প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পরিচালক সৃজিত মুখার্জির প্রযোজনা সংস্থা ‘ম্যাচকাট প্রোডাকশনস’ অর্ণব রায়ের লেখা ‘শাঁখচুন্নি’ গল্পের স্বত্ব কিনে নিয়েছে। ‘শাঁখচুন্নি’ কিভাবে পর্দায় ভয়, মনস্তত্ত্ব এবং বাংলার আবহকে একত্রিত করবে, তা নিয়ে কৌতূহল রয়েছে।
পরিচালক খুব শিগগিরই এই সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারটি ছবি অথবা সিরিজ আকারে পর্দায় আনতে চান। এটি তার দীর্ঘদিনের ইচ্ছা, থমকে যাওয়া পুরোনো পরিকল্পনা এবং একটি পছন্দের গল্প— সব মিলিয়ে টালিউডের জনপ্রিয় পরিচালক সৃজিত মুখার্জি ও অর্ণবের নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে।
কিছু গল্প এমন হয় যা শুধু ভালো লাগে না, বরং মাথার ভেতর থেকে বেরোতেও চায় না। অর্ণব রায়ের ‘শাঁখচুন্নি’ ঠিক তেমনই একটি গল্প, অন্তত সৃজিত মুখার্জির জন্য।
২০২৪ সালে পরিচালক গল্পটি পড়েছিলেন। এরপর দুই বছর কেটে গেছে। এই সময়ের মধ্যে তিনি গল্পটি নিয়ে অনেকের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং তাদের আগ্রহও পেয়েছেন। কিন্তু তখন গল্পের স্বত্ব অন্য একটি সংস্থার কাছে ছিল। মেয়াদ ফুরোতেই নির্মাতা আর দেরি করেননি। তিনি নিজের প্রযোজনা সংস্থা ‘ম্যাচকাট প্রোডাকশন’-এর মাধ্যমে ‘শাঁখচুন্নি’র স্বত্ব কিনে নিয়েছেন। এই তথ্য নিজেই জানিয়েছেন পরিচালক সৃজিত মুখার্জি।
অর্ণবের লেখার সঙ্গে সৃজিতের এই সম্পর্ক নতুন নয়; এর আগে ‘মহাভারত মার্ডার্স’ নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। নানা কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়নি। পরে অর্ণবের ‘যাত্রিক’ নিয়েও কাজ করার ইচ্ছা ছিল পরিচালকের। কিন্তু কোনোটাই শেষ পর্যন্ত পর্দায় আসেনি। তবে এবার সেই অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। ‘শাঁখচুন্নি’ নিয়ে পরিচালকের বেশ স্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও গল্পটি ছবি হবে না কি সিরিজ— তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
লেখকও এই কাজ নিয়ে উচ্ছ্বসিত। অর্ণব রায় বলেন, সৃজিতের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা তারও বহুদিনের। ‘মহাভারত মার্ডার্স’-এর সময় কাজটি শেষ না হওয়ায় তার মধ্যে আক্ষেপ ছিল।
এবার ‘শাঁখচুন্নি’ সেই সুযোগ এনে দিয়েছে। বিশেষ করে গল্পের মধ্যে বাংলার নিজস্ব ছোঁয়াটাই অর্ণবের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, সেই আবহ এবং গল্পকে পর্দায় তুলে ধরার জন্য সৃজিতের চেয়ে উপযুক্ত পরিচালক আর কেউ হতে পারেন না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন