প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে, যিনি দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন, আদালত আবারও চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেন এ রিমান্ডের আদেশ প্রদান করেন।
পুলিশ ইতোমধ্যে এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে এ মামলায় চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। রিমান্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বৃহস্পতিবার আবারও সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামির জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে যে মৃত নারী খুবই আবেগী ছিলেন। আসামি জানায়, পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যার কারণে এবং অভিমানে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মামলাটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় এবং মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য আসামিকে আরও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের জন্য আসামিকে পুনরায় সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।
এর আগে, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় মৃত মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ শেরে বাংলা নগর থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন। মামলায় এমপি গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকসুদা বেগম এবং শ্যালক ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর, গত ২১ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুলের চার দিনের রিমান্ড এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। রিমান্ড শেষে গত ২২ সেপ্টেম্বর মাকসুদাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ২৩ সেপ্টেম্বর, এই মামলায় গ্রেপ্তারের পর মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন