প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আমেরিকান আইডলের সাবেক প্রতিযোগী ও গির্জার প্রাক্তন সংগীত যাজক ক্যালেব ফ্লিন (৪০) আদালতে নিজের স্ত্রী অ্যাশলি ফ্লিনকে (৩৭) হত্যার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। আদালতের জুরিরা তিন ঘণ্টারও কম সময় ধরে এই মামলার বিচার-বিশ্লেষণ করেন এবং রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর ক্যালেব আদালতে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের টিপ সিটিতে, ক্যালেব তার ঘুমন্ত স্ত্রী অ্যাশলিকে মাথার পেছনে পরপর দুটি গুলি করে হত্যা করেন। বিবিসির তথ্যমতে, অ্যাশলি পেশায় স্কুলশিক্ষিকা ও ভলিবল কোচ ছিলেন। স্ত্রীকে খুন করার পর ক্যালেব পুলিশকে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, একটি বহিরাগত ডাকাত তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
মামলার বিচারে জানা যায়, ক্যালেবের সঙ্গে তার গির্জার এক ২৪ বছর বয়সী সাবেক সহকর্মীর প্রায় ১৮ মাসের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তদন্তকারীরা তাদের মধ্যে আদান-প্রদান করা এক লাখেরও বেশি টেক্সট মেসেজ উদ্ধার করেন। স্ত্রীকে হত্যার কয়েক মাস আগে ক্যালেব একটি বার্তায় লিখেছিলেন, ‘আমি শুধু চাই সে মরে যাক’। এছাড়া, তিনি এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ব্যবহার করে একটি গান তৈরি করে তা তার প্রেমিকাকে উৎসর্গ করেছিলেন।
আদালতে ক্যালেবের আইফোন, অ্যাপল ওয়াচ এবং পুলিশের বডি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হয়, যেখানে তার বক্তব্যের কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়ে। প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে, তিনি তার ফোন থেকে এআই-মিউজিক অ্যাপসহ বিভিন্ন অ্যাপ মুছে ফেলেন। সব প্রমাণ যাচাই করে ক্যালেবের বিরুদ্ধে আনা হত্যা ও প্রমাণ নষ্টের অভিযোগসহ মোট ৮টি অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। মার্ডার ও প্রমাণ বিকৃতির অভিযোগে ক্যালেবকে প্যারোল ছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে জনপ্রিয় সংগীত বিষয়ক রিয়্যালিটি শো ‘আমেরিকান আইডল’-এর ১২তম আসরে অংশগ্রহণ করে অডিশনে নির্বাচিত হয়েছিলেন ক্যালেব ফ্লিন, তবে মূল প্রতিযোগিতায় তিনি পৌঁছাতে পারেননি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন