প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হরমুজ প্রণালির কাছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং পাল্টা হামলার ফলে পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুটকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে সংঘাত ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবার বৃদ্ধি পেয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) গালফ নিউজের একটি প্রতিবেদনে সকাল পর্যন্ত বৈশ্বিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৯৭ ডলারের কাছাকাছি থাকার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
সকাল সাড়ে আটটার বাজার বিশ্লেষণের ভিত্তিতে দেখা গেছে, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম শূন্য দশমিক ৪৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ব্যারেল ৯৬ দশমিক ৬৯ ডলারে পৌঁছেছে এবং মার্কিন ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম শূন্য দশমিক ৬০ শতাংশ বেড়ে ৯২ দশমিক ০৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, মারবান ক্রুড ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ কমে ১০৩ দশমিক ৩০ ডলারে এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ২ দশমিক ৯২৯ ডলারে নেমেছে।
গত সপ্তাহে তেলের বাজারের দর জুলাইয়ের পর থেকে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছিল, যেখানে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৭ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৯৬ দশমিক ২৮ ডলারে এবং ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে ৯১ দশমিক ৪৮ ডলারে পৌঁছায়। আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহের অনিশ্চয়তা তেলের মূল্যে অতিরিক্ত ঝুঁকি বা প্রিমিয়াম যুক্ত রাখছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
হরমুজ প্রণালিতে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের অন্যতম প্রধান রুট হিসেবে ট্যাংকার চলাচল এখন চরম অনিশ্চয়তার সম্মুখীন। রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে একটি নির্দিষ্ট সময়ে মাত্র চারটি জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রম করতে পেরেছে, যা সাধারণ ১০ দিনের গড় দৈনিক ১৩টির তুলনায় অনেক কম। যদিও মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করেছেন যে একদিনে সর্বোচ্চ ১৭ মিলিয়ন ব্যারেল তেল এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সরবরাহ ঝুঁকির মুখোমুখি হয়ে ব্রেন্ট ক্রুড বর্তমানে মার্কিন ডব্লিউটিআই ক্রুডের চেয়ে ব্যারেল প্রতি প্রায় ৪ দশমিক ৬৬ ডলার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত বৃদ্ধি পেলে বা জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলে এই মূল্যের পার্থক্য আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
সূত্র:
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন