প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চীন শুক্রবার জানিয়েছে, তারা এক মার্কিন নাগরিককে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক করেছে। আটক ব্যক্তি ছিলেন প্রতিবেশী মায়ানমার বিষয়ক একটি নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান জানান, মিন জিনকে ‘ফৌজদারি বাধ্যতামূলক ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, কর্তৃপক্ষ তাকে ‘চীনের জাতীয় নিরাপত্তা ক্ষুণ্ণ করার জন্য গুপ্তচরবৃত্তিতে জড়িত থাকার সন্দেহে’ আটক করেছে। আটক ব্যক্তি ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড পলিসি মায়ানমার নামে গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করতেন।
এ প্রতিষ্ঠানটি মায়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সম্পদ ও সংঘাত নিয়ে গবেষণা করে। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর দেশটি গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কিছু গবেষণায় মায়ানমারের সীমান্ত অঞ্চলে চীনের প্রভাব এবং সেখানে বেইজিং সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। চীনা কর্তৃপক্ষের হাতে আটক হওয়ার সময় মিন জিন গবেষণা করছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয়।
আইএসপি-এম-এর সঙ্গে যুক্ত একজন ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে এএফপিকে জানান, মিন জিনকে ৩ জুন মায়ানমার সীমান্তবর্তী চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিং বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আটক শিক্ষাবিদের ঘনিষ্ঠ একজন ব্যক্তি জানান, ‘তিনি সেখানে একটি বৈঠকে অংশ নিতে গিয়েছিলেন।’ চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনার বিষয়ে গুয়াংঝুর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের দূতাবাসকে অবহিত করা হয়েছে।
আরেকটি সূত্র জানায়, ‘তার পরিবার ও সহকর্মীরা দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তার পরিবার খুবই উদ্বিগ্ন।’ এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বা কৌশল ও নীতি ইনস্টিটিউট কোনো পক্ষই মন্তব্য করেনি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মায়ানমারের গৃহযুদ্ধ চলাকালে চীন তার অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা স্বার্থ অনুযায়ী কখনো সেনাবাহিনী, আবার কখনো বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন