বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০৯ পি.এম
সংসদ ভবন, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন যে, বিডিআর বিদ্রোহ সংক্রান্ত মামলায় সাজাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির সাজা শেষ হলে, যদি তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা না থাকে, তবে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার পর তাকে কারাগার থেকে খালাস দেওয়া হয়।
আজ জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৩ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সংসদ সদস্য মো. ফজলে হুদার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিডিআর বিদ্রোহের মামলাগুলো ইতোমধ্যে বিজ্ঞ আদালতের সুনির্দিষ্ট বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যখন একটি মামলায় সাজা ভোগ করে, তখন তার বিরুদ্ধে যদি অন্য কোনো মামলা থাকে, তবে তা যথাযথ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, পরিচয়, পূর্ববর্তী সাজা বা রাজনৈতিক বিবেচনার ভিত্তিতে যেন কোনো ব্যক্তি অযথা হয়রানির শিকার না হন, সেই লক্ষ্যে পুলিশকে স্পষ্ট ও কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
তিনি বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি আইনবহির্ভূত বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানি, মিথ্যা মামলা কিংবা অযৌক্তিক পরিস্থিতির সম্মুখীন হন, তবে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাওয়া অভিযোগের সত্যতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নিবিড়ভাবে যাচাই করা হবে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, বিডিআর বিদ্রোহে সাজাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির সাজা শেষ হওয়ার পর, যদি তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা না থাকে, তবে যথাযথ পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি কারাগার থেকে খালাস পাওয়ার অধিকারী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্র্যান্ডসেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎকালে নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের উপ-মিশন প্রধান আলেকজান্ডার ফাল্ক-বিলডেন এবং অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য বিষয়ক উপদেষ্টা সায়েদ মুনতাসির বায়েজীদ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের সময় জ্বালানি খাতে, বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, অফশোর অনুসন্ধান এবং সবুজ বিনিয়োগে বাংলাদেশ ও নরওয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
জ্বালানি মন্ত্রী বিদ্যুৎ খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বিদ্যুতের প্রকৃত চাহিদা নিরূপণে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সিস্টেম লস কমাতে পাওয়ার অডিটিং কার্যক্রমে নরওয়ে সরকারের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় অফশোর বিডিংয়ে নরওয়ের অংশগ্রহণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগসহ বাংলাদেশের পরিচ্ছন্ন জ্বালানি রূপান্তরে নরওয়ের চলমান অংশগ্রহণ এবং দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি রোডম্যাপ অনুযায়ী প্রযুক্তি হস্তান্তর, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করা হয়।
মন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে নরওয়ের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের জন্য দেশটির সরকারের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে নরওয়েজিয়ান বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে নরডিক দেশগুলোর অধিকতর অংশগ্রহণকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়।
রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কারিগরি সহযোগিতা, বিশেষ করে অফশোর নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সবুজ প্রযুক্তি খাতে সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে নরওয়ের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। এ বিষয়ে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অন্বেষণে তার সরকারের আগ্রহের কথাও জানান তিনি।
সাক্ষাৎকালে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. জিয়াউল হক এবং বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকায় নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বৈঠকটি আজ বিরোধীদলীয় নেতার জাতীয় সংসদ ভবনে অবস্থিত কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়, যা ছিল আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে। নেপালের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নেপাল দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন প্রতীক কারকি।
বৈঠকের শুরুতে, বিরোধীদলীয় নেতা নেপালে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ভূমিধস ও পাহাড়ধসে মানুষের জান ও মালের ক্ষয়ক্ষতির জন্য শোক প্রকাশ করেন। তিনি রাষ্ট্রদূতের কাছে নেপালের বর্তমান পরিস্থিতি জানার আগ্রহও প্রকাশ করেন।
নেপালের রাষ্ট্রদূত বিরোধীদলীয় নেতার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের শুরু থেকেই বিরোধীদলীয় নেতার আন্তরিক তৎপরতা ও শোকবার্তা প্রেরণের কথা। রাষ্ট্রদূত তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
নেপালে চলমান উদ্ধার তৎপরতা, সেখানকার মানুষের দুর্ভোগ, ভূমিধসের কারণে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞ ও ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কেও নেপালের রাষ্ট্রদূত বিরোধীদলীয় নেতাকে অবহিত করেন। এর প্রতিক্রিয়ায়, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির নেপালের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে নেপালের পাশে সর্বতোভাবে থাকার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান এবং পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং অভিযানকে আরও জোরদার করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের বিমানবন্দরসমূহ, নৌবন্দর মোংলা এবং বাস টার্মিনালগুলোতে স্ক্যানার ও এক্স-রে মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ আগামী পাঁচ বছরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নেওয়া হবে।
জাতীয় সংসদে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, মেহেরপুর-১ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সংসদ সদস্য মো. তাজউদ্দীন খানের টেবিলে উপস্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য তুলে ধরেন।
মন্ত্রী বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে ডগ স্কোয়াড, ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব এবং সাইবার সিকিউরিটি ইউনিটের মাধ্যমে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে আরও শক্তিশালী করার জন্য জনবল বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলা পর্যায়ে সার্কেল স্থাপনের লক্ষ্যে সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি জেলা পর্যায়ে অফিস ভবন নির্মাণের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
মন্ত্রী জানান, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মাদকবিরোধী অভিযানকে আরও কার্যকর করতে অতিরিক্ত যানবাহন, বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং আধুনিক সরঞ্জাম ক্রয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে সারাদেশে রাসায়নিক পরীক্ষাগার বা কেমিক্যাল টেস্টিং ল্যাব স্থাপনের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে।
তিনি আরও জানান, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে মেহেরপুর-১ আসনের সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জনবল, নতুন যানবাহন এবং প্রয়োজনীয় আধুনিক সরঞ্জাম আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আত্মহত্যা সম্পর্কিত সমাজের প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে এটিকে সম্পূর্ণরূপে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও প্রতিরোধমূলক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
তারা উল্লেখ করেন, আত্মহত্যামূলক আচরণকে জনস্বাস্থ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। যদি পরিবারের কোনো সদস্য, বন্ধু, সহপাঠী বা সহকর্মীর মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বা লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে তার প্রতি তাৎক্ষণিক সাড়া দেওয়া, সহানুভূতি প্রকাশ করা, মানসিক যন্ত্রণা প্রশমনে তার অব্যক্ত কথাগুলো শোনা এবং সমস্যার সমাধান বের করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সর্বোপরি, কাউন্সেলিং ও মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেওয়া উচিত। পাশাপাশি আত্মহত্যা প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলনকে আরও জোরদার করতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার, বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর.সি মজুমদার অডিটোরিয়ামে ‘চেঞ্জিং দ্য ন্যারেটিভ অন সুইসাইড’ শীর্ষক একটি সেমিনারে বক্তারা এসব বিষয় তুলে ধরেন।
আত্মহত্যা প্রতিরোধক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ব্রাইটার টুমোরো ফাউন্ডেশন (বিটিএফ)’ এই সেমিনারের আয়োজন করে। দিবসটি উপলক্ষে অনুষ্ঠানের শুরুতে আর.সি মজুমদার অডিটোরিয়ামের সামনে থেকে একটি র্যালি বের হয়। র্যালিটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন ও ডাকসু ভবন হয়ে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে গিয়ে শেষ হয়।
সেমিনারে কি-নোট স্পিকার হিসেবে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী ৭ লাখের বেশি মানুষ আত্মহত্যা করেন। বিশ্বজুড়ে সংঘটিত আত্মহত্যার প্রায় ৭৭ শতাংশ নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে ঘটে।
তিনি আরও বলেন, সর্বোচ্চ মানের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার সকল মানুষের রয়েছে। আত্মহত্যামূলক আচরণকে জনস্বাস্থ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় মনোযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ব্রাইটার টুমোরো ফাউন্ডেশনের (বিটিএফ) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জয়শ্রী জামান বলেন, প্রচলিত ধারণা পরিবর্তনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন প্রয়োজন। এর মানে হলো এমন বহুমাত্রিক নীতির পক্ষে কথা বলা, যা মানসিক স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেয়, চিকিৎসার সুযোগ বাড়ায় এবং প্রয়োজনে সহায়তা প্রদান করে।
তিনি উল্লেখ করেন, যারা কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, তাদের প্রতি সহানুভূতি ও করুণা জাগিয়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। আত্মহত্যার চিন্তা ও অনুভূতি প্রচণ্ড যন্ত্রণা এবং কষ্টের। আত্মহত্যাপ্রবণ ব্যক্তির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ, তার কথা শোনা এবং সমর্থন দেওয়া অপরিহার্য।
জয়শ্রী জামান আরও বলেন, অধিকাংশ মানুষ জানে না বা বিশ্বাস করে না যে, আত্মহত্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব। প্রচলিত মিথ এবং অসংখ্য ভুল তথ্যের ভিড়ে প্রকৃত সত্য চাপা পড়ে যায়। কেউ আত্মহত্যা করতে চাইলে নানাভাবে সংকেত দেয়। যদি সে সময় তাৎক্ষণিক সাড়া দেওয়া যায়, তাহলে আত্মহত্যা প্রতিরোধ সম্ভব।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের সাবেক শিক্ষাবিদ অধ্যাপক কাজী লুতফুন নেসা, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক কবিতা দিলাওয়ার, বিনির্মাণ সংগঠনের সভাপতি নিলুফার বিলকিস, ইনারহুইল ক্লাব অব ওয়েসিস ঢাকা ডিস্ট্রিক্ট-৩৪৫ এর প্রেসিডেন্ট সাদিয়া জিনাত।
স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি ও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার উপ-প্রধান বার্তা সম্পাদক কবি জুনান নাশিত, বিটিএফের উপদেষ্টা, লেখক, গবেষক ও সংস্কৃতি কর্মী এমিলি জামান। নৃত্য পরিবেশন করেন সৈয়দা তাসফিয়া জাহান সাবা।
ইনারহুইল ক্লাব অব লবেলিয়া ঢাকা ডিসট্রিক্ট-৩৪৫ এর প্রতিনিধি ফাতিমা হাসনাতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সাংবাদিক রাসেল সরকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ