিহাসে কাবা শরিফ ধৌত করার এই ঐতিহ্য অত্যন্ত প্রাচীন। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, মুহাম্মদ (সা.) কাবা শরিফে প্রবেশ করে এর অভ্যন্তরে নামাজ আদায় করেছিলেন এবং তা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছিলেন। সেই সুন্নাহর ধারাবাহিকতায় যুগ যুগ ধরে সৌদি কর্তৃপক্ষ প্রতিবছর নির্দিষ্ট সময়ে কাবা শরিফের বার্ষিক গোসলের আয়োজন করে আসছে।

বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের কাছে এই বার্ষিক গোসল অনুষ্ঠান গভীর ধর্মীয় তাৎপর্য বহন করে। এটি কাবা শরিফের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান, পরিচ্ছন্নতা ও পবিত্রতা রক্ষার এক অনন্য ঐতিহ্যের প্রতীক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবাকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ছেলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ পি.এম


বাবাকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ছেলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মেহেরপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক গোলাম কবির মঙ্গলবার বিকালে সিফাত ফকির নামক একজনকে তার বাবাকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।

সিফাত ফকিরের বিরুদ্ধে আদালতের এই রায় ঘোষণার পর স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি মাথা থেকে বিদায় নিতে পারছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল রাতে গাংনী উপজেলার নিজ বাড়িতে খুন হন মনির উদ্দীন। মনির উদ্দীন রাতের খাবার শেষে বাড়ির বারান্দায় ঘুমাচ্ছিলেন এবং রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে পরিবারের সদস্যরা তার চিৎকার শুনতে পান। তারা বাইরে এসে দেখেন, তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন।

পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের স্ত্রী রোকেয়া বেগম এই ঘটনার পর গাংনী থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম চলাকালে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই এস এম বুলবুল আহাম্মেদ সিফাত ফকিরের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পান।

সিফাত ফকির আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন এবং পরে ২০১৯ সালের ৩০ জুন তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাড. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। যদিও শুনানির সময় আসামি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন, কিন্তু আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ, নথিপত্র এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক মূল্যায়ন শেষে তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শালবাড়ীর পালপাড়ায় নেই আগের সেই মুখরতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৫ পি.এম


শালবাড়ীর পালপাড়ায় নেই আগের সেই মুখরতা

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের মানিকপাটন শালবাড়ীর পালপাড়ার একটি কুমার পরিবারে। সম্প্রতি তোলা। -কালের কণ্ঠ

শালবাড়ী একটি প্রাচীন জনপদ, যা মৃৎশিল্পের জন্য বিখ্যাত। নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার এই গ্রামে একটি কুমারপাড়া রয়েছে।

কয়েক শ বছর ধরে সেখানে তাদের বসতি রয়েছে। বসতির বয়স যত, মৃৎপণ্য প্রস্তুতের বয়সও তত।

একটা সময় ছিল, শালবাড়ীর কুমারপাড়া ছিল কুমারদের কর্মচাঞ্চল্যে মুখর। কিন্তু এখন সেই সময় আর নেই।

কালের বিবর্তনে এই শিল্পের চাহিদা কমে গেছে। এ কারণে বাঁচার তাগিদের টানে মৃৎশিল্পী বাপ-দাদার এই পেশা ত্যাগ করে অন্য পেশায় চলে গেছেন। কেউ কেউ এই পেশা ধরে রেখেছে, কিন্তু তারা নানা সমস্যায় জর্জরিত।

মৃৎশিল্পীরা জানান, কালের পরবিরর্তনের কারণে প্লাস্টিক পণ্যের সহজলভ্যতা এই শিল্পকে বিলুপ্তির দিকে ঠেলে দিয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকেই বংশপরম্পরায় এই পেশায় নিয়োজিত। তাদের হাতের ছোঁয়ায় নিমিষেই তৈরি হয় সুন্দর সব মাটির পণ্য। দৃষ্টিনন্দন ফুলদানি, তৈজসপত্র, সরা, মটকা, সুরাই, পেয়ালা, পশু-পাখি, মাটির ব্যাংক সহ বিভিন্ন পণ্য তৈরি করা হত। তবে এর পূর্বের সেই জৌলুসটা আর নেই।

সম্প্রতি সরেজমিনে নিয়ামতপুরের শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের মানিকপাটন শালবাড়ীর পালপাড়ায় দেখা যায়, বাড়িতে বাড়িতে কাঠের তৈরি বিশেষ চাক।

চাকে পা চালিয়ে মৃৎশিল্পীরা বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য তৈরি করছেন, যেমন পুতুল, ফুলের টব, হাঁড়ি, পাতিল।

পাড়ার মৃৎশিল্পী নিপেন চন্দ্র পাল বলেন, “ছোটবেলা থেকে বাপ-দাদাকে এ কাজ করতে দেখেছি। এ ব্যবসার মাধ্যমে সংসার চলত। কিন্তু এখন সংসার আর চলে না। কোনো রকম দিন চলে যায়।” তিনি জানান, “মাটি, বালু, খড় কিনতে হয়। এসব উপকরণের দাম এখন অনেক বেশি। তাই অধিকাংশ সময় দইয়ের পাতিলই তৈরি করে চলছি। বাজারে জিনিসপত্রের যে দাম, তাতে এই পেশায় থেকে সংসার চালানোই অসম্ভব হয়ে পড়েছে।”

একই পাড়ায় ধীরেন চন্দ্র পাল বলেন, “চৈত্রের শুরুতে কাজের খুব ব্যস্ততা থাকে আমাদের। বাকি সময় টিলেঢালা। তবে আগে যেমন হাতি, ঘোড়া, পুতুলসহ বাহারি জিনিসপত্র বানাতাম, এখন তা আর বানানো হয় না। খরচ বেশি, বেচাবিক্রিও নেই। তাই এখন আমরা শুধু দইয়ের পাতিলই বেশি তৈরি করি। মাঝে মধ্যে অর্ডার পেলে অন্য জিনিসপত্র তৈরি করি।”

মৃৎশিল্পী স্বপ্না বলেন, “আমার বাবার বাড়িতেও এই মাটির কাজ হয়। শ্বশুরবাড়িতে এসেও এই কাজই করছি। আগে বেচাকেনা বেশি হতো, এখন আর হয় না। আগে আমি নিজেই হাঁট-বাজারে মাটির তৈরি জিনিস বিক্রি করতাম। এখন আর চাহিদা না থাকায় যাওয়া হয় না। এখন বাড়িতেই দইয়ের হাঁড়ি তৈরি করি। এ দিয়েই কোনো রকম দিন চালাচ্ছি।”

নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসা. মুর্শিদা খাতুন বলেন, “আমাদের অনেক পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী রয়েছে। কুমার সম্প্রদায় সেগুলোর একটি। প্লাস্টিকের এই যুগে তাদের উৎপাদন কমে গেছে। কেননা, মাটির পণ্যের প্রতি আধুনিক প্রজন্মের মানুষের আগ্রহ দিন দিন কমছে। তাদের বাঁচিয়ে রাখতে, ইতিহাস ঐতিহ্য ধরে রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের বিশেষ অনুদানের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। সুযোগ থাকলে স্থানীয়ভাবে আমি অবশ্যই তাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%